![]() |
| এনামুল হক |
প্রিমিয়ার
লিগ দিয়ে প্রায় এক বছর পর ৫০ ওভারের ক্রিকেটে ফিরে রান পাচ্ছেন শুরু
থেকেই। তবে যথারীতি বল একটু বেশি খেলছিলেন। কাল মিরপুরে সিসিএসের বিপক্ষে
৮৩ বলে সেঞ্চুরি করে সেই সমস্যাও কাটিয়ে উঠলেন এনামুল হক। তবে গাজী গ্রুপ
ক্রিকেটার্সের ওপেনার জানালেন, ভুলটা নাকি এত দিন কেউ ধরিয়েই দেয়নি!
*প্রথম ম্যাচে ফিফটির পর আজ (গতকাল) সেঞ্চুরি করলেন। ব্যাটিংটা নিশ্চয়ই উপভোগ করতে শুরু করেছেন...
এনামুল হক: সেঞ্চুরি করে ভালো লাগছে। সেঞ্চুরির মাধ্যমে যখন দল জেতে, তখন তো সেটা আরও ভালো। ওদের স্কোর দেখার পর থেকেই মাথায় ছিল যতটা পারি লম্বা ব্যাটিং করব। একটু সেট হওয়ার পর যখন দেখলাম উইকেটে রান আসছে, মনে হলো সম্ভব। বাতাসের প্রবাহও ভালো ছিল। কিছু বোলারকে বেছে নিলাম, যাদের মারলে হয়তো সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। ওদের ওপর চড়াও হয়ে চেষ্টা করেছি বড় রান করার।
*জাতীয় দলের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক এবং একজন নির্বাচকও মাঠে থেকে আপনার সেঞ্চুরি দেখেছেন। এটা কি বাড়তি অনুপ্রেরণা?
এনামুল: মাশরাফি ভাই সবার জন্যই প্রেরণা। ভবিষ্যতে যে-ই আসুক, ওনাকে সবাই স্যালুট করবে। ফিফটির পরে যখন উনি তালি দিলেন, তখন ভালো লেগেছে। এমন নয় যে এই একটা সেঞ্চুরির কারণেই তাঁরা আমাকে দলে নিচ্ছেন বা আমি দলে আসার জন্য তৈরি। এমনকি ১০০ করার পর মাশরাফি ভাই যখন হাত দিয়ে সুমন ভাইয়ের দিকে ইশারা করলেন, তখনো ও রকম কিছু মনে হয়নি।
*সিসিএসের সঙ্গে রানের ব্যবধান কমে আসায় একটা সময়ে মনে হচ্ছিল আপনার সেঞ্চুরির আগেই হয়তো দল জিতে যাবে। ওই মুহূর্তে সঙ্গী ব্যাটসম্যান ফরহাদের ভূমিকাটা কেমন ছিল?
এনামুল: ফরহাদ ভাইয়ের ইনিংসটা খুব ভালো ছিল। মিডল অর্ডার থেকে আজ (গতকাল) টপ অর্ডারে উঠে ব্যাটিং করায় ওনার জন্য দিনটাও ছিল ভালো। ওই সময় আমি মারছিলাম। সিঙ্গেল বের করে আমাকে সাপোর্ট দেওয়াটা দরকার ছিল। উনি আমাকে দারুণ সাহায্য করেছেন।
*নিজেদের মধ্যে কি আলোচনা করে নিয়েছিলেন যে আপনাকে সেঞ্চুরি করার সুযোগ দেবেন তিনি?
এনামুল: হ্যাঁ, অবশ্যই। যখন ওনার ৩২ রান, আমার ৬০। আমি ফরহাদ ভাইকে বললাম, এটা কিন্তু সম্ভব। উনি বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমার ২০ রান আর তোমার ৪০। আমার বিশ্বাস, হয়ে যাবে।’ তখন জেতার জন্য দরকার ছিল ৭০ রান। সুন্দর একটা বোঝাপড়া হয়েছে আমাদের মধ্যে।
*আজকের তুলনায় আগের দুই ম্যাচে বল একটু বেশি খেলেছেন...
এনামুল: প্রায় এক বছর পর আমি ওয়ানডে ম্যাচ খেলছি। এক বছর পর কতটুকু উন্নতি করতে পারলাম বা না-পারলাম, সেটা নিয়ে মানসিক চাপ ছিল। প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ম্যাচে মনে হয়েছে আমার একটু ভালো করে ব্যাটিং করা উচিত। দ্বিতীয় ম্যাচে মনে হয়েছে প্রক্রিয়াটা ঠিক আছে। আর আজ (গতকাল) মনে হলো, যেগুলো নিয়ে কাজ করেছি, সেগুলো আস্তে আস্তে ঠিক হচ্ছে।
*সেঞ্চুরি করলে অনেক বেশি বল খেলে ফেলেন, এটা মাথায় রেখেই কি ব্যাটিং করলেন?
এনামুল: আমি উন্নতি করছি। সালাউদ্দিন স্যার, জিকো ভাই, উজ্জ্বল ভাইয়ের সঙ্গে প্রতিদিনই কথা হচ্ছে। আমার ভুল ছিল, কিন্তু সত্যি বলতে কি, ভুলটা ধরিয়ে দেওয়া হয়নি...কী করলে ভুল শোধরানো সম্ভব। সালাউদ্দিন স্যার খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে দিচ্ছেন কী করতে হবে। আমি প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা ওই জিনিসগুলো নিয়ে কাজ করছি।
*জাতীয় দলের কোচরাও কি তাহলে আপনার স্ট্রাইক রেট নিয়ে কাজ করেননি?
এনামুল: বলেছেন স্ট্রাইক রোটেট করতে হবে আরও।
*নির্দিষ্টভাবে কাজ করেননি ওনারা?
এনামুল: না।
*প্রথম ম্যাচে ফিফটির পর আজ (গতকাল) সেঞ্চুরি করলেন। ব্যাটিংটা নিশ্চয়ই উপভোগ করতে শুরু করেছেন...
এনামুল হক: সেঞ্চুরি করে ভালো লাগছে। সেঞ্চুরির মাধ্যমে যখন দল জেতে, তখন তো সেটা আরও ভালো। ওদের স্কোর দেখার পর থেকেই মাথায় ছিল যতটা পারি লম্বা ব্যাটিং করব। একটু সেট হওয়ার পর যখন দেখলাম উইকেটে রান আসছে, মনে হলো সম্ভব। বাতাসের প্রবাহও ভালো ছিল। কিছু বোলারকে বেছে নিলাম, যাদের মারলে হয়তো সুযোগ সৃষ্টি হতে পারে। ওদের ওপর চড়াও হয়ে চেষ্টা করেছি বড় রান করার।
*জাতীয় দলের ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক এবং একজন নির্বাচকও মাঠে থেকে আপনার সেঞ্চুরি দেখেছেন। এটা কি বাড়তি অনুপ্রেরণা?
এনামুল: মাশরাফি ভাই সবার জন্যই প্রেরণা। ভবিষ্যতে যে-ই আসুক, ওনাকে সবাই স্যালুট করবে। ফিফটির পরে যখন উনি তালি দিলেন, তখন ভালো লেগেছে। এমন নয় যে এই একটা সেঞ্চুরির কারণেই তাঁরা আমাকে দলে নিচ্ছেন বা আমি দলে আসার জন্য তৈরি। এমনকি ১০০ করার পর মাশরাফি ভাই যখন হাত দিয়ে সুমন ভাইয়ের দিকে ইশারা করলেন, তখনো ও রকম কিছু মনে হয়নি।
*সিসিএসের সঙ্গে রানের ব্যবধান কমে আসায় একটা সময়ে মনে হচ্ছিল আপনার সেঞ্চুরির আগেই হয়তো দল জিতে যাবে। ওই মুহূর্তে সঙ্গী ব্যাটসম্যান ফরহাদের ভূমিকাটা কেমন ছিল?
এনামুল: ফরহাদ ভাইয়ের ইনিংসটা খুব ভালো ছিল। মিডল অর্ডার থেকে আজ (গতকাল) টপ অর্ডারে উঠে ব্যাটিং করায় ওনার জন্য দিনটাও ছিল ভালো। ওই সময় আমি মারছিলাম। সিঙ্গেল বের করে আমাকে সাপোর্ট দেওয়াটা দরকার ছিল। উনি আমাকে দারুণ সাহায্য করেছেন।
*নিজেদের মধ্যে কি আলোচনা করে নিয়েছিলেন যে আপনাকে সেঞ্চুরি করার সুযোগ দেবেন তিনি?
এনামুল: হ্যাঁ, অবশ্যই। যখন ওনার ৩২ রান, আমার ৬০। আমি ফরহাদ ভাইকে বললাম, এটা কিন্তু সম্ভব। উনি বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমার ২০ রান আর তোমার ৪০। আমার বিশ্বাস, হয়ে যাবে।’ তখন জেতার জন্য দরকার ছিল ৭০ রান। সুন্দর একটা বোঝাপড়া হয়েছে আমাদের মধ্যে।
*আজকের তুলনায় আগের দুই ম্যাচে বল একটু বেশি খেলেছেন...
এনামুল: প্রায় এক বছর পর আমি ওয়ানডে ম্যাচ খেলছি। এক বছর পর কতটুকু উন্নতি করতে পারলাম বা না-পারলাম, সেটা নিয়ে মানসিক চাপ ছিল। প্রিমিয়ার লিগের প্রথম ম্যাচে মনে হয়েছে আমার একটু ভালো করে ব্যাটিং করা উচিত। দ্বিতীয় ম্যাচে মনে হয়েছে প্রক্রিয়াটা ঠিক আছে। আর আজ (গতকাল) মনে হলো, যেগুলো নিয়ে কাজ করেছি, সেগুলো আস্তে আস্তে ঠিক হচ্ছে।
*সেঞ্চুরি করলে অনেক বেশি বল খেলে ফেলেন, এটা মাথায় রেখেই কি ব্যাটিং করলেন?
এনামুল: আমি উন্নতি করছি। সালাউদ্দিন স্যার, জিকো ভাই, উজ্জ্বল ভাইয়ের সঙ্গে প্রতিদিনই কথা হচ্ছে। আমার ভুল ছিল, কিন্তু সত্যি বলতে কি, ভুলটা ধরিয়ে দেওয়া হয়নি...কী করলে ভুল শোধরানো সম্ভব। সালাউদ্দিন স্যার খুব সুন্দর করে বুঝিয়ে দিচ্ছেন কী করতে হবে। আমি প্রতিদিন সকাল-সন্ধ্যা ওই জিনিসগুলো নিয়ে কাজ করছি।
*জাতীয় দলের কোচরাও কি তাহলে আপনার স্ট্রাইক রেট নিয়ে কাজ করেননি?
এনামুল: বলেছেন স্ট্রাইক রোটেট করতে হবে আরও।
*নির্দিষ্টভাবে কাজ করেননি ওনারা?
এনামুল: না।

No comments:
Post a Comment