![]() |
| এই কাগুজে টিকিটের দিন শেষ হয়ে এল বলে |
ইউরোপিয়ান
ও লাতিন ফুটবলের সমর্থকদের ক্ষেত্রে কথাটা বেশ শোনা যায়—‘দে ইট ফুটবল,
ড্রিংক ফুটবল, লিভ ফুটবল।’ তাদের জীবনের একটা বড় অংশ জুড়েই থাকে প্রিয়
ফুটবল ক্লাব। দলের জয়ে উচ্ছ্বাসে ভেসে যাওয়া, হারলে দিনের পর দিন মুষড়ে পড়া
তো স্বাভাবিক ঘটনা। প্রিয় ক্লাবকে যেন হৃদয়ে ধারণ করে চলেন ফুটবল
সমর্থকেরা। তবে শুধু হৃদয়ে নয়, এবার দেহেও প্রিয় ক্লাবকে ধারণ করার অভিনব
ব্যবস্থা নিয়ে এল আর্জেন্টাইন ক্লাব তিগ্রে। কীভাবে? একটি মাইক্রোচিপের
মাধ্যমে! অবিশ্বাস্য লাগছে? তবে ব্যাপারটি সত্যি। ক্লাবের পাঁড় যে
সমর্থকেরা এত দিন পুরো মৌসুমের টিকিট একবারে কিনতেন (সিজন টিকিট), তাঁদের
জন্য এবার টিকিটের বদলে শরীরে মাইক্রোচিপের ব্যবস্থা করেছে তিগ্রে। যেটির
নাম দেওয়া হয়েছে ‘প্যাশন টিকিট’। আর্জেন্টাইন প্রথম বিভাগে খেলা এই ক্লাবটি
টুইটারে অভিনব এই উদ্ভাবনের কথা জানাতে গিয়ে লিখেছে, ‘ক্লাবকে আপনার শরীরে
বয়ে নিয়ে চলা এখন আর কোনো প্রতীকী ব্যাপার নয়।’ কোনো আইডি কার্ড লাগবে না,
কোনো টিকিট লাগবে না, শুধুই হাতের চামড়ার নিচে থাকা একটি চিপ হবে আপনার
প্রিয় ক্লাবের খেলা মাঠে বসে দেখার অবলম্বন। কিন্তু অভাবনীয় এই পদ্ধতিটা
কীভাবে কাজ করবে? খুবই সহজ, অনেকটা বাড়িতে পোষা প্রাণীর শরীরে চিপ যেভাবে
কাজ করে। প্রাণীগুলো যাতে হারিয়ে না যায়, সেটি নিশ্চিত করতে মালিকেরা অনেক
সময়ই ওই প্রাণীর শরীরে চিপ দিয়ে রাখেন। প্রাণিবিজ্ঞানীরা কোনো প্রাণীর
অবস্থান নিশ্চিত করতেও এটি ব্যবহার করেন। তবে ওগুলোতে যেমন জিপিএস
ট্র্যাকিংয়ের ব্যবস্থা থাকে, এখানে তেমনটি থাকবে না
। তিগ্রের মহাসচিব
এজেকিয়েল রোসিনো নিজেই নিশ্চিত করলেন সমর্থকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার কথা,
‘আমরা আক্রমণাত্মক কিছু করছি না। শুধু ব্যাপারটিতে গতি বাড়ছে, এই যা। এখানে
কোনো জিপিএস ট্র্যাকার নেই, শুধুই সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য।’ রোসিনো নিজেই
এই পদ্ধতির উদ্ভাবক। আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসের ৩০ কিলোমিটার
দূরে অবস্থিত ক্লাবটির স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের সামনে ‘মহড়া’ও দিয়ে রেখেছেন।
তাঁর হাতে আগে থেকেই ক্লাবের লাল ও নীল রঙের ব্যাজের আদলে একটা ট্যাটু করা
ছিল, সেখানেই মাইক্রোচিপটি লাগিয়ে নিয়েছেন। পরে নিজেই বলেছেন, ‘স্ক্যানার
চিপের তথ্য পড়ে নেবে। যদি একজন সমর্থক টিকিটের টাকা যথাযথভাবে পরিশোধ করে
থাকেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর জন্য দুয়ার খুলে যাবে।’ এরপর মাঠের প্রবেশ
দুয়ারে এসে নির্ধারিত স্ক্যানারের সামনে হাত বাড়িয়ে ধরার অপেক্ষা...আপনার
জন্য খুলে যাবে স্টেডিয়ামের দুয়ার!
। তিগ্রের মহাসচিব
এজেকিয়েল রোসিনো নিজেই নিশ্চিত করলেন সমর্থকদের ব্যক্তিগত নিরাপত্তার কথা,
‘আমরা আক্রমণাত্মক কিছু করছি না। শুধু ব্যাপারটিতে গতি বাড়ছে, এই যা। এখানে
কোনো জিপিএস ট্র্যাকার নেই, শুধুই সদস্যদের ব্যক্তিগত তথ্য।’ রোসিনো নিজেই
এই পদ্ধতির উদ্ভাবক। আর্জেন্টিনার রাজধানী বুয়েনস এইরেসের ৩০ কিলোমিটার
দূরে অবস্থিত ক্লাবটির স্টেডিয়ামে সাংবাদিকদের সামনে ‘মহড়া’ও দিয়ে রেখেছেন।
তাঁর হাতে আগে থেকেই ক্লাবের লাল ও নীল রঙের ব্যাজের আদলে একটা ট্যাটু করা
ছিল, সেখানেই মাইক্রোচিপটি লাগিয়ে নিয়েছেন। পরে নিজেই বলেছেন, ‘স্ক্যানার
চিপের তথ্য পড়ে নেবে। যদি একজন সমর্থক টিকিটের টাকা যথাযথভাবে পরিশোধ করে
থাকেন, তাহলে সঙ্গে সঙ্গেই তাঁর জন্য দুয়ার খুলে যাবে।’ এরপর মাঠের প্রবেশ
দুয়ারে এসে নির্ধারিত স্ক্যানারের সামনে হাত বাড়িয়ে ধরার অপেক্ষা...আপনার
জন্য খুলে যাবে স্টেডিয়ামের দুয়ার!
No comments:
Post a Comment