Monday, April 11, 2016

ইউপি নির্বাচনে অস্বাভাবিক ফল

হারুন আল রশীদ ও রিয়াদুল করিম | এপ্রিল ০৯
সংবাদ: রাজনীতির মাঠে বিএনপি আওয়ামী লীগের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে তার প্রতিফলন নেই। দুই ধাপে ১ হাজার ২১৭টি ইউপিতে গড়ে ৫০ দশমিক ৯৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে আওয়ামী লীগ। আর বিএনপি যেসব ইউপিতে অংশ নিয়েছে, সেগুলোতে তারা পেয়েছে ১৯ দশমিক ৬৮ শতাংশ ভোট। বাকি প্রায় ৩০ শতাংশ ভোট পেয়েছে বিদ্রোহী প্রার্থী ও অন্যান্য দল।
হিমেল
আমি প্রথম ভোট দিই ১৫ বছর আগে। তখন ভোট যেন উৎসবের মতো মনে হতো। ভোটের আগের রাতে যখন বাজারে গিয়ে চায়ের দোকানে বসতাম, নির্বাচনের আমেজে সবার আনন্দের বহিঃপ্রকাশ! কিন্তু দিন যত যাচ্ছে, সবকিছুই যেন উল্টো দিকে ধাবিত হচ্ছে। নির্বাচন সামনে রেখে হচ্ছে হানাহানি। খুব কঠিন সময় আসছে। এসব নির্বাচনের কোনো দরকার নেই আমাদের।
মহম্মদ সালাউদ্দিন
বিএনপি জ্বালাও-পোড়াও আর সন্ত্রাসের রাজনীতি করে একেবারে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। তার ওপরে কয়েক দিন আগে খালেদা আর তারেককে দলের মাথায় রাখার জন্য নির্বাচনের নামে যা প্রহসন করল, তার পরে কোনো সুস্থ-বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ কি আর ওদের ভোট দিতে পারে? মানুষ এখন অনেক চালাক হয়ে গেছে। যে মামলার ভয়ে দেশে আসে না, সে যদি দলের মাথায় বসে থাকে, তাহলে সে দলকে কে সমর্থন করবে। বিএনপির বাঁচার একটাই পথ—সেটা হলো খালেদা আর তারেককে সরিয়ে নতুন নেতৃত্ব নিয়ে আসা।
রাসেল
তামাশারও একটা বিশ্বাসযোগ্যতা থাকতে হয়। ৪১টি ইউনিয়নে বিএনপি ১ শতাংশের কম ভোট পেয়েছে, ওই ১ শতাংশ কারা তাদের বের করে শাস্তি দেওয়া হবে কি না, শঙ্কায় আছি। আরও শঙ্কায় আছি আগামী কয়েক দফা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সহিংসতায় নিহত হওয়ার সেঞ্চুরি হয় কি না?
ইবনে মিজান
সবাই জানে এটা কী হচ্ছে। কিন্তু যুক্তি একটাই, এটা আওয়ামী লীগের নির্বাচন। এটা স্বাধীনতার সপক্ষের দলের অধীনে নির্বাচন। তাই দেশের বড় বড় মাথারা এখানে মাথা ঘামান না। হয়তো কেউ কেউ ভাবছেন, নির্বাচনেরই-বা কী দরকার! আরও এগিয়ে গিয়ে বলবেন, দেশে অন্য দল থাকারই বা কী অধিকার আছে?

No comments:

Post a Comment