দিনাজপুরের
নবাবগঞ্জ উপজেলার গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের জাহানপুর গ্রামে সাঁওতাল এক নারীকে
ধর্ষণচেষ্টার সময় এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে। এ ঘটনায়
পাশের গ্রামের লোকজন সাঁওতালপাড়ায় কয়েক দফা হামলা করেছে। গত রোববার রাত
১১টা থেকে গতকাল বেলা তিনটা পর্যন্ত এ ঘটনা ঘটে। ধর্ষণচেষ্টার শিকার ওই
সাঁওতাল নারী মামলা করেছেন। এ ঘটনায় গ্রামবাসী ফারুককে আটক করে গণধোলাই
দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে। এ ছাড়া পাড়ায় হামলার ঘটনায় গোপিরাম মুর্মু
নামের এক ব্যক্তি মামলা করেছেন। এ মামলায় গ্রাম পুলিশের এক সদস্যসহ তিনজনকে
গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, বামনগড় (কামারডাঙ্গী)
গ্রামের ফারুক হোসেন রোববার রাত নয়টার দিকে জাহানপুর গ্রামের এক সাঁওতাল
নারীকে ধর্ষণের চেষ্টা করেন। ওই নারীর চিৎকারে গ্রামবাসী এসে ফারুককে আটক
করে পুলিশে সোপর্দ করে। ফারুককে আটকের প্রতিবাদে বামনগড় ও মাহজেরপুর
গ্রামের কিছুসংখ্যক লোক লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে জাহানপুর গ্রামে
হামলা চালায়। হামলাকারীরা গ্রামটি পুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেয়। আতঙ্কিত হয়ে
লোকজন তির-ধনুক নিয়ে আত্মরক্ষার চেষ্টা করে। গোলাপগঞ্জ ইউনিয়নের ইউপি
সদস্য মো. নুরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, গতকাল সোমবার সকালে
হামলাকারীরা জাহানপুর গ্রামের জুগলাম মার্ডি নামে একজনকে অপহরণ করে নিয়ে
আটক রেখে নির্যাতন করে। তিনি জুগলাম মার্ডিকে ছেড়ে দিতে বললে হামলাকারীরা
উল্টো তাঁকে ধাওয়া দেয়। পরে পুলিশের সহায়তায় জুগলামকে উদ্ধার করে নবাবগঞ্জ
স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়।
জুগলাম মার্ডি বলেন, গতকাল সকালে পাশের কুশদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সায়েম সবুজের কাছে বিচার দিতে যাচ্ছিলেন তাঁরা। এ সময় বামনগড়ে গ্রাম পুলিশের সদস্য মঞ্জুরুল আলম ওরফে ডালিমের নেতৃত্বে ১০-১২ জন তাঁদের ওপর হামলা করে। জাহানপুর গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, পাশের কয়েকটি গ্রামের লোকজন রোববার রাত থেকে কয়েক দফা হামলা করেছে। গতকাল সকালে জাহানপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর লোকজন তির-ধনুক নিয়ে গ্রাম পাহারা দিচ্ছে। নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ফারুকের চাচা ও গ্রাম পুলিশ সদস্য মঞ্জুরুল, তাঁর দুই ভাই দুলাল উদ্দিন এবং মোস্তাফিজার রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে। জাহানপুর গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া মঞ্জুরুল আলম পুলিশের কাছে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি হামলা চালাননি। বরং হামলা বন্ধ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন।
জুগলাম মার্ডি বলেন, গতকাল সকালে পাশের কুশদহ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান সায়েম সবুজের কাছে বিচার দিতে যাচ্ছিলেন তাঁরা। এ সময় বামনগড়ে গ্রাম পুলিশের সদস্য মঞ্জুরুল আলম ওরফে ডালিমের নেতৃত্বে ১০-১২ জন তাঁদের ওপর হামলা করে। জাহানপুর গ্রামের বাসিন্দারা বলেন, পাশের কয়েকটি গ্রামের লোকজন রোববার রাত থেকে কয়েক দফা হামলা করেছে। গতকাল সকালে জাহানপুর গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর লোকজন তির-ধনুক নিয়ে গ্রাম পাহারা দিচ্ছে। নবাবগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, ঘটনার পর পুলিশ অভিযান চালিয়ে ফারুকের চাচা ও গ্রাম পুলিশ সদস্য মঞ্জুরুল, তাঁর দুই ভাই দুলাল উদ্দিন এবং মোস্তাফিজার রহমানকে গ্রেপ্তার করেছে। জাহানপুর গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। গ্রেপ্তার হওয়া মঞ্জুরুল আলম পুলিশের কাছে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তিনি হামলা চালাননি। বরং হামলা বন্ধ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছেন।

No comments:
Post a Comment