![]() |
| ভিদালের গোলেই পার হয়েছে বায়ার্ন |
ম্যাচ
শুরুর ১০৯ সেকেন্ডেই আর্তুরো ভিদালের গোল! আলিয়াঞ্জ অ্যারেনায় পরশু
ম্যাচটিকে ঘিরে তখন জল্পনা-কল্পনা, ‘আজ বেনফিকার কপালে কী অপেক্ষা করছে কে
জানে!’ ঠিক কত গোল দেবে বায়ার্ন মিউনিখ, সেটিই ছিল ভাবনা। কিন্তু ম্যাচের
বাকি প্রায় ৮৮ মিনিটজুড়েও আর গোল পেল না বায়ার্ন। চ্যাম্পিয়নস লিগের
কোয়ার্টার ফাইনালে প্রথম লেগে পেপ গার্দিওলার দল ওই ১-০ গোলের জয় নিয়েই মাঠ
ছেড়েছে। কিন্তু জয় ছাপিয়েও বড় প্রশ্ন, এতে কি স্বস্তি পাচ্ছে বায়ার্ন? আর
যা-ই হোক, ন্যূনতম ব্যবধানে জয় আগামী বুধবার বেনফিকার মাঠে দ্বিতীয় লেগে
ঠিক স্বস্তিতে থাকতে দেবে না বায়ার্নকে। অস্বস্তি বাড়িয়ে দিতে পারে বেনফিকা
কোচ রুই ভিতোরিয়ার হুঁশিয়ারিও। ৪৫ বছর বয়সী পর্তুগিজ কোচ পরশু ম্যাচের পরই
গার্দিওলার দলকে সতর্ক করে দিয়েছেন, ‘এখনো সবকিছুই উন্মুক্ত। লিসবনে
(দ্বিতীয় লেগে) আমরা প্রতিটি সেন্টিমিটারের জন্য লড়ব।’ খেলোয়াড়দের
পারফরম্যান্সের প্রশংসাও করেছেন ভিতোরিয়া, ‘দলের পারফরম্যান্সে আমি গর্বিত।
এখানে এসে ভালো ফল করা খুবই কঠিন। বেশির ভাগ দলকেই এখানে এসে ভুগতে হয়।’
পরশু ভুগতে হতে পারত বেনফিকাকেও। অতীত রেকর্ড সেই আভাস দিচ্ছিল। ইউরোপের
শীর্ষ ক্লাব চ্যাম্পিয়নশিপে ১৯৯০ সালের পর কখনো সেমিফাইনালে যেতে না-পারা
পর্তুগিজ দলটি বায়ার্নের মাঠে এর আগের তিন ম্যাচে খেয়েছিল ১৩ গোল।
বায়ার্নের পক্ষেও ছিল পরিসংখ্যান—চ্যাম্পিয়নস লিগে ঘরের মাঠে আগের চার
ম্যাচে ১৮ গোল করেছিল বাভারিয়ানরা। শুরুতে আশা জাগিয়েও পরশু
লাম-লেভানডফস্কিরা তেমন কিছু করতে পারেননি। তবে এই কষ্টে পাওয়া জয়েও বিশেষ
ক্ষতিবৃদ্ধি দেখছেন না গার্দিওলা, ‘আমি অনেক খুশি, কারণ প্রতিপক্ষের মান
সম্পর্কে এখন আমার ভালো ধারণা আছে।’ বায়ার্নের হয়ে এ একটি শিরোপাই এখনো
অধরা স্প্যানিশ কোচের। সেই লক্ষ্যে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ গার্দিওলা এখানেই থেমে যেতে
রাজি নন, ‘চ্যাম্পিয়নস লিগের কোয়ার্টার ফাইনালে সব সময় দ্বিতীয় লেগেই
সমাধান আসে। আমরা লিসবনে জিততেই যাব।’

No comments:
Post a Comment