ইন্ডিয়ান
প্রিমিয়ার লিগে (আইপিএল) মুম্বাই ইন্ডিয়ানসের কোচ তিনি। গত মৌসুমে
আইপিএলের শিরোপাও জিতিয়েছেন দলকে। কিন্তু রিকি পন্টিংয়ের মতো একজন কি শুধু
টি-টোয়েন্টি ফ্র্যাঞ্চাইজির কোচ হয়েই অবসরজীবন কাটিয়ে দেবেন? নিজের দেশের
হয়ে কাজ করতে কি ইচ্ছে হয় না কিংবদন্তি এই অস্ট্রেলীয় ব্যাটসম্যানের? এটি
পন্টিংয়ের মনেও উঁকি দেয়নি, তা নয়। তবে এখন তাঁর যে ব্যস্ততা, এর বাইরে
আলাদা করে নতুন কিছু করার জন্য সময় বের করা খুব কঠিন। তবু সময় বের করে
স্মিথদের নিয়ে কাজ করতে পারলে যে ভালোই লাগবে, সেটি সরাসরিই বলে দিলেন
পন্টিং, ‘ডেভিড (ওয়ার্নার), স্টিভেন (স্মিথ) কিংবা দলে যারা আরও তরুণ
খেলোয়াড় আছে, উসমান (খাজা), জো (বার্নস)—এদের নিয়ে কাজ করতে পারলে আমার
ভালো লাগবে।’ পন্টিংয়ের মতো একজনকে দলের পরামর্শক বা কোচিং স্টাফ হিসেবে
পেলে হয়তো দারুণ হবে অস্ট্রেলিয়ার জন্যও। তবে ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও
ব্যস্ততাই পন্টিংয়ের কাছে বড় বাধা, ‘আমি তো মনে করি, ওদের নিয়ে কাজ করাটা
খুবই আনন্দদায়ক হবে। কিন্তু আমি বিগ ব্যাশে ধারাভাষ্য দিই। বছরে মাস দুয়েক
আমাকে ব্যস্ত থাকতে হয় মুম্বাই ইন্ডিয়ানসকে নিয়ে। এর বাইরে যা সময় পাই সেটা
দিতে হয় পরিবারকে।’ মাঝে একবার ২০১৯ বিশ্বকাপের পর অস্ট্রেলিয়া দলের সঙ্গে
যুক্ত হওয়ার ইচ্ছে জেগেছিল। এখনো সেই ইচ্ছেটা কি আছে? পন্টিং না করছেন
না, ‘সত্যি বলতে এত দূর পর্যন্ত ভাবিনি। তবে যদি ওই সময়ের কথা বলি, তখন
আমার মেয়েরা একটু বড় হয়ে যাবে। আমারও হয়তো তখন আর বাড়িতে জায়গা হবে না
(হাসি)। আর এই সময়ের মধ্যে যদি আমি কোচ হিসেবে আরও পরিণত হতে পারি, যদি মনে
করি খেলোয়াড়দের সাহায্য করতে পারছি, তাহলে তো সেই পথে একটু এগিয়ে গেলাম।’ তার মানে তো ভবিষ্যতে অস্ট্রেলিয়ার কোচ হিসেবে পন্টিংকে দেখা যেতেই পারে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া ওয়েবসাইট।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment