![]() |
| বুফন অবিশ্বাস্য কিছু সেভ করেছেন বলেই শেষ পর্যন্ত পরশু হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছে জুভেন্টাস |
ম্যাচে
গোল হলো তিনটি, পিছিয়ে পড়া জুভেন্টাসের জয়ের নায়ক হিসেবে পল পগবার
নামই বলা হবে। কিন্তু গত পরশু এসি মিলানের সঙ্গে জুভদের ২-১ গোলের জয়ের
আসল নায়ক পগবা নন, দুই দলের তিন গোলদাতার কেউই নন। বরং ম্যাচের সেরা ছিলেন
আসলে জিয়ানলুইজি বুফন। ৩৮ বছর বয়সী এই গোলরক্ষক অবিশ্বাস্য কিছু সেভ
করেছেন বলেই শেষ পর্যন্ত হাসি নিয়ে মাঠ ছাড়তে পেরেছে জুভেন্টাস।
ক্যারিয়ারজুড়ে কতশত বারই তো দলকে এভাবে বাঁচিয়েছেন ‘জিজি’ বুফন। সান
সিরোতে এদিন আবারও দেখালেন নিজের ‘সুপারম্যানসুলভ’ ক্ষমতা। কী অসাধারণ
দক্ষতা, কী অবিশ্বাস্য ক্ষিপ্রতা! বালোতেল্লি-হোন্ডা-বাক্কাদের বারবার
এমনভাবে হতাশ করছিলেন যে অবিশ্বাস জাগাচ্ছিল, ইতালিয়ান গোলরক্ষকের বয়স
আসলেই ৩৮ তো! ১৮ মিনিটে শুধু অ্যালেক্সের হেডটাই তাঁর গ্লাভস ফাঁকি দিয়ে
জালে যায়। ওই শেষ, এরপর মিলান আরও অনেক চেষ্টা করেছে, কিন্তু বুফনকে আর
হার মানাতে পারেনি না। দ্বিতীয়ার্ধে পগবার জয়সূচক গোলের আগে ২৭ মিনিটে
মারিও মান্দজুকিচের গোলে জয় নিয়ে মাঠ ছেড়েছে জুভেন্টাস, কিন্তু জয়টা তো
পুরোই বুফনময়। ম্যাচের পর দুই কোচের প্রশংসাও পেয়েছেন ইতালিয়ান
গোলরক্ষক। জুভ কোচ মাসিমিলিয়ানো অ্যালেগ্রির কণ্ঠে উচ্ছ্বাস, ‘জিয়ানলুইজি
বুফনের সেভগুলো? অবিশ্বাস্য!’ মিলান কোচ সিনিসা মিহাইলোভিচও করেছেন
প্রশংসা, ‘হারের পর কোনো মন্তব্য করা কঠিন। আমার খেলোয়াড়দের দোষ দিতে
পারছি না। বুফনই যত পার্থক্য গড়ে দিল।’ পার্থক্য গড়ল জুভেন্টাস শিরোপা
লড়াইয়েও। লিগে বাকি আর ৬ ম্যাচ, দ্বিতীয় স্থানে থাকা নাপোলির চেয়ে
তুরিনের ক্লাবটি এগিয়ে থাকল ৪ পয়েন্টে।

No comments:
Post a Comment