![]() |
| সুয়ারেজ |
একসময়
দুজন সতীর্থ ছিলেন, ছিলেন বন্ধুও। সবচেয়ে বড় কথা, ড্যানিয়েল ফনসেকা বেশ
কিছুদিন লুইস সুয়ারেজের এজেন্ট হিসেবেও কাজ করেছেন। কিন্তু সম্পর্কটা এখন
এমনই নষ্ট হয়েছে যে সুয়ারেজের মানসিক সুস্থতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দিলেন
ফনসেকা। তাঁর দাবি, সুয়ারেজের এখন মনোরোগ চিকিৎসকের কাছে যাওয়া উচিত।
কিন্তু ফনসেকা হঠাৎ এ কথা বললেন কেন? মন-কষাকষি চলছিল বেশ কিছুদিন ধরেই।
কয়েক দিন আগে সুয়ারেজ দাবি করেন, ২০০৬ সালে যখন উরুগুয়ের ক্লাব ন্যাসিওনাল
থেকে হল্যান্ডের গ্রনিনগেনে পাড়ি জমান, ফনসেকার কাছ থেকে তিনি ২ লাখ ডলার
পেতেন। ওই সময়টাতেই সুয়ারেজের এজেন্ট ছিলেন ফনসেকা। ওই অভিযোগ শুনে ভীষণ
খেপেছেন ফনসেকা। সাবেক এই উরুগুইয়ান ফুটবলারের কথা থেকেই তা অনুমান করা
যায়, ‘সে মিথ্যা বলছে। সে আসলে মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত বাচ্চাদের মতো, এটা
আমরা সবাই জানি।’ বিশ্বকাপে কিয়েলিনিকে কামড়ে দেওয়ার পর মনোবিদের কাছে
যেতে হয়েছিল সুয়ারেজকে। ফনসেকা সেটিও মনে করিয়ে দিয়েছেন, ‘সে এখনো মনোবিদের
কাছে যাচ্ছে, কিন্তু কোনো সুফল তো দেখা যাচ্ছে না। তার অন্য কোনো মনোবিদের
কাছে যাওয়া উচিত, অথবা কোনো মনোরোগ চিকিৎসককে দেখানো উচিত।’ দুজনের
ঝামেলাটা আসলে কী নিয়ে, তা বড় এক প্রশ্নই। ফনসেকার দাবি, এটা আসলে
টাকাপয়সা-সংক্রান্ত নয়, অন্য কিছু আছে এর পেছনে। তাঁর কথা, ‘একদিন আমার তিন
বন্ধু আমার সঙ্গে দেখা করতে আসে। ওরা সুয়ারেজকে নিয়ে এমন কিছু বলেছিল, যা
একদিন জানাজানি হলে অনেকেই অস্বস্তিতে পড়ে যেতে পারে। সুয়ারেজ ওই সত্যিটা
কখনোই মেনে নেয়নি। সাহস থাকলে ও সত্যিটা বলুক। সেটি নেই বলেই ও গত ছয় বছর
মুখ খোলেনি।’ ২ লাখ ডলার পাওয়ার ব্যাপারটাও উড়িয়ে দিয়েছেন ফনসেকা, ‘আমি
আমার কোনো বন্ধুর কাছ থেকে কখনোই মিথ্যা কিছু শুনতে চাই না। আমি চাই, সে
সত্যিটা বলুক। ও আমার কাছ থেকে ২ লাখ ডলার পায় এমন কথা সে কীভাবে বলে?
বদমাশ একটা!’

No comments:
Post a Comment