![]() |
| মঞ্চে মিশেল মোনের কাছে ফুল নিয়ে এসেছেন ৪৬ বছর বয়সী খুদে এই ব্যক্তি। ছবি টুইটার থেকে নেওয়া |
ছোট্ট
শিশুকে একটু কোলে নিয়ে আদর করতে কে না চায়! আর যদি সেই শিশু কারও ভক্ত
হন, তাহলে তো কথাই নেই। যুক্তরাজ্যের ব্যবসায়ী মিশেল মোনও চেয়েছিলেন তাঁর
খুদে ভক্তকে কোলে তুলে নিয়ে একটু আদর করতে। এক অনুষ্ঠানে প্রায় তিন হাজার
মানুষের সামনে ফুল নিয়ে আসা ভিয়েতনামের এক খুদে ভক্তকে কোলেও তুলে
নিয়েছিলেন তিনি। হাসিমুখে তুলেছিলেন সেলফি। এরপর শুরু হলো বিপত্তি ও বিব্রত
হওয়ার পালা। সামনের আসনে বসা এক নারী আচমকা দাঁড়িয়ে মিশেল মোনের উদ্দেশে
চিৎকার করে বলেন, ‘ওকে কোল থেকে নামিয়ে দিন, আমি ওর স্ত্রী।’ অমনি বিমর্ষ
হয়ে গেলেন মিশেল। আর হলজুড়ে হাসির রোল। গতকাল শনিবার মিশেল মোন নিজেই
তাঁর টুইটারে ৪৬ বছর বয়সী ওই খুদে মানুষকে কোলে নেওয়ার ছবি দিয়ে বিব্রতকর
এই পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন। টুইট বার্তায় তিনি বলেন, ‘খুবই বিব্রতকর
পরিস্থিতি। ভিয়েতনামে প্রায় তিন হাজার মানুষের সামনে এ ঘটনা ঘটেছে।
![]() |
| শিশু ভেবে ওই ব্যক্তিকে কোলে তুলে নিয়েছেন মিশেল। কোলে উঠে হাসিমুখে সেলফি তুলছেন ওই ব্যক্তি। ছবি টুইটার থেকে নেওয়া |
তাঁকে ছয় বছরের শিশু ভেবে কোলে তুলে নিয়েছিলাম। কিন্তু তিনি একজন
পরিপূর্ণ মানুষ।’ দ্য সানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভিয়েতনামে এক
উদ্যোক্তা সম্মেলনে প্রায় তিন হাজার মানুষের সামনে বক্তৃতা দিচ্ছিলেন
মিশেল মোন। এমন সময় দর্শক সারি থেকে ফুল হাতে মঞ্চে আসেন দেখতে ছোট্ট অথচ
৪৬ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি। মিশেল তাঁর হাত থেকে ফুল নেন। ছয় বছর বয়সী শিশু
ভেবে তাঁকে কোলে নিয়ে কয়েকটা সেলফিও তুলে ফেলেন মিশেল। ওই ব্যক্তির
স্ত্রীর কথা শুনে কী করবেন ঠিক বুঝে উঠতে পারেননি মিশেল। পরে অবশ্য তিনি
বুঝতে পারেন অন্যের স্বামীকে কোলে নেওয়ার পরিস্থিতি কতটা বিব্রতকর হতে
পারে। মিশেল মোন বলেন, এ ঘটনার পর ওই ব্যক্তি চুপচাপ ছিলেন। তাঁর কোনো
বিকার ছিল না। আর পুরো হল রুমে হাসির রোল পড়ে গিয়েছিল। তিনি বলেন, ‘আমার
সন্দেহ হয়েছিল। কারণ, ওই ব্যক্তির দাঁতগুলো নিকোটিন নেওয়ার কারণে গাঢ়
হলুদ হয়েছিল।’ কোনো মানুষকে এভাবে কোলে তুলে নেওয়া ‘ব্রিটিশ রীতি’ কি
না, তা ওই ব্যক্তির স্ত্রী মিশেলের কাছে জানতে চেয়েছিলেন। মিশেল এই
বিব্রতকর প্রশ্নের কী উত্তর দেন, তা জানা যায়নি।


No comments:
Post a Comment