![]() |
| ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে গতকাল রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা |
সাংবাদিক
শফিক রেহমান ও মাহমুদুর রহমানকে গ্রেপ্তারে সমালোচনাকারীদের তীব্র
সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেছেন, ‘অপহরণ ও হত্যার
মতো একটি জঘন্য অপরাধের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে যখন এদের গ্রেপ্তার করা হয়
তখন কীভাবে মানবাধিকারের প্রশ্ন তোলা হয়?’
শেখ হাসিনা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই তাদের তদন্তে এই চক্রান্তকারীদের নাম পেয়েছে। তিনি এই দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তারের জন্য তাঁর সরকারকে অভিযুক্ত করার পরিবর্তে এফবিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে গতকাল সোমবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে কয়েকজন বিএনপি নেতার জড়িত থাকার ব্যাপারে এফবিআই রিপোর্টের উল্লেখ করে বলেন, বিএনপি নেতারা তাঁদের শাসনামলে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছেন এবং এসব অর্থ দিয়ে এখন তাঁরা আওয়ামী লীগের ক্ষতি করার জন্য এফবিআই কর্মকর্তাদের ভাড়া করছেন। দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তারের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন ‘আমি জানি না তারা কী ধরনের সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন। তাঁরা গ্রেপ্তারের সমালোচনা করেছেন, কিন্তু এফবিআই এঁদের মুখোশ উন্মোচন করা সত্ত্বেও এসব সাংবাদিকের এত বড় চক্রান্ত সম্পর্কে তাঁরা কিছুই বলেননি।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি বিদেশি রাষ্ট্রে ও আদালতে এ ধরনের চক্রান্তে তাঁদের নাম আসার পর এসব অভিযুক্ত ব্যক্তিদের লজ্জা পাওয়া উচিত। এঁদের আইনের আওতায় আনায় সরকারের সমালোচনার পরিবর্তে চক্রান্তকারীদের নিন্দা করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি তাঁরা চক্রান্তকারীদের চক্রান্তকারী হিসেবে বিবেচনা করতে রাজি নন। তাঁরা এ ভয়ংকর চক্রান্তের জন্য তাঁদের বিচারেরও পক্ষপাতি নন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, অপরাধীকে ধরায় এখন যেমন সমালোচনা হচ্ছে ঠিক একই কাজ হয়েছিল ১৯৭৫ সালে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে খুনিদের বিচারের পথ রুদ্ধ করা হয়। সেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের পর ২১ বছর আমরা ভোগান্তির শিকার হয়েছি। এখনো তারা আমাদের সমালোচনা করছে। আমাদের বিরুদ্ধে জঘন্য চক্রান্তের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের পর মানবাধিকারের কথা বলা হচ্ছে।
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনি ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা ১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ষড়যন্ত্র করেছিল এবং তারা ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তাতে সফল হয়েছিল। তারা কখনো চায় না বাংলাদেশ এগিয়ে যাক।
২০০১ সালের নির্বাচনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো পরিবারই তাদের নির্যাতন ও হুমকি-ধমকি থেকে রক্ষা পায়নি। তারা দেশে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণ তাদের হিংসার শিকার হয়েছিল। সাবেক অর্থমন্ত্রী এসএএমএস কিবরিয়া, আহসানউল্লাহ মাস্টার ও আইভি রহমান তাদের সবচেয়ে জঘন্য নৃশংসতার শিকার।
আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ, সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম ও মতিয়া চৌধুরী, দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহারা খাতুনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন।
শেখ হাসিনা আরও বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের এফবিআই তাদের তদন্তে এই চক্রান্তকারীদের নাম পেয়েছে। তিনি এই দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তারের জন্য তাঁর সরকারকে অভিযুক্ত করার পরিবর্তে এফবিআইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করার পরামর্শ দেন। ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবস উপলক্ষে গতকাল সোমবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে আওয়ামী লীগ আয়োজিত আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়কে অপহরণ ও হত্যাচেষ্টার ষড়যন্ত্রের সঙ্গে কয়েকজন বিএনপি নেতার জড়িত থাকার ব্যাপারে এফবিআই রিপোর্টের উল্লেখ করে বলেন, বিএনপি নেতারা তাঁদের শাসনামলে বিদেশে কোটি কোটি টাকা পাচার করেছেন এবং এসব অর্থ দিয়ে এখন তাঁরা আওয়ামী লীগের ক্ষতি করার জন্য এফবিআই কর্মকর্তাদের ভাড়া করছেন। দুই সাংবাদিককে গ্রেপ্তারের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন ‘আমি জানি না তারা কী ধরনের সাংবাদিকতা ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাস করেন। তাঁরা গ্রেপ্তারের সমালোচনা করেছেন, কিন্তু এফবিআই এঁদের মুখোশ উন্মোচন করা সত্ত্বেও এসব সাংবাদিকের এত বড় চক্রান্ত সম্পর্কে তাঁরা কিছুই বলেননি।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি বিদেশি রাষ্ট্রে ও আদালতে এ ধরনের চক্রান্তে তাঁদের নাম আসার পর এসব অভিযুক্ত ব্যক্তিদের লজ্জা পাওয়া উচিত। এঁদের আইনের আওতায় আনায় সরকারের সমালোচনার পরিবর্তে চক্রান্তকারীদের নিন্দা করা উচিত ছিল। তিনি আরও বলেন, ‘আমি মনে করি তাঁরা চক্রান্তকারীদের চক্রান্তকারী হিসেবে বিবেচনা করতে রাজি নন। তাঁরা এ ভয়ংকর চক্রান্তের জন্য তাঁদের বিচারেরও পক্ষপাতি নন।’ প্রধানমন্ত্রী বলেন, অপরাধীকে ধরায় এখন যেমন সমালোচনা হচ্ছে ঠিক একই কাজ হয়েছিল ১৯৭৫ সালে। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে খুনিদের বিচারের পথ রুদ্ধ করা হয়। সেই মানবাধিকার লঙ্ঘনের পর ২১ বছর আমরা ভোগান্তির শিকার হয়েছি। এখনো তারা আমাদের সমালোচনা করছে। আমাদের বিরুদ্ধে জঘন্য চক্রান্তের সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের পর মানবাধিকারের কথা বলা হচ্ছে।
শেখ হাসিনা বলেন, বঙ্গবন্ধুর খুনি ও মুক্তিযুদ্ধবিরোধীরা ১৯৭৫ সালে আওয়ামী লীগকে ক্ষমতা থেকে সরানোর ষড়যন্ত্র করেছিল এবং তারা ১৯৯৬ সাল পর্যন্ত তাতে সফল হয়েছিল। তারা কখনো চায় না বাংলাদেশ এগিয়ে যাক।
২০০১ সালের নির্বাচনের পর রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো পরিবারই তাদের নির্যাতন ও হুমকি-ধমকি থেকে রক্ষা পায়নি। তারা দেশে জঙ্গিবাদ ও সন্ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করেছিল। আওয়ামী লীগকে ভোট দেওয়ার জন্য জনগণ তাদের হিংসার শিকার হয়েছিল। সাবেক অর্থমন্ত্রী এসএএমএস কিবরিয়া, আহসানউল্লাহ মাস্টার ও আইভি রহমান তাদের সবচেয়ে জঘন্য নৃশংসতার শিকার।
আলোচনা সভায় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু ও তোফায়েল আহমেদ, সিনিয়র প্রেসিডিয়াম সদস্য মোহাম্মদ নাসিম ও মতিয়া চৌধুরী, দলের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, প্রেসিডিয়াম সদস্য সাহারা খাতুনসহ কেন্দ্রীয় নেতারা অংশ নেন।

No comments:
Post a Comment