![]() |
| অদিতি মহসিন |
আসছে পঁচিশে বৈশাখ রবীন্দ্রজয়ন্তীতে
যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যে গাইবেন রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী অদিতি মহসিন।
কবিগুরুর ১৫৫তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানের নানা আয়োজন, রবীন্দ্রচর্চা নিয়ে
কথা বললেন এই শিল্পী।
রবীন্দ্রজয়ন্তীতে এবার দেশের বাইরে থাকছেন কেন?
যুক্তরাষ্ট্রে একই সঙ্গে বসন্ত উৎসব ও রবীন্দ্রজয়ন্তীর আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি ও ফিলাডেলফিয়া অঙ্গরাজ্যে গান করব। এ ছাড়া ২২ মে লন্ডনের রয়্যাল অ্যালবার্ট মিলনায়তনে আছে শাস্ত্রীয় সংগীতের অনুষ্ঠান। ভারতের পারফেক্ট হারমোনি ও বাংলাদেশের ব্লুজ কমিউনিকেশনস যৌথভাবে এই আয়োজন করেছে। সেখানে পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা, হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া, এল সুব্রামানিয়াম, আনুশকা শঙ্কর, লুভা নাহিদ চৌধুরী যন্ত্র ও কণ্ঠসংগীত পরিবেশন করবেন। সেখানে আমি রবীন্দ্রসংগীত গাইব।
দীর্ঘদিন রবীন্দ্রসংগীতচর্চার অভিজ্ঞতার কথা বলুন?
সাত বছর শান্তিনিকেতনের মতো জায়গায় থেকেছি। গানটা আমার কাছে সাধনার ধন। এ দেশে একসময় একটা প্লেব্যাকের জন্যও দিনের পর দিন বসতে হতো, চর্চা করতে হতো। এখন সেসব হয় না। শুধু সিডি প্রকাশ আর খ্যাতির জন্য গাইলে সাধনা ব্যাপারটা গৌণ হয়ে যায়।
রবীন্দ্রসংগীতের কি শুদ্ধ ও জনপ্রিয় দুটি ধারা চালু হয়ে গেছে?
আমি মনে করি না। সঠিকভাবে গাইলেই হলো। তবে আমার গান সব শ্রেণির মানুষের কাছে জনপ্রিয় না-ও হতে পারে। এসব গান শিক্ষিত, রুচিমান ও মননশীল মানুষের ভালো লাগবে। রবীন্দ্রসংগীত জনপ্রিয়তার নয়, চেতনা ও বোধের ব্যাপার।
নতুন যন্ত্রানুষঙ্গে কি তাঁর গান করা যেতে পারে?
রবীন্দ্রসংগীতে নতুন যন্ত্রানুষঙ্গ করা যেতেই পারে। তবে সেটা যেন শুনতে রবীন্দ্রসংগীতের মতো হয়। আমার সাম্প্রতিক অ্যালবাম মম রূপে বেশেতেও আধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল।
কারা আপনাকে বেশি আকর্ষণ করে, রবীন্দ্রনাথের নারী চরিত্রেরা নাকি ঠাকুরবাড়ির নারীরা?
অবশ্যই তাঁর নারী চরিত্রগুলো। ওই চরিত্রগুলোর ওপর ঠাকুরবাড়ির নারীদের প্রভাব আছে। বিশেষ করে চণ্ডালিকার প্রকৃতি, চিত্রাঙ্গদার চরিত্রগুলো।
দেশের শ্রোতারা আপনার অভাববোধ করবে না?
করবে হয়তো, আমিও করব। প্রবাসীদের দাবির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে অনেক অনুষ্ঠান না করে বিদেশে যাচ্ছি।
কবিগুরুর জন্মজয়ন্তীতে কোনো উপলব্ধি?
কবিগুরুর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী ছাড়া সারা বছর টিভিতে তেমন অনুষ্ঠান থাকে না। এটা দুঃখজনক। রবীন্দ্রসংগীত শোনার প্রবণতা বাড়লে সমাজের অস্থিরতাও খানিকটা কমবে।
সাক্ষাৎকার: রাসেল মাহ্মুদ
রবীন্দ্রজয়ন্তীতে এবার দেশের বাইরে থাকছেন কেন?
যুক্তরাষ্ট্রে একই সঙ্গে বসন্ত উৎসব ও রবীন্দ্রজয়ন্তীর আয়োজন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে ওয়াশিংটন ডিসি, নিউইয়র্ক, নিউ জার্সি ও ফিলাডেলফিয়া অঙ্গরাজ্যে গান করব। এ ছাড়া ২২ মে লন্ডনের রয়্যাল অ্যালবার্ট মিলনায়তনে আছে শাস্ত্রীয় সংগীতের অনুষ্ঠান। ভারতের পারফেক্ট হারমোনি ও বাংলাদেশের ব্লুজ কমিউনিকেশনস যৌথভাবে এই আয়োজন করেছে। সেখানে পণ্ডিত শিবকুমার শর্মা, হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া, এল সুব্রামানিয়াম, আনুশকা শঙ্কর, লুভা নাহিদ চৌধুরী যন্ত্র ও কণ্ঠসংগীত পরিবেশন করবেন। সেখানে আমি রবীন্দ্রসংগীত গাইব।
দীর্ঘদিন রবীন্দ্রসংগীতচর্চার অভিজ্ঞতার কথা বলুন?
সাত বছর শান্তিনিকেতনের মতো জায়গায় থেকেছি। গানটা আমার কাছে সাধনার ধন। এ দেশে একসময় একটা প্লেব্যাকের জন্যও দিনের পর দিন বসতে হতো, চর্চা করতে হতো। এখন সেসব হয় না। শুধু সিডি প্রকাশ আর খ্যাতির জন্য গাইলে সাধনা ব্যাপারটা গৌণ হয়ে যায়।
রবীন্দ্রসংগীতের কি শুদ্ধ ও জনপ্রিয় দুটি ধারা চালু হয়ে গেছে?
আমি মনে করি না। সঠিকভাবে গাইলেই হলো। তবে আমার গান সব শ্রেণির মানুষের কাছে জনপ্রিয় না-ও হতে পারে। এসব গান শিক্ষিত, রুচিমান ও মননশীল মানুষের ভালো লাগবে। রবীন্দ্রসংগীত জনপ্রিয়তার নয়, চেতনা ও বোধের ব্যাপার।
নতুন যন্ত্রানুষঙ্গে কি তাঁর গান করা যেতে পারে?
রবীন্দ্রসংগীতে নতুন যন্ত্রানুষঙ্গ করা যেতেই পারে। তবে সেটা যেন শুনতে রবীন্দ্রসংগীতের মতো হয়। আমার সাম্প্রতিক অ্যালবাম মম রূপে বেশেতেও আধুনিক যন্ত্র ব্যবহার করা হয়েছিল।
কারা আপনাকে বেশি আকর্ষণ করে, রবীন্দ্রনাথের নারী চরিত্রেরা নাকি ঠাকুরবাড়ির নারীরা?
অবশ্যই তাঁর নারী চরিত্রগুলো। ওই চরিত্রগুলোর ওপর ঠাকুরবাড়ির নারীদের প্রভাব আছে। বিশেষ করে চণ্ডালিকার প্রকৃতি, চিত্রাঙ্গদার চরিত্রগুলো।
দেশের শ্রোতারা আপনার অভাববোধ করবে না?
করবে হয়তো, আমিও করব। প্রবাসীদের দাবির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে অনেক অনুষ্ঠান না করে বিদেশে যাচ্ছি।
কবিগুরুর জন্মজয়ন্তীতে কোনো উপলব্ধি?
কবিগুরুর জন্ম ও মৃত্যুবার্ষিকী ছাড়া সারা বছর টিভিতে তেমন অনুষ্ঠান থাকে না। এটা দুঃখজনক। রবীন্দ্রসংগীত শোনার প্রবণতা বাড়লে সমাজের অস্থিরতাও খানিকটা কমবে।
সাক্ষাৎকার: রাসেল মাহ্মুদ

No comments:
Post a Comment