Wednesday, May 4, 2016

ইলিশ নিয়ে আঞ্চলিক সম্মেলন শুরু

ইলিশের টেকসই ব্যবস্থাপনায় এ অঞ্চলে সমন্বিত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য যৌথ গবেষণা, অভিজ্ঞতা বিনিময়ের ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হক। বঙ্গোপসাগর অঞ্চলে ইলিশের টেকসই ব্যবস্থাপনা বিষয়ে বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের বিশেষজ্ঞদের নিয়ে এক আঞ্চলিক সেমিনারে তিনি এ গুরুত্বারোপ করেন। আজ বুধবার রাজধানীর একটি হোটেলে দুই দিনের এ সেমিনারের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী। ব্রিটেনের ডারউইন ইনস্টিটিউটের সহায়তায় সেমিনারের আয়োজক মৎস্য অধিদপ্তর, বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজ, ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বলেন, দেশে উৎপাদিত মোট মাছের ১২ শতাংশ ইলিশ। জিডিপির ১ শতাংশ আসে ইলিশ থেকে। সরকারের প্রয়োজনমাফিক কার্যকর পদক্ষেপের কারণে গত কয়েক বছরে ইলিশের উৎপাদন দ্বিগুণ হয়েছে। জাটকা নিধনের বিরুদ্ধে সরকারের ব্যবস্থা, প্রজনন মৌসুমে ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞাসহ নানা ব্যবস্থার কারণে এ সাফল্য আসছে। বাংলাদেশ সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড স্টাডিজের নির্বাহী পরিচালক আতিক রহমান ইলিশ রক্ষায় দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা কথা তুলে ধরেন। এ বিষয়ে জাতীয় সংলাপের ওপর গুরুত্ব দেন তিনি। জেলেদের জীবনধারার পরিবর্তনের জন্য মাছ ধরা নিষিদ্ধ থাকার সময়ে তাঁদের জন্য বিকল্প কাজের ব্যবস্থা করার ওপরও জোর দেন এ পরিবেশবিজ্ঞানী। আয়োজকেরা জানান, দুদিনের সেমিনারে একাধিক অধিবেশনে বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমারের বিশেষজ্ঞরা তাঁদের মতামত তুলে ধরবেন। কাল বৃহস্পতিবার শেষ অধিবেশনে সেমিনার থেকে পাওয়া নানা তথ্য ও সুপারিশমালা তুলে ধরা হবে। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন সাবেক সচিব মিহির কান্তি মজুমদার, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক সৈয়দ আরিফ আজাদ, সাবেক মহাপরিচালক লিয়াকত আলী, ইন্টারন্যাশনাল ইনস্টিটিউট ফর এনভায়রনমেন্ট অ্যান্ড ডেভেলপমেন্টের ইশাম ইয়াসিন মোহাম্মদ, ভারতের প্রতিনিধি উৎপল ভৌমিক, মিয়ানমারের খিন মং সু, অধ্যাপক এম এ ওয়াহাব প্রমুখ।

No comments:

Post a Comment