Thursday, April 7, 2016

ক্রমেই ব্যস্ত হচ্ছে ইনডালো by মশিউর শান্ত

ইনডালো ব্যা​েন্ডর সদস্যরা
এ সময়ে বাংলাদেশের নতুন ব্যান্ডগুলোর মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় ইনডালো। এই ব্যান্ডের সদস্যরা এখন ব্যস্ত লাইভ শো, নতুন অ্যালবাম এবং একই সঙ্গে গানের মিউজিক ভিডিও তৈরির কাজ নিয়ে। ব্যান্ডের সদস্যদের সঙ্গে কথা কিংবা গান নিয়ে কিছু বলার আগে বরং তাঁদের শুরুর গল্পটা শোনা যাক। ইনডালোর শুরুটা চার বছর আগে। এক কথায় বলা যায়, আড্ডার ছলেই ইনডালোর জন্ম। মগবাজারে মিউজিক করতে করতেই চুটিয়ে আড্ডা দিতেন ব্ল্যাকের জন, আসর ব্যান্ডের গিটারিস্ট জুবায়ের, বেইজিস্ট টিটু। এই আড্ডা থেকেই শুরু হয় পরিকল্পনা। আর সেই পরিকল্পনা থেকেই হয়ে গেল ইনডালো। ইনডালোর প্রথম গান রিলিজের কথা বলা যাক। ইনডালো তাদের প্রথম গান করেছিল আইএসডি স্কুলে। ২০১৩ সালের ২ আগস্ট। ওই দিন গানটি রিলিজ করা হয়। এরপর আর থেমে থাকা হয়নি। অভূতপূর্ব সাড়া পান এই গানের মাধ্যমে। ইনডালোর সদস্যরা তাঁদের গানগুলোর মিউজিক ভিডিওর কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। কাজ হচ্ছে নতুন অ্যালবামের। গিটারিস্ট জুবায়ের জানান, নতুন অ্যালবামের নাম এখনো চূড়ান্ত হয়নি। অ্যালবামটি একটু আলাদাভাবে করা হচ্ছে। ইনডালোর প্রথম অ্যালবাম কখন কীভাবে এখানে কে জানে বের হয় গত বছর। অ্যালবামের সঙ্গে ছিল ইনডালোর টি-শার্ট, লকেট, ব্যাজ। আরও ছিল ৬০ পৃষ্ঠার একটি বুকলেট। অ্যালবামের গানগুলো দেশে রেকর্ডিং করা হলেও মাস্টার তৈরি হয় যুক্তরাজ্যে। আর অডিও সিডি প্রকাশের কাজ করা হয় যুক্তরাষ্ট্রে। ইনডালোর সদস্যরা হলেন জন (কণ্ঠ ও গিটার), জুবায়ের (গিটার ও কণ্ঠ), বার্ট (বেইজ ও কণ্ঠ) আর ডিও (ড্রামস)। এখন মিউজিক ইন্ডাস্ট্রির যে অবস্থা, পাইরেসির যে ভয়াল থাবা পড়েছে, এ ব্যাপারে সতর্ক ইনডালোর সদস্যরা। জুবায়ের বলেন, ‘দিনবদলের সঙ্গে সঙ্গে অনেক কিছুই বদলে গেছে। এখন যে অবস্থা, তাতে কোনোভাবেই পাইরেসি ঠেকানো যাবে না। সবকিছুর ইতিবাচক ও নেতিবাচক দিক রয়েছে। পাইরেসি যেমন হচ্ছে, ঠিক তেমনি এখন একজন শিল্পী খুব সহজেই পৌঁছে যেতে পারছেন শ্রোতাদের কাছে। তাই এখন তথ্যপ্রযুক্তির সুবিধাকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগিয়ে কীভাবে সামনে এগিয়ে যাওয়া যায়, আমরা সেটা নিয়ে ভাবছি।’ ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা প্রসঙ্গে জানা গেল, শ্রোতাদের নতুন এবং ব্যতিক্রম গান উপহার দেওয়ার জন্য কাজ করছেন ইনডালোর সদস্যরা।

No comments:

Post a Comment