 |
| নওয়াববাড়িতে ঢুকতেই চোখে পড়বে দুই প্রহরী। |
পাকিস্তানের
সাবেক প্রধানমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর স্মৃতিবিজড়িত প্রাচীন
ঐতিহ্যের সাক্ষী ‘নওয়াববাড়ি’ (নওয়াব প্যালেস) বিক্রি হয়ে গেছে।
 |
| মোহাম্মদ আলী প্যালেস মিউজিয়াম অ্যান্ড পার্কের প্রধান ফটক। |
অভিযোগ উঠেছে, দাম কম দেখিয়ে নওয়াব পরিবারের দুই উত্তরসূরির কাছ থেকে
স্বল্পমূল্যে এটি কিনেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির ছেলেসহ শহরের তিন
ব্যবসায়ী।
 |
| সাজানো আছে পালকি। |
বাড়িটি প্রত্নসম্পদ হিসেবে ঘোষণার কাজ করছিল সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। এর
মধ্যে বিক্রি হওয়ায় শহরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা প্রশ্ন
তুলেছেন, বগুড়ার এই ঐতিহ্য কি তবে হারিয়ে যাবে?
 |
| পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর ছবি। |
ঢাকায় নওয়াবের দুই পুত্র সৈয়দ হামদে আলী ও সৈয়দ হাম্মাদ আলীর কাছ থেকে নওয়াব প্যালেসের ১ একর ৫৫ শতাংশ সম্পত্তি কিনে নেওয়া হয়।
 |
| বের হতেও দেখা মেলে দুই প্রহরীর। |
বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিনের ছেলে এবং জেলা শিল্প ও
বণিক সমিতির সভাপতি মাসুদুর রহমান, সমিতির সহসভাপতি ও হাসান গ্রুপের
কর্ণধার শফিকুল হাসান
 |
| এভাবেই হয়তো সে সময় খাবার ঘরে বসা হতো। |
এবং সাবেক সহসভাপতি ও শাহ সুলতান গ্রুপের কর্ণধার আবদুল গফুর এই সম্পত্তির ক্রেতা। পেশাজীবীরা বলছেন, শহরের সার্কিট হাউসসংলগ্ন
 |
| খাজনা আদায় কক্ষ। |
ওই এলাকায় প্রতি শতাংশ সম্পত্তির বাজারমূল্য গড়ে কোটি টাকা। সেই হিসাবে নওয়াব প্যালেসের বাজারমূল্য কমপক্ষে
 |
| রয়েছে গরুর গাড়িও। |
১৫০ কোটি টাকা। অথচ মাত্র ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকায় বিক্রি দেখিয়ে মোটা অঙ্কের রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা ঘটেছে।
 |
| ঢোকার পথ। |
 |
| জলসাঘর। |
 |
| এভাবেই দড়ি দিয়ে টেনে চলত পাখা। |
No comments:
Post a Comment