নতুন
মূল্য সংযোজন কর (মূসক) আইন বাস্তবায়ন ছয় মাস পিছিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেছে
দ্য ইনস্টিটিউট অব চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএবি)।
সনদপ্রাপ্ত হিসাববিদদের এ প্রতিষ্ঠানটি বলেছে, বর্তমান মূসক আইনের সঙ্গে
নতুন আইনের মৌলিক পার্থক্য রয়েছে। তাই এ আইনের সফল বাস্তবায়নের জন্য করদাতা
পর্যায়ে পর্যাপ্ত পরিকল্পনা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন হবে। এ জন্য করদাতাদের
প্রস্তুতির জন্য কমপক্ষে ছয় মাস প্রয়োজন হবে। গতকাল বুধবার জাতীয় রাজস্ব
বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত চলমান প্রাক্-বাজেট আলোচনায় আইসিএবির পক্ষ থেকে এ
সুপারিশ করা হয়। একই আলোচনা সভায় নতুন আইনে মূসক হার ১৫ শতাংশের পরিবর্তে
১০ শতাংশ করার প্রস্তাব দিয়েছে ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট
অ্যাকাউন্ট্যান্টস অব বাংলাদেশ (আইসিএমএবি)। আইসিএমএবি বলছে, বর্তমানে বহু
পণ্য ও সেবার ওপরে সংকুচিত ভিত্তিমূল্যে ৩ থেকে ৯ শতাংশ মূসক আরোপ রয়েছে।
নতুন আইন হলে এ সেবা বা পণ্যে ১৫ শতাংশ হারে মূসক দিতে হবে। এর ফলে মূসক
ফাঁকি দেওয়ার প্রবণতা বাড়বে। উল্লেখ্য, আগামী জুলাই মাস থেকে নতুন মূসক আইন
বাস্তবায়ন করার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। এনবিআর সম্মেলনকক্ষে অনুষ্ঠিত সভায়
সভাপতিত্ব করেন সংস্থার সদস্য (আয়কর নীতি) পারভেজ ইকবাল। আইসিএবি: গাড়ি
নিবন্ধন বা নবায়নকালে গাড়িমালিকের আয়কর বিবরণী দাখিলের বিষয়টি নিশ্চিত করার
সুপারিশ করেছে আইসিএবি। এ সম্পর্কে আইসিএবি বলছে, অনেকে ইলেকট্রনিক কর
শনাক্তকরণ নম্বর (ই-টিআইএন) নেন, কিন্তু বার্ষিক আয়কর বিবরণী জমা দেন না।
গাড়ির যাবতীয় খরচ বহনসহ জীবনযাপনের জন্য গাড়িমালিকের বার্ষিক আয় কমপক্ষে ১০
লাখ টাকা হওয়া প্রয়োজন। গাড়িমালিকেরা নিবন্ধন বা নবায়ন বাবদ বছরে ১৫ হাজার
টাকা দেন। এ ক্ষেত্রে ১০ লাখ টাকার ওপর সাড়ে ৯২ হাজার টাকা কর হয়। এতে
একজন গাড়িমালিকের কাছ থেকে প্রাপ্ত কর বাবদ সাড়ে ৭২ হাজার টাকার সমপরিমাণ
রাজস্ব ক্ষতি হয়। এ ছাড়া ব্যক্তি করদাতাদের কম্পিউটার বা ল্যাপটপে
বিনিয়োগের ক্ষেত্রে রেয়াত সুবিধা নেওয়ার সময়সীমা প্রতি তিন বছরে একবার
বেঁধে দেওয়ার সুপারিশ করেছে আইসিএবি। রাজস্ব আদায় বৃদ্ধিতে বেশ কিছু সেবায় ৫
শতাংশ উৎসে কর কাটার জন্য আয়কর অধ্যাদেশের ৫২(এএ) ধারায় অন্তর্ভুক্ত করার
প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রস্তাবিত সেবা খাতগুলো হলো সার্ভে ফার্ম, বিউটি
পারলার, এন্টারটেইনমেন্ট, বিদেশি শিল্পীদের নিয়ে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান,
স্যাটেলাইট কেব্ল অপারেটর ও সরবরাহকারী, চার্টার্ড বিমান অথবা হেলিকপ্টার
ভাড়া প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান, পিকনিক স্পট, শুটিং স্পট ও পর্যটন স্থান বা
স্থাপনা এবং ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারী। আইসিএবির পক্ষে স্নেহাশীষ মাহমুদ
অ্যান্ড কোম্পানির পার্টনার স্নেহাশীষ বড়ুয়া প্রস্তাবগুলো তুলে ধরেন।
আইসিএমএবি: ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা তিন লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করেছে আইসিএমএবি। এ ছাড়া মা-বাবা, ভাইবোনদের কাছ থেকে উপহারসামগ্রী পেলে তা উপহার কর বা গিফট ট্যাক্স থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। আইসিএমএবির প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নয়, এমন বিদেশি ব্যাংকের কর হার সাড়ে ৪২ শতাংশ। আর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দেশি ব্যাংকের কর হার ৪০ শতাংশ। এর দুই ধরনের ব্যাংকের মধ্যে কর পার্থক্য কমপক্ষে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে আইসিএমএবি। আইসিএমএবির প্রেসিডেন্ট আরিফ খান প্রস্তাবগুলো তুলে ধরেন। এ ছাড়া কমিশন বাবদ বিদেশ থেকে অর্থ দেশের আনার সময় আরোপিত ১৫ শতাংশ মূসক অব্যাহতি চায় বাংলাদেশ ইনডেন্টিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন। সমিতির সভাপতি এম এস সিদ্দিকী বলেন, প্রতিবছর কয়েক হাজার টাকার কমিশন পান এ খাতের ব্যবসায়ীরা। কিন্তু সাড়ে ৭ শতাংশ উৎসে আয়কর ও ১৫ শতাংশ মূসক থাকার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের মালিক দেশে টাকা আনতে উৎসাহী হচ্ছেন না।
আইসিএমএবি: ব্যক্তিশ্রেণির করদাতাদের করমুক্ত আয়সীমা তিন লাখ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব করেছে আইসিএমএবি। এ ছাড়া মা-বাবা, ভাইবোনদের কাছ থেকে উপহারসামগ্রী পেলে তা উপহার কর বা গিফট ট্যাক্স থেকে অব্যাহতি দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। আইসিএমএবির প্রস্তাবে আরও বলা হয়েছে, বর্তমানে শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত নয়, এমন বিদেশি ব্যাংকের কর হার সাড়ে ৪২ শতাংশ। আর শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত দেশি ব্যাংকের কর হার ৪০ শতাংশ। এর দুই ধরনের ব্যাংকের মধ্যে কর পার্থক্য কমপক্ষে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাব করেছে আইসিএমএবি। আইসিএমএবির প্রেসিডেন্ট আরিফ খান প্রস্তাবগুলো তুলে ধরেন। এ ছাড়া কমিশন বাবদ বিদেশ থেকে অর্থ দেশের আনার সময় আরোপিত ১৫ শতাংশ মূসক অব্যাহতি চায় বাংলাদেশ ইনডেন্টিং এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশন। সমিতির সভাপতি এম এস সিদ্দিকী বলেন, প্রতিবছর কয়েক হাজার টাকার কমিশন পান এ খাতের ব্যবসায়ীরা। কিন্তু সাড়ে ৭ শতাংশ উৎসে আয়কর ও ১৫ শতাংশ মূসক থাকার কারণে অনেক প্রতিষ্ঠানের মালিক দেশে টাকা আনতে উৎসাহী হচ্ছেন না।

No comments:
Post a Comment