![]() |
| ভোট দিতে পারবে বলে আনন্দিত সাবেক ছিটমহলবাসীরা। ছবি: ভাস্কর মুখার্জি |
বিচ্ছিন্ন
কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার ষষ্ঠ বা শেষ দফার ভোট
আজ বৃহস্পতিবার শুরু হয়েছে। ভোট দিতে পেরে আনন্দিত বিলুপ্ত ছিটমহলের
বাসিন্দারা। বিলুপ্ত কচুয়া ছিটমহলের বাসিন্দা কবির শেখ গতকাল বুধবার
বলেছেন, ‘আমাদের যে কী আনন্দ, তা ভাষায় ব্যক্ত করতে পারব না! ভোট দেব—এই
আনন্দে গতকাল রাতে একটুও ঘুম হয়নি। শুধু প্রতীক্ষা—কখন বৃহস্পতিবারের সকাল
হবে!’ বিলুপ্ত পোয়াতুরকুঠি ছিটমহলের বাসিন্দা সাদ্দাম মিয়া বলেন, আমরা ভোট
দেব—এই আনন্দে আত্মহারা হলেও আমাদের একটা আতঙ্ক দারুণভাবে তাড়া করছিল,
সত্যি কি আমরা ভোট দিতে পারব? কারণ, স্থানীয় তৃণমূল নেতারা আমাদের হুমকি
দিয়েছেন, বাঁচতে হলে ভোট দিতে হবে তৃণমূল প্রার্থীকে। অথচ এই তৃণমূল কিন্তু
আমাদের ছিটমহল আন্দোলনের বিরোধিতা করেছিল। বিলুপ্ত মশালডাঙ্গা ছিটমহলের
বাসিন্দা মো. সাদ্দাম বলেন, ৫ মে আমাদের আছে এক ঐতিহাসিক দিন, যেমনটা
আমাদের কাছে ৩১ জুলাই। কারণ ৩১ জুলাই ছিটমহল বিনিময় চুক্তি সম্পাদন হয়েছিল।
আর আজ আমরা প্রথম ভোটাধিকার প্রয়োগ করছি।
ছিটমহল আন্দোলনের অন্যতম সৈনিক, বিলুপ্ত ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির সহসম্পাদক দীপ্তিমান সেনগুপ্ত বলেছেন, গত বছরের ৩১ জুলাই ছিটমহল বিনিময় চুক্তি সম্পাদনের মধ্য দিয়ে আমাদের প্রথম স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছিল। আর দ্বিতীয় স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে। আজই বিলুপ্ত ছিটমহলের বাসিন্দারা প্রথম ভোট দিচ্ছেন। আজ ভোট নেওয়া হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের ১৬টি এবং কোচবিহারের ৯টি আসনে। এই ২৫ আসনের ভোটার সংখ্যা ৫৮ লাখ ৪ হাজার ১৯ জন। ভোট নেওয়া হচ্ছে ৬ হাজার ৭৭৪টি ভোটকেন্দ্রে। ভোটকে নির্বিঘ্ন করতে এই দুই জেলায় নিয়োগ করা হয়েছে ৩৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ১২ হাজার রাজ্য পুলিশ। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন পূর্ব মেদিনীপুরের ৫৫৭টি এবং কোচবিহারের ১৫৭টি কেন্দ্রকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে। ২৯৪ আসনের রাজ্য বিধানসভা আসনের মধ্যে পাঁচ দফায় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে ১৬৯টি আসনে। সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও ভোটের আগের দিন রাতে তৃণমূলের সমর্থকেরা বাম-কংগ্রেস জোটের পোলিং এজেন্টদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিয়েছেন। তাই আজ নন্দীগ্রামের অনেক কেন্দ্রে বাম-কংগ্রেস জোট পোলিং এজেন্ট দিতে পারেনি। এজেন্টরা ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে সাহস পাননি। পাশকুড়া কেন্দ্রে একজন বাম এজেন্টকে অপহরণ করা হয়েছে। শীতলকুচিতে বাম দলের দুই পোলিং এজেন্টের পরিচয়পত্র ছিনতাই করা হয়েছে। ভোট ছিনতাই করার জন্য রামনগর কেন্দ্রে বহিরাগতদের আগমন ঘটেছে বলে বিরোধীরা দাবি করেছে। ময়নাকেন্দ্রে এক সিপিএম সমর্থকের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। আজ সকাল থেকে উৎসবের আনন্দে মেতে উঠেছেন বিলুপ্ত ছিটমহলবাসী। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলায় ছিল বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল। এখানে বাংলাদেশের বাসিন্দা ছিলেন ১৪ হাজার ৮৬৪ জন। আর বাংলাদেশে ছিল ভারতের ১১১টি ছিটমহল। সেখানে ভারতীয় বাসিন্দা ছিলেন ৩৮ হাজার ৫২১ জন। দীর্ঘ ৬৮ বছরের লড়াই শেষে গত বছরের ৩১ জুলাই এই ১৬২টি ছিটমহল বিনিময় হয়। বিনিময়ের পর ভারতের ভেতরে থাকা ৫১টি বাংলাদেশের ছিটমহল থেকে কোনো বাসিন্দা ফিরে যাননি। তবে বাংলাদেশের ভেতরে থাকা ১১১টি ছিটমহলের ৯২২ জন ফিরে এসেছেন ভারতে। এখন তাঁরা সবাই ভারতের নাগরিক হয়ে গেছেন। পেয়েছেন মৌলিক অধিকার। ভোটার হয়েছেন। সাবেক ছিটমহলের এই নতুন ভোটারেরা কোচবিহারের পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার হয়েছেন। কেন্দ্র পাঁচটি হলো, দিনহাটা, মেখলিগঞ্জ, শীতলকুচি, সিতাই এবং তুফানগঞ্জ। দিনহাটা কেন্দ্রে ভোটার রয়েছেন পাঁচ হাজার ৬০৫ জন। তুফানগঞ্জে ভোটার রয়েছেন ৯ জন। মেখলিগঞ্জ কেন্দ্রের ভোটার হয়েছেন ৫৮৪ জন, শীতলকুচিতে এক হাজার ৯৮০ জন এবং সিতাই কেন্দ্রে রয়েছে এক হাজার ৩৬২ জন ভোটার। এবার এই ভোটাররাই আজ প্রথম ভোট দিচ্ছেন।
ছিটমহল আন্দোলনের অন্যতম সৈনিক, বিলুপ্ত ভারত-বাংলাদেশ ছিটমহল বিনিময় সমন্বয় কমিটির সহসম্পাদক দীপ্তিমান সেনগুপ্ত বলেছেন, গত বছরের ৩১ জুলাই ছিটমহল বিনিময় চুক্তি সম্পাদনের মধ্য দিয়ে আমাদের প্রথম স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়েছিল। আর দ্বিতীয় স্বপ্ন বাস্তবায়িত হচ্ছে আজ বৃহস্পতিবার ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে। আজই বিলুপ্ত ছিটমহলের বাসিন্দারা প্রথম ভোট দিচ্ছেন। আজ ভোট নেওয়া হচ্ছে পশ্চিমবঙ্গের পূর্ব মেদিনীপুরের ১৬টি এবং কোচবিহারের ৯টি আসনে। এই ২৫ আসনের ভোটার সংখ্যা ৫৮ লাখ ৪ হাজার ১৯ জন। ভোট নেওয়া হচ্ছে ৬ হাজার ৭৭৪টি ভোটকেন্দ্রে। ভোটকে নির্বিঘ্ন করতে এই দুই জেলায় নিয়োগ করা হয়েছে ৩৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং ১২ হাজার রাজ্য পুলিশ। এর মধ্যে নির্বাচন কমিশন পূর্ব মেদিনীপুরের ৫৫৭টি এবং কোচবিহারের ১৫৭টি কেন্দ্রকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে। ২৯৪ আসনের রাজ্য বিধানসভা আসনের মধ্যে পাঁচ দফায় নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে ১৬৯টি আসনে। সকালে ভোটগ্রহণ শুরু হলেও ভোটের আগের দিন রাতে তৃণমূলের সমর্থকেরা বাম-কংগ্রেস জোটের পোলিং এজেন্টদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে হুমকি দিয়েছেন। তাই আজ নন্দীগ্রামের অনেক কেন্দ্রে বাম-কংগ্রেস জোট পোলিং এজেন্ট দিতে পারেনি। এজেন্টরা ভয়ে ভোটকেন্দ্রে যেতে সাহস পাননি। পাশকুড়া কেন্দ্রে একজন বাম এজেন্টকে অপহরণ করা হয়েছে। শীতলকুচিতে বাম দলের দুই পোলিং এজেন্টের পরিচয়পত্র ছিনতাই করা হয়েছে। ভোট ছিনতাই করার জন্য রামনগর কেন্দ্রে বহিরাগতদের আগমন ঘটেছে বলে বিরোধীরা দাবি করেছে। ময়নাকেন্দ্রে এক সিপিএম সমর্থকের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। আজ সকাল থেকে উৎসবের আনন্দে মেতে উঠেছেন বিলুপ্ত ছিটমহলবাসী। পশ্চিমবঙ্গের কোচবিহার জেলায় ছিল বাংলাদেশের ৫১টি ছিটমহল। এখানে বাংলাদেশের বাসিন্দা ছিলেন ১৪ হাজার ৮৬৪ জন। আর বাংলাদেশে ছিল ভারতের ১১১টি ছিটমহল। সেখানে ভারতীয় বাসিন্দা ছিলেন ৩৮ হাজার ৫২১ জন। দীর্ঘ ৬৮ বছরের লড়াই শেষে গত বছরের ৩১ জুলাই এই ১৬২টি ছিটমহল বিনিময় হয়। বিনিময়ের পর ভারতের ভেতরে থাকা ৫১টি বাংলাদেশের ছিটমহল থেকে কোনো বাসিন্দা ফিরে যাননি। তবে বাংলাদেশের ভেতরে থাকা ১১১টি ছিটমহলের ৯২২ জন ফিরে এসেছেন ভারতে। এখন তাঁরা সবাই ভারতের নাগরিক হয়ে গেছেন। পেয়েছেন মৌলিক অধিকার। ভোটার হয়েছেন। সাবেক ছিটমহলের এই নতুন ভোটারেরা কোচবিহারের পাঁচটি বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটার হয়েছেন। কেন্দ্র পাঁচটি হলো, দিনহাটা, মেখলিগঞ্জ, শীতলকুচি, সিতাই এবং তুফানগঞ্জ। দিনহাটা কেন্দ্রে ভোটার রয়েছেন পাঁচ হাজার ৬০৫ জন। তুফানগঞ্জে ভোটার রয়েছেন ৯ জন। মেখলিগঞ্জ কেন্দ্রের ভোটার হয়েছেন ৫৮৪ জন, শীতলকুচিতে এক হাজার ৯৮০ জন এবং সিতাই কেন্দ্রে রয়েছে এক হাজার ৩৬২ জন ভোটার। এবার এই ভোটাররাই আজ প্রথম ভোট দিচ্ছেন।

No comments:
Post a Comment