Tuesday, May 10, 2016

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহায়তায়ও পতন থামছে না

নিজস্ব প্রতিবেদক | মে ০৩, ২০১৬
সংবাদ: শেয়ারবাজারের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের নীতি সহায়তা দেওয়ার ঘোষণাও বাজারের দরপতন ঠেকাতে পারছে না। ধারাবাহিক দরপতনে দেশের শেয়ারবাজারের সূচক আবারও তলানিতে নেমে এসেছে। গত ১৫ কার্যদিবসে প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) প্রধান সূচক ডিএসইএক্স প্রায় পৌনে ৩০০ পয়েন্ট কমেছে। আর সাত দিন ধরে একটানা দরপতন চলছে বাজারে।
মাহফুজা বুলবুল
দেশের সব ক্ষেত্রে অপ্রতিরোধ্য পতন নীরবে দেখে যাচ্ছে দেশবাসী। শক্ত হাতে প্রতিরোধ বা প্রতিকার করার কোথাও কেউ নেই!
সোলায়মান
দুর্নীতিবাজেরা প্রিমিয়ামসহ আইপিও অনুমোদন করে মার্কেট কারসাজিতে জড়িত হয়ে পড়ছে। তাই কোনো শেয়ারের মূল্য আইপিও মূল্যের চেয়ে নামলে দায়িত্বপ্রাপ্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
মিলশা
আমি আমার জমানো অর্থ জমি বা ফ্ল্যাট না কিনে শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে চাই। এ রকম লাখো লাখো বিনিয়োগকারী দেশে আছেন। কিন্তু আস্থার অভাবে বিনিয়োগ করতে পারছেন না। অপরদিকে যাঁরা দিনদুপুরে শেয়ারবাজারে জনগণের অর্থ ডাকাতি করেছেন, তাঁদের বিচারও হচ্ছে না (হওয়ার আশাও নেই)। তাই সরকারের নির্দেশে ব্যাংকগুলো বিনিয়োগ করলেও শেয়ারবাজারের পতন না হওয়ার কোনো কারণ নেই।
মো. শফিকুর রহমান
তালিকাভুক্ত সব কোম্পানির এজিএমে স্বচ্ছতা থাকতে হবে, সাধারণ শেয়ারহোল্ডারদের সঠিক ক্যাশ ডিভিডেন্ট দিলে ভালো হয়। প্রিমিয়ামসহ আইপিও দামে বস্ত্র খাতের (রিজেন্ট) শেয়ারটির বর্তমান দাম প্রায় ১০ টাকার কাছে। তবে কেন প্রিমিয়াম নেওয়া হয়েছিল। প্রাথমিক গণপ্রস্তাবে বেশি টাকা নিয়েছে, তা সবাইকে ফেরত দিতে হবে। যেমন দিয়েছিল এমজিএল কোম্পানির আইপিওতে। বিএসইসির স্বচ্ছতা থাকতে হবে আইপিওর ক্ষেত্রে। যে কোম্পানি ভালো ডিভিডেন্ট দেয় না সে কোম্পানির শেয়ার অতীতে ১০০ টাকার শেয়ার ৩০০-২০০০ টাকা পর্যন্ত ওঠে। তখনই বাজারটি জুয়ায় পরিণত হয়েছিল। তখন যারা শেয়ার কিনেছিলেন, তঁারাই সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন বলে জানা যায়। এই দামে যঁারা শেয়ার কিনেছিলেন, তঁাদের কোম্পানি কিন্তু ১০০ টাকার ওপর ডিভিডেন্ট দেবে। চিন্তা করা দরকার তাদের কি কোনো লাভ হয়। কোম্পানির লাভের ওপর সঠিক ডিভিডেন্ট দেওয়া উচিত।

No comments:

Post a Comment