৮৪
মিনিটে সার্জিও রামোস লাল কার্ড দেখে যখন মাঠ ছাড়লেন, জিনেদিন জিদানের
সেটিকে সহজভাবে নেওয়ার কোনো কারণই ছিল না। ওই সময়ে দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো
ফাউল রামোসের মতো ডিফেন্ডারের কাছ থেকে তো একদমই অপ্রত্যাশিত। ভাগ্য ভালো,
ওই কার্ডের মূল্য রিয়ালকে দিতে হয়নি। উল্টো ১০ জন নিয়েই জয় পেয়েছে জিদানের
দল। রামোস এখন মজা করে বলতে পারেন, ১০ জন হওয়ায় রিয়ালের শাপেবর হয়েছে! এই
রিয়ালে রামোসই সবচেয়ে অভিজ্ঞ, বয়স হয়ে গেছে ৩০। অথচ টানা দুই ম্যাচে লাল
কার্ড দেখলেন। সাবেক রিয়াল মিডফিল্ডার মাইকেল লাউড্রপ তো বলেই দিয়েছেন,
রামোসের এই ভুল অমার্জনীয়। ক্যারিয়ারে এখন পর্যন্ত রামোস লাল কার্ড দেখেছেন
২১টি। রিয়ালের জার্সি গায়েই ১২টি, এটি রিয়ালের হয়ে লাল কার্ড দেখার
রেকর্ডও! তবে শেষ পর্যন্ত জয় পাওয়ায় রামোসও এখন লাল কার্ড নিয়ে রসিকতা
করছেন, ‘আমি যদি জানতাম একজন কম নিয়ে খেলার পরই আমরা গোল পাব, তাহলে পাঁচ
মিনিটের সময়ই আমি লাল কার্ড দেখতাম।’ কিন্তু জেরার্ড পিকে ওই লাল কার্ড
নিয়ে যা বলেছেন, সেটিকে রসিকতা বলে নেওয়ার সুযোগ নেই। একজন বেশি থাকায় কোনো
দলের সমস্যা হয়েছে, কথাটা কেমন যেন উদ্ভট শোনায় না? পিকে বলেছেন, ‘আমরা
বুঝতে পারছিলাম না একজন বেশি নিয়ে আমাদের কীভাবে খেলা উচিত। ওই লাল কার্ডের
পরেই আমরা আসলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিলাম।’ অথচ এই ম্যাচের নায়ক পিকে
নিজেও হতে পারতেন। ৫৬ মিনিটে তাঁর গোলেই এগিয়ে গিয়েছিল বার্সেলোনা। রিয়াল
মাদ্রিদের সঙ্গে বছর খানেক ধরেই বেশ একটা চাপান-উতোর চলছিল পিকের। রোনালদোর
জন্মদিন নিয়ে তির্যক মন্তব্য করে মাদ্রিদের চক্ষুশূলও হয়ে গেছেন এরই
মধ্যে। গোলের পর পিকের বাঁধভাঙা উদ্যাপনও বলছিল, রিয়ালের বিপক্ষে বাড়তি
একটা রাগ তিনি পুষেই রেখেছিলেন। শেষ পর্যন্ত হারের হতাশা থেকেই কি পিকে
কথাটা বলেছেন?
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment