![]() |
| এ যাত্রা না হলেও ম্যাটস হামেলসের হেডেই পরে লিভারপুলের সঙ্গে ম্যাচে সমতা ফেরায় বরুসিয়া ডর্টমুন্ড |
দৃশ্যটা একবার কল্পনা করুন তো, সিগনাল
ইদুনা পার্কের হাজার হাজার দর্শক চিৎকার করে গাইছে ‘ইউ উইল নেভার ওয়াক
অ্যালোন’। ডর্টমুন্ড সমর্থকেরাও লিভারপুলের সমর্থকদের গলা মিলিয়ে গাইছেন।
ইয়ুর্গেন ক্লপ পুরোনো ঠিকানায় ফিরে এর চেয়ে বেশি আর কী চাইতে পারতেন?
গত পরশু ইউরোপা লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে যেটা পেতে পারতেন, সেটাও ক্লপ অনেকটাই পেয়ে গেছেন। ডর্টমুন্ডের মাঠ থেকে ১-১ গোলে ম্যাচ ড্র করে ফিরবে, ম্যাচ শুরুর আগে এ কথা বললে নিশ্চয়ই ক্লপ লুফে নিতেন। এ বছর ১৬ ম্যাচের একটিতেও হারেনি ডর্টমুন্ড, বুন্দেসলিগার শিরোপাস্বপ্ন এখনো বেঁচে আছে। তাদের মাঠ থেকে মহামূল্যবান ‘অ্যাওয়ে’ গোল নিয়ে ফেরা তো দারুণ! কিন্তু তারপরও ক্লপের আফসোস থেকে যাচ্ছে। ম্যাচটা লিভারপুল জিতেও যেতে পারত। প্রথমার্ধে ডিভক অরিগির গোলে এগিয়ে গিয়েছিল লিভারপুল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ডর্টমুন্ডের হয়ে সমতা ফেরান ম্যাট হামেলস। তার আগেই অরিগির গোলে আবার এগিয়ে যেত পারত লিভারপুল, কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ান রোমান ভাইডেনফেলার। গোটা দুয়েক দুর্দান্ত সেভ করে জালে আর বল ঢুকতে দেননি ডর্টমুন্ড গোলরক্ষক। পরে সেটি নিয়েই ক্লপের একটু আক্ষেপ, ‘ডর্টমুন্ড দলটা খুবই ভালো। কিন্তু সবাই দেখেছে আমরা বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছি। ম্যাচটা আমরাও জিততে পারতাম। অনেকেই ভেবেছিল আমরা দুই, তিন বা চার গোলে হারব।’ ইউরোপা লিগের অন্য কোয়ার্টার ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন সেভিয়া ২-১ গোলে হারিয়েছে অ্যাথলেটিক বিলবাওকে। অন্য দুই ম্যাচে ভিয়ারিয়াল হারিয়েছে স্পার্তা প্রাগকে, আর শাখতার হারিয়েছে ব্রাগাকে। সবগুলো জয়ই ২-১ ব্যবধানে। রয়টার্স।
এক নজরে
ডর্টমুন্ড ১ : ১ লিভারপুল
বিলবাও ১ : ২ সেভিয়া
ভিয়ারিয়াল ২ : ১ স্পার্তা প্রাগ
ব্রাগা ১ : ২ শাখতার
* প্রথমে স্বাগতিক দল
গত পরশু ইউরোপা লিগের কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে যেটা পেতে পারতেন, সেটাও ক্লপ অনেকটাই পেয়ে গেছেন। ডর্টমুন্ডের মাঠ থেকে ১-১ গোলে ম্যাচ ড্র করে ফিরবে, ম্যাচ শুরুর আগে এ কথা বললে নিশ্চয়ই ক্লপ লুফে নিতেন। এ বছর ১৬ ম্যাচের একটিতেও হারেনি ডর্টমুন্ড, বুন্দেসলিগার শিরোপাস্বপ্ন এখনো বেঁচে আছে। তাদের মাঠ থেকে মহামূল্যবান ‘অ্যাওয়ে’ গোল নিয়ে ফেরা তো দারুণ! কিন্তু তারপরও ক্লপের আফসোস থেকে যাচ্ছে। ম্যাচটা লিভারপুল জিতেও যেতে পারত। প্রথমার্ধে ডিভক অরিগির গোলে এগিয়ে গিয়েছিল লিভারপুল। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে ডর্টমুন্ডের হয়ে সমতা ফেরান ম্যাট হামেলস। তার আগেই অরিগির গোলে আবার এগিয়ে যেত পারত লিভারপুল, কিন্তু বাধা হয়ে দাঁড়ান রোমান ভাইডেনফেলার। গোটা দুয়েক দুর্দান্ত সেভ করে জালে আর বল ঢুকতে দেননি ডর্টমুন্ড গোলরক্ষক। পরে সেটি নিয়েই ক্লপের একটু আক্ষেপ, ‘ডর্টমুন্ড দলটা খুবই ভালো। কিন্তু সবাই দেখেছে আমরা বেশ কিছু সুযোগ পেয়েছি। ম্যাচটা আমরাও জিততে পারতাম। অনেকেই ভেবেছিল আমরা দুই, তিন বা চার গোলে হারব।’ ইউরোপা লিগের অন্য কোয়ার্টার ফাইনালে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন সেভিয়া ২-১ গোলে হারিয়েছে অ্যাথলেটিক বিলবাওকে। অন্য দুই ম্যাচে ভিয়ারিয়াল হারিয়েছে স্পার্তা প্রাগকে, আর শাখতার হারিয়েছে ব্রাগাকে। সবগুলো জয়ই ২-১ ব্যবধানে। রয়টার্স।
এক নজরে
ডর্টমুন্ড ১ : ১ লিভারপুল
বিলবাও ১ : ২ সেভিয়া
ভিয়ারিয়াল ২ : ১ স্পার্তা প্রাগ
ব্রাগা ১ : ২ শাখতার
* প্রথমে স্বাগতিক দল

No comments:
Post a Comment