Tuesday, April 19, 2016

বিক্রি হয়ে গেছে নওয়াববাড়ি by সোয়েল রানা

নওয়াববাড়িতে ঢুকতেই চোখে পড়বে দুই প্রহরী।
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর স্মৃতিবিজড়িত প্রাচীন ঐতিহ্যের সাক্ষী ‘নওয়াববাড়ি’ (নওয়াব প্যালেস) বিক্রি হয়ে গেছে।
মোহাম্মদ আলী প্যালেস মিউজিয়াম অ্যান্ড পার্কের প্রধান ফটক।
অভিযোগ উঠেছে, দাম কম দেখিয়ে নওয়াব পরিবারের দুই উত্তরসূরির কাছ থেকে স্বল্পমূল্যে এটি কিনেছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতির ছেলেসহ শহরের তিন ব্যবসায়ী।
সাজানো আছে পালকি।
বাড়িটি প্রত্নসম্পদ হিসেবে ঘোষণার কাজ করছিল সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে বিক্রি হওয়ায় শহরবাসীর মধ্যে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, বগুড়ার এই ঐতিহ্য কি তবে হারিয়ে যাবে?
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী সৈয়দ মোহাম্মদ আলী চৌধুরীর ছবি।
ঢাকায় নওয়াবের দুই পুত্র সৈয়দ হামদে আলী ও সৈয়দ হাম্মাদ আলীর কাছ থেকে নওয়াব প্যালেসের ১ একর ৫৫ শতাংশ সম্পত্তি কিনে নেওয়া হয়।
বের হতেও দেখা মেলে দুই প্রহরীর।
বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মমতাজ উদ্দিনের ছেলে এবং জেলা শিল্প ও বণিক সমিতির সভাপতি মাসুদুর রহমান, সমিতির সহসভাপতি ও হাসান গ্রুপের কর্ণধার শফিকুল হাসান
এভাবেই হয়তো সে সময় খাবার ঘরে বসা হতো।
এবং সাবেক সহসভাপতি ও শাহ সুলতান গ্রুপের কর্ণধার আবদুল গফুর এই সম্পত্তির ক্রেতা। পেশাজীবীরা বলছেন, শহরের সার্কিট হাউসসংলগ্ন
খাজনা আদায় কক্ষ।
ওই এলাকায় প্রতি শতাংশ সম্পত্তির বাজারমূল্য গড়ে কোটি টাকা। সেই হিসাবে নওয়াব প্যালেসের বাজারমূল্য কমপক্ষে
রয়েছে গরুর গাড়িও।
১৫০ কোটি টাকা। অথচ মাত্র ২৭ কোটি ৬০ লাখ টাকায় বিক্রি দেখিয়ে মোটা অঙ্কের রাজস্ব ফাঁকির ঘটনা ঘটেছে।
ঢোকার পথ।
জলসাঘর।

এভাবেই দড়ি দিয়ে টেনে চলত পাখা।

No comments:

Post a Comment