![]() |
| রাচেল ম্যাকঅ্যাডামস |
আম্ফিত্রিতি,
নাকি সালাসিয়া? না, পুরাণের কোনো সমুদ্রদেবী তিনি নন। সত্যি বলতে কি,
পরিবেশবিদ বা পরিবেশকর্মীও নন তিনি। তবে সমুদ্র নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্রে
কণ্ঠ দিতে গিয়ে অবাক বিস্ময়ে আবিষ্কার করলেন পৃথিবীর এই ফুসফুস বা
হৃৎপিণ্ডটিকে কীভাবে হৃদয়হীন মানুষ তিলে তিলে ধ্বংস করে ফেলছে। সমুদ্র
বাঁচানোর আকুতি তাই ঝরছে রাচেল ম্যাকঅ্যাডামসের কণ্ঠে। সনিক সি নামের এক
ঘণ্টার এই তথ্যচিত্রে দেখানো হয়েছে, পরিবেশ বিপর্যয় কীভাবে অস্তিত্বের
সংকটে ফেলেছে তিমিসহ সমুদ্রের জীববৈচিত্র্যকে। নোটবুক তারকা ম্যাকঅ্যাডামস
বলেছেন, ‘আমি চমকে গিয়েছিলাম, বিস্মিত হয়েছিলাম। আবেগীও হয়ে পড়েছি। আমাদের
সমুদ্রগুলোতে কী সব হচ্ছে, এ নিয়ে এত কম জানতাম! কখনোই এর কিছুই শুনিনি,
অথচ সেখানে রীতিমতো অরাজকতা চলছে।’ সমুদ্রের সত্যিকারের গল্পটা হলিউডের
যেকোনো কান্নাভেজা চলচ্চিত্রের চেয়েও কম নয়। ম্যাকঅ্যাডামস বলেছেন,
‘ভাবুন তো, শিশু তিমি তার মাকে খুঁজে পায় না শব্দদূষণের কারণে, তাদের
নিজস্ব যোগাযোগপদ্ধতি কাজ করে না বলে। শুধু তিমি নয়, অনেক সামুদ্রিক
প্রাণী, এমনকি চিংড়িও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। আমাদের জন্যই এই প্রাণীগুলোকে
টিকিয়ে রাখতে হবে, অথচ তাদের অস্তিত্ব এখন সংকটে।’ পিপল।

No comments:
Post a Comment