রানা
প্লাজা ধসের তিন বছর পার হলেও এখন পর্যন্ত মানসিক সমস্যায় ভুগছেন জীবিত
শ্রমিকদের ৫৯ শতাংশ। ওই দুর্ঘটনায় বেঁচে যাওয়াদের মধ্যে মানসিকভাবে
পুরোপুরি সুস্থ হতে পেরেছেন মাত্র ৪.৩ ভাগ শ্রমিক। আর দুর্ঘটনার শিকার
অর্ধেক শ্রমিক এখনও বেকার। গতকাল রাজধানীর ব্র্যাক ইন সেন্টারে বেসরকারি
উন্নয়ন সংস্থা অ্যাকশনএইডের এক গবেষণা প্রতিবেদনে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়েছে।
‘রানা প্লাজা ধসের তিন বছর: পোশাক শিল্পের অগ্রগতি’ শীর্ষক প্রতিবেদন
প্রকাশ করে অ্যাকশনএইড। অন্যদিকে এযাবৎ যত উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে তার একটি
প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দাঁড় করাতে আহ্বান জানিয়েছেন বক্তারা।
অ্যাকশনএইডের এ দেশের পরিচালক ফারাহ কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক সৈয়দ আহম্মদ, বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডি’র অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, মানবাধিকার কর্মী ফাহমিদা হোসেন প্রমুখ। বেসরকারি সংস্থাটি রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় আহত ১,৩০০ জন শ্রমিকের সঙ্গে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে এ জরিপ চালায়। নিহত শ্রমিকদের পরিবারের ৫০০ জন সদস্যের সঙ্গেও তারা কথা বলেছে।
অনুষ্ঠানে দুজন আহত শ্রমিক গত তিন বছরে তাদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। এদের একজন নাজমা আক্তার। তিনি বলেন, আমি তিন ধাপে টাকা পেয়েছি। প্রথমে ৫০ হাজার পরে ৩৫ হাজার এবং শেষে ৬০ হাজার। তবে এই টাকা বেশি কাজে লাগাতে পারিনি। এখনও আমার মাথায় সমস্যা। চিকিৎসা এখনও শেষ করতে পারি নাই।
আরেকজন রফিক খান বলেন, আমি এখনও ঠিকমত হাঁটতে পারি না। বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা পেয়েছি। তবে এখনও ভালো হতে পারিনি। আবার চিকিৎসা নিতে হচ্ছে নিজের টাকায়। এখন আর গার্মেন্টে কাজ করতে চাই না। প্রথম প্রথম অনেকেই যোগাযোগ করতো। এখন কারো সঙ্গে যোগাযোগ নাই। আর যে টাকা পেয়েছি। সেটা বেশি কাজে লাগাতে পারি নাই।
মুক্ত আলোচনায় কোন মানদণ্ডে কে, কী পরিমাণ ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আলোচকরা।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারপারসন হামিদা হোসেন বলেন, শ্রমিকরা যা পেয়েছে তাকে আসলে ক্ষতিপূরণ বলা যাবে না। এটা আর্থিক সহযোগিতা। রানা প্লাজা ধসের পর প্রথমে ‘রানা প্লাজা নামে’ তহবিল গঠন করা হয়। কিন্তু পরে সেটা ‘প্রধানমন্ত্রী তহবিল’ হিসেবে চালানো হয়। এই তহবিল থেকে কে কত টাকা পেয়েছে। আর কত টাকা আছে তা পরিষ্কার করা দরকার বলে মনে করেন তিনি। শ্রমিকরা যে শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় পড়েছেন তাতে তাদের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা জরুরি। শ্রমিকদের উন্নয়নে নানা কাজ করা হচ্ছে তবে তার সমন্বিত কোনো উদ্যোগ নেই।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, শ্রমিকদের জন্য যে সহায়তা দেয়া হয়েছে সেটা পূর্ণাঙ্গ নয়। তাদের কর্মসংস্থান, পুনর্বাসনের জন্য যা করা হয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। শ্রমিকরা এখন দেশের বিভিন্ন জায়গায় শারীরিক ও মানসিক সমস্যা নিয়ে আছেন। তার মতে, আগামীতে সবচেয়ে যে ঝুঁকি দেখা দেবে সেটা হলো স্বাস্থ্য ঝুঁকি। শ্রমিকদের যে আর্থিক সহযোগিতা ভেঙে ভেঙে দেয়া হয়েছে। এই টাকা তারা কাজে লাগাতে পারেনি। তিনি বলেন, অনেক উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। তবে সমন্বিত কোনো উদ্যোগ নেই। এখন সময় এসেছে যেসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি করার।
অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, তিন বছর পার হয়ে গেল। এখন পর্যন্ত শ্রমিকদের যা দেয়া হয়েছে সেটা আর্থিক সহযোগিতা, ক্ষতিপূরণ নয়।
কারখানা পরিদর্শন ও প্রতিস্থাপন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক সাঈদ আহমেদ বলেন, রানা প্লাজার পর সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। একটি ডিপার্টমেন্ট তৈরি করা হয়েছে। যার সবচাইতে বড় অর্জন কারখানার বড় একটি ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। যেখানে ৪৮০৮টি ফ্যাক্টরির তথ্য দেয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও’র কর্মসূচি ব্যবস্থাপক টিউমো পটিআইনেন বলেন, শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও গার্মেন্ট সেক্টরের উন্নতির জন্য প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নিতে হবে। দেখা গেল সরকার, মালিক, ক্রেতারা নানা দিক দিয়ে উদ্যোগ নিচ্ছেন যার আইনি বা প্রতিষ্ঠানিক কোনো ভিত্তি নাই। শ্রমিকদের স্বাধীনভাবে ট্রেড ইউনিয়ন করতে দিতে হবে।
উত্তর আমেরিকার ক্রেতা জোট অ্যালায়েন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেছবা রবিন বলেন, বাংলাদেশের পোশাক খাতে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ। এখনও সাব কন্ট্রাক্টিংয়ের জন্য কোনো নীতিমালা নেই। তিনি বলেন, ইউরোপের ক্রেতা জোট অ্যাকর্ড ও আমরা ১১ই জুলাই ২০১৮ পর্যন্ত কাজ করবো। তারপর কি হবে?’ কারণ কারখানার নিরাপত্তা ও উন্নয়ন একটি কারিগরি বিষয়।
প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের ম্যানেজার নুজহাত জেবিন। তিনি পোশাক খাতের উন্নতিতে কিছু সুপারিশ করেন। এর মধ্যে একটি জাতীয় ক্ষতিপূরণ কাঠামো করা; নিয়মিত কারখানা পরিদর্শন ও এ সংক্রান্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা; কারখানায় স্বাধীনভাবে সংগঠন করার অধিকার নিশ্চিত করা; শ্রম আইনের দুর্বল দিকগুলো সংশোধন করা।
জরিপে উঠে এসেছে, আহত শ্রমিকদের শারীরিক অবস্থা ভালোর দিকে যাচ্ছে, কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে এখনও কিছু জটিলতা আছে। ৫৮.৪ শতাংশ শ্রমিক দীর্ঘমেয়াদি মানসিক সমস্যায় ভুগছেন এবং ৩৭.৩ শতাংশ আহত শ্রমিকের অবস্থা ভালোর দিকে যাচ্ছে। ৪.৩ শতাংশ শ্রমিক পুরোপুরি ভালো হয়ে গেছেন। জরিপের তথ্য অনুযায়ী, আহত শ্রমিকদের শতকরা ৫২ জন চাকরি বা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। ৪৮ শতাংশ এখনও বেকার। গত বছর এ বেকারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৫৫ শতাংশ।
গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, বেঁচে থাকা শ্রমিকদের প্রায় ৭৯ শতাংশ নিজে ব্যবসা করতে চান। মাত্র ৫ ভাগ শ্রমিক পোশাক শিল্পে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছেন। অর্থাৎ এখনও অধিকাংশ শ্রমিকের মধ্যে কারখানায় কাজ করার ভীতি আছে। গবেষণায় দেখা গেছে, এখন ওই শ্রমিকরা যে আয় করেন তার ৬১ ভাগ চলে যায় খাবারে। আয়ের প্রায় ১৬ ভাগ যাচ্ছে ঘর ভাড়ায়। তারা মাত্র ৮ ভাগ টাকা খরচ করতে পারেন চিকিৎসার ক্ষেত্রে। তবে এই ক্ষেত্রে টাকাটা বেশি দরকার ছিল আবার কাজে ফিরতে।
অ্যাকশনএইডের এ দেশের পরিচালক ফারাহ কবিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক সৈয়দ আহম্মদ, বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সিপিডি’র অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম, মানবাধিকার কর্মী ফাহমিদা হোসেন প্রমুখ। বেসরকারি সংস্থাটি রানা প্লাজা ধসের ঘটনায় আহত ১,৩০০ জন শ্রমিকের সঙ্গে টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে এ জরিপ চালায়। নিহত শ্রমিকদের পরিবারের ৫০০ জন সদস্যের সঙ্গেও তারা কথা বলেছে।
অনুষ্ঠানে দুজন আহত শ্রমিক গত তিন বছরে তাদের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন। এদের একজন নাজমা আক্তার। তিনি বলেন, আমি তিন ধাপে টাকা পেয়েছি। প্রথমে ৫০ হাজার পরে ৩৫ হাজার এবং শেষে ৬০ হাজার। তবে এই টাকা বেশি কাজে লাগাতে পারিনি। এখনও আমার মাথায় সমস্যা। চিকিৎসা এখনও শেষ করতে পারি নাই।
আরেকজন রফিক খান বলেন, আমি এখনও ঠিকমত হাঁটতে পারি না। বিভিন্ন জায়গায় চিকিৎসা পেয়েছি। তবে এখনও ভালো হতে পারিনি। আবার চিকিৎসা নিতে হচ্ছে নিজের টাকায়। এখন আর গার্মেন্টে কাজ করতে চাই না। প্রথম প্রথম অনেকেই যোগাযোগ করতো। এখন কারো সঙ্গে যোগাযোগ নাই। আর যে টাকা পেয়েছি। সেটা বেশি কাজে লাগাতে পারি নাই।
মুক্ত আলোচনায় কোন মানদণ্ডে কে, কী পরিমাণ ক্ষতিপূরণ পেয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন আলোচকরা।
আইন ও সালিশ কেন্দ্রের চেয়ারপারসন হামিদা হোসেন বলেন, শ্রমিকরা যা পেয়েছে তাকে আসলে ক্ষতিপূরণ বলা যাবে না। এটা আর্থিক সহযোগিতা। রানা প্লাজা ধসের পর প্রথমে ‘রানা প্লাজা নামে’ তহবিল গঠন করা হয়। কিন্তু পরে সেটা ‘প্রধানমন্ত্রী তহবিল’ হিসেবে চালানো হয়। এই তহবিল থেকে কে কত টাকা পেয়েছে। আর কত টাকা আছে তা পরিষ্কার করা দরকার বলে মনে করেন তিনি। শ্রমিকরা যে শারীরিক ও মানসিক সমস্যায় পড়েছেন তাতে তাদের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতা জরুরি। শ্রমিকদের উন্নয়নে নানা কাজ করা হচ্ছে তবে তার সমন্বিত কোনো উদ্যোগ নেই।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক ড. খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, শ্রমিকদের জন্য যে সহায়তা দেয়া হয়েছে সেটা পূর্ণাঙ্গ নয়। তাদের কর্মসংস্থান, পুনর্বাসনের জন্য যা করা হয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় খুবই কম। শ্রমিকরা এখন দেশের বিভিন্ন জায়গায় শারীরিক ও মানসিক সমস্যা নিয়ে আছেন। তার মতে, আগামীতে সবচেয়ে যে ঝুঁকি দেখা দেবে সেটা হলো স্বাস্থ্য ঝুঁকি। শ্রমিকদের যে আর্থিক সহযোগিতা ভেঙে ভেঙে দেয়া হয়েছে। এই টাকা তারা কাজে লাগাতে পারেনি। তিনি বলেন, অনেক উদ্যোগের কথা বলা হয়েছে। তবে সমন্বিত কোনো উদ্যোগ নেই। এখন সময় এসেছে যেসব উদ্যোগ নেয়া হয়েছে তার প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি তৈরি করার।
অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর ফারাহ কবির বলেন, তিন বছর পার হয়ে গেল। এখন পর্যন্ত শ্রমিকদের যা দেয়া হয়েছে সেটা আর্থিক সহযোগিতা, ক্ষতিপূরণ নয়।
কারখানা পরিদর্শন ও প্রতিস্থাপন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক সাঈদ আহমেদ বলেন, রানা প্লাজার পর সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে। একটি ডিপার্টমেন্ট তৈরি করা হয়েছে। যার সবচাইতে বড় অর্জন কারখানার বড় একটি ডাটাবেজ তৈরি করা হয়েছে। যেখানে ৪৮০৮টি ফ্যাক্টরির তথ্য দেয়া হয়েছে।
আন্তর্জাতিক শ্রম সংস্থা আইএলও’র কর্মসূচি ব্যবস্থাপক টিউমো পটিআইনেন বলেন, শ্রমিকদের নিরাপত্তা ও গার্মেন্ট সেক্টরের উন্নতির জন্য প্রাতিষ্ঠানিক উদ্যোগ নিতে হবে। দেখা গেল সরকার, মালিক, ক্রেতারা নানা দিক দিয়ে উদ্যোগ নিচ্ছেন যার আইনি বা প্রতিষ্ঠানিক কোনো ভিত্তি নাই। শ্রমিকদের স্বাধীনভাবে ট্রেড ইউনিয়ন করতে দিতে হবে।
উত্তর আমেরিকার ক্রেতা জোট অ্যালায়েন্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মেছবা রবিন বলেন, বাংলাদেশের পোশাক খাতে অনেকগুলো চ্যালেঞ্জ। এখনও সাব কন্ট্রাক্টিংয়ের জন্য কোনো নীতিমালা নেই। তিনি বলেন, ইউরোপের ক্রেতা জোট অ্যাকর্ড ও আমরা ১১ই জুলাই ২০১৮ পর্যন্ত কাজ করবো। তারপর কি হবে?’ কারণ কারখানার নিরাপত্তা ও উন্নয়ন একটি কারিগরি বিষয়।
প্রতিবেদনটি উপস্থাপন করেন অ্যাকশনএইড বাংলাদেশের ম্যানেজার নুজহাত জেবিন। তিনি পোশাক খাতের উন্নতিতে কিছু সুপারিশ করেন। এর মধ্যে একটি জাতীয় ক্ষতিপূরণ কাঠামো করা; নিয়মিত কারখানা পরিদর্শন ও এ সংক্রান্ত সরকারি প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করা; কারখানায় স্বাধীনভাবে সংগঠন করার অধিকার নিশ্চিত করা; শ্রম আইনের দুর্বল দিকগুলো সংশোধন করা।
জরিপে উঠে এসেছে, আহত শ্রমিকদের শারীরিক অবস্থা ভালোর দিকে যাচ্ছে, কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে এখনও কিছু জটিলতা আছে। ৫৮.৪ শতাংশ শ্রমিক দীর্ঘমেয়াদি মানসিক সমস্যায় ভুগছেন এবং ৩৭.৩ শতাংশ আহত শ্রমিকের অবস্থা ভালোর দিকে যাচ্ছে। ৪.৩ শতাংশ শ্রমিক পুরোপুরি ভালো হয়ে গেছেন। জরিপের তথ্য অনুযায়ী, আহত শ্রমিকদের শতকরা ৫২ জন চাকরি বা ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। ৪৮ শতাংশ এখনও বেকার। গত বছর এ বেকারের সংখ্যা ছিল প্রায় ৫৫ শতাংশ।
গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, বেঁচে থাকা শ্রমিকদের প্রায় ৭৯ শতাংশ নিজে ব্যবসা করতে চান। মাত্র ৫ ভাগ শ্রমিক পোশাক শিল্পে কাজ করার আগ্রহ দেখিয়েছেন। অর্থাৎ এখনও অধিকাংশ শ্রমিকের মধ্যে কারখানায় কাজ করার ভীতি আছে। গবেষণায় দেখা গেছে, এখন ওই শ্রমিকরা যে আয় করেন তার ৬১ ভাগ চলে যায় খাবারে। আয়ের প্রায় ১৬ ভাগ যাচ্ছে ঘর ভাড়ায়। তারা মাত্র ৮ ভাগ টাকা খরচ করতে পারেন চিকিৎসার ক্ষেত্রে। তবে এই ক্ষেত্রে টাকাটা বেশি দরকার ছিল আবার কাজে ফিরতে।

No comments:
Post a Comment