![]() |
| ফিকরুকে ঘিরে সতীর্থদের উল্লাস |
অন্য
আট-দশজন বিদেশির ভিড়ে তিনি যে একটু ব্যতিক্রম, তা প্রথম ম্যাচেই
বুঝিয়েছিলেন। বাংলাদেশের ঘরোয়া ফুটবলে অভিষেকেই গোল করে দলকে জিতিয়েছেন
ফিকরু তেফেরা। ইথিওপিয়ান এই ফরোয়ার্ড আজ পেয়েছেন হ্যাটট্রিক। বঙ্গবন্ধু
স্টেডিয়ামে ফিকরু–ঝলকে শেখ রাসেল ক্রীড়াচক্র ৩-২ গোলে হারিয়েছে
বিজেএমসিকে। স্বাধীনতা কাপে এটি শেখ রাসেলের টানা দ্বিতীয় জয়। সনি নর্দের
পর শেখ রাসেলে খেলতে আসা ফিকরু যেন পাদপ্রদীপের আলো কেড়ে নেওয়ার
অপেক্ষায়। ম্যাচের ৫ মিনিটেই প্রথমে গোল করে এগিয়ে যায় শেখ রাসেল।
পেনাল্টি থেকে প্রথম গোলটি করেন ফিকরু। কিন্তু এই অগ্রগামিতা খুব বেশিক্ষণ
ধরে রাখতে পারেনি শেখ রাসেল। ৮ মিনিটে বক্সের মধ্যের জটলা থেকে সমতায়
ফেরান বিজেএমসির নাইজেরিয়ার ফরোয়ার্ড এলিটা কিংসলে। ৫৫ মিনিটে রাজনের
ক্রস থেকে ফিকরু অসাধারণ হেডে ম্যাচের স্কোর লাইন ২-১ করেন। ৫৭ মিনিটে
রুম্মনকে অবৈধভাবে ফেলে দিয়ে লালকার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে হয়েছে বিজেএমসির
ক্যামেরুনিয়ান ডিফেন্ডার বেইবেককে। এই লালকার্ডের প্রতিবাদে রেফারির সঙ্গে
তর্কে জড়িয়ে পড়েন বিজেএমসির ফুটবলাররা। আহত রুম্মনকে সঙ্গে সঙ্গে
অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ১০ জনের দল হয়ে যেন
আরও বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে ওঠে বিজেএমসি। কিন্তু ৭৮ মিনিটে বিজেএমসিকে
ম্যাচ থেকে ছিটকে দিয়েছেন ফিকরু, এই মৌসুমে নিজের প্রথম হ্যাটট্রিক পূর্ণ
করেন। এর আগে গতকাল শেখ জামালের ফরোয়ার্ড ওয়েডসন করেন মৌসুমের প্রথম
হ্যাটট্রিক। ফিকরুর শট বিজেএমসির গোলরক্ষক হিমেল প্রথমে ফিরিয়ে দেন।
কিন্তু ফিরতি বল বিজেএমসির এক ডিফেন্ডারের কাছ থেকে কেড়ে নিয়ে গড়ানো শটে
৩-১ করেন ফিকরু। ৮০ মিনিটে অবশ্য ফিকরুকে তুলে নেন কোচ মারুফুল হক। এরপরই
বিজেএমসির আরেকটি চমৎকার আক্রমণ। জায়গা ছেড়ে বেরিয়ে আসা শেখ রাসেলের
গোলরক্ষক রাসেল মাহমুদ লিটনকে ফাঁকি দিয়ে স্যামসান ইলিয়াসু স্কোর ৩-২
করেন।

No comments:
Post a Comment