সম্প্রতি
মন্ত্রিসভার মিটিংয়ে উপস্থাপিত অর্পিত সম্পত্তি প্রত্যর্পণ আইনের সংশোধনী
অনুমোদন ছাড়াই সপ্তমবারের মতো ফেরত গেছে। নতুন করে ‘খ’ তালিকাভুক্ত করার
দাবিটি অমূলক বলে মনে করেন অনেকেই। অর্পিত সম্পত্তির ‘খ’ তালিকা ছিল না,
থাকবে না। পুনরায় ‘খ’ তালিকা করা হলে শত শত মানুষ হয়রানির শিকার হওয়ার
আশঙ্কা করা হচ্ছে। ২০১৩ সালে সরকার অর্পিত সম্পত্তির ‘খ’ তালিকা বাতিল এবং
সংসদে আইন সংশোধন করে গেজেট প্রকাশ করে। মন্ত্রিপরিষদ বলেছে, যাদের কারণে
বাদ পড়ে যাওয়া বা পূর্ণাঙ্গ তালিকা না হওয়ার উল্লেখ করা হচ্ছে তাদের কেন
এখনো আইনের আওতায় আনা হয়নি? তা করা হলে ভূমি মন্ত্রণালয়ের অনেক
কর্মকর্তা-কর্মচারী ফেঁসে যাবেন। সে জন্য সচিব আগেই এসি ল্যান্ড ও
তহশিলদারদের ‘আইনি সুরক্ষা’র দাবি জানিয়েছেন। এর আগেও জেলা প্রশাসকদের
সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী ুব্ধ অভিমত ব্যক্ত করেছিলেন এ ব্যাপারে। আমলা
কর্তৃক হয়রানির যে চিত্র তুলে ধরা হয়েছে, সেটিই পুরো দেশের চিত্র। এরপরও
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। গত
চার বছরে একই সম্পত্তি দুই-তিনবার তহশিলদার, কানুনগো, ইউএনও কর্তৃক তদন্ত
করা হয়েছে। তারপর তা অবমুক্তির সুপারিশ করে জেলা প্রশাসক বরাবর পুরো ফাইল
পাঠিয়ে দেয়া হয়। ছয় মাস পরে ফাইলগুলো উপজেলা ভূমি অফিসে ফেরত পাঠানো হচ্ছে।
জনসাধারণ আর কত হয়রানির শিকার হবে?
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেছেন, ‘আমরা সেটেল করে দিয়েছি, কোন পিরিয়ডে ভারতে চলে গেলে কোন প্রোপাটি ভেস্টেড হবে, কোনটি হবে না, তা সেক্রেটারিকে বলেছি। এখন মুসলিমরাই বেশি ভুক্তভোগী। কারণ তারাই সম্পত্তি কিনে নিয়েছেন।’ অনেক ভুক্তভোগী ভূমিমালিককে কর্মকর্তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ‘এ বিষয়ে বিচার বিভাগের দ্বারস্থ হলে জমিই কোনো দিন পাবেন না।’ ভূমি বিভাগের আমলারা বছরের পর বছর ‘সংশোধন’ আনতে থাকবেন অথচ সরকার নিষ্পত্তির জন্য কঠোর আদেশ দিতে পারবে না? জনগণ যুগ যুগ ধরে বংশপরম্পরায় অর্পিত সম্পত্তি নিয়ে নাকানি চুবানি খাচ্ছে। আন্দোলনকারীদের অভিমত, ‘প্রধানমন্ত্রীই পারেন এ সমস্যার সমাধান দিতে।’ দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বাধ্য করতে পারেন এ সমস্যার চির সমাধান করতে। সম্পত্তির বৈধ কাগজপত্র যার আছে, তার অনুকূলেই সম্পত্তি ছেড়ে দিতে হবে।
সামসুল ইসলাম
প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা বলেছেন, ‘আমরা সেটেল করে দিয়েছি, কোন পিরিয়ডে ভারতে চলে গেলে কোন প্রোপাটি ভেস্টেড হবে, কোনটি হবে না, তা সেক্রেটারিকে বলেছি। এখন মুসলিমরাই বেশি ভুক্তভোগী। কারণ তারাই সম্পত্তি কিনে নিয়েছেন।’ অনেক ভুক্তভোগী ভূমিমালিককে কর্মকর্তারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ‘এ বিষয়ে বিচার বিভাগের দ্বারস্থ হলে জমিই কোনো দিন পাবেন না।’ ভূমি বিভাগের আমলারা বছরের পর বছর ‘সংশোধন’ আনতে থাকবেন অথচ সরকার নিষ্পত্তির জন্য কঠোর আদেশ দিতে পারবে না? জনগণ যুগ যুগ ধরে বংশপরম্পরায় অর্পিত সম্পত্তি নিয়ে নাকানি চুবানি খাচ্ছে। আন্দোলনকারীদের অভিমত, ‘প্রধানমন্ত্রীই পারেন এ সমস্যার সমাধান দিতে।’ দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের বাধ্য করতে পারেন এ সমস্যার চির সমাধান করতে। সম্পত্তির বৈধ কাগজপত্র যার আছে, তার অনুকূলেই সম্পত্তি ছেড়ে দিতে হবে।
সামসুল ইসলাম

No comments:
Post a Comment