প্রথমবারের
মত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ(আইপিএল) খেলতে গিয়েই বাজিমাত করলেন বাংলাদেশী
পেস সেনসেশন মুস্তাফিজুর রহমান। দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর তিনি জিতেছেন সেরা
উদীয়মান ক্রিকেটারের পুরস্কার। গতকাল আইপিএলের পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে তার
হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন কর্মকর্তারা। পুরস্কারের অর্থমূল্য ১০ কোটি
ভারতীয় রুপি। পুরো আসর জুড়েই ক্রিকেট দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিলেন
তরুণ এই বাংলাদেশী পেসার। আর প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের কাছে তো ছিলেন
রহস্যময় এক ধাঁধার নাম। কাটার, স্লোয়ার আর ইয়র্কারে প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত
করেছেন বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানদের। টুর্নামেন্টের ১৬ ম্যাচে
মোস্তাফিজের উইকেট সংখ্যা ১৭টি, সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলারের তালিকায় যা
পাঁচ নম্বরে; কিন্তু পরিসংখ্যানের সাধ্য কী তার বোলিংয়ের মহাত্ম বোঝানোর।
যারা তার বোলিং দেখেছেন তারাই শুধুমাত্র বুঝতে পারবেন দলের জন্য কতখানি
গুরুত্বপূর্ণ ছিল মুস্তাফিজের প্রতিটি ডেলিভারী। প্রায় প্রতি ম্যাচেই
মোস্তাফিজের বোলিং ছিল একটি নির্দিষ্ট রুটিনের।
পাওয়ার প্লের শেষ ওভার আর
ইনিংসের শেষ দিকে তিন ওভার। মাঝে মধ্যে অবশ্য দলের চাহিদার কারণে এর
ব্যতিক্রম হয়েছে। টি-টোয়েন্টির ডেথ ওভারে(১৫ওভারের পরে) বোলিং করা বিশ্বের
যে কোন বোলারের কাছেই দুরূহ ব্যাপার। সে সময় ব্যাটসম্যানরা উইকেটের কথা
চিন্তা না করে ব্যাট চালাতে থাকেন দলের রান বাড়াতে। সানরাইজার্স
হায়দরাবাদের হয়ে এই কঠিন কাজটি এক প্রান্ত দিয়ে করতে হয়েছে মোস্তাফিজকে।
তাতে তিনি সফলও ছিলেন পুরোপুরি। যথাযথভাবেই দিয়েছেন দলের আস্থার প্রতিদান।
দলের খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, কোচিং স্টাফ, ভাষ্যকার এবং সমর্থক-সবাইকে মুগ্ধ
করে রেখেছেন এই বাম হাতি পেসার।
প্রথমবারের
মত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ(আইপিএল) খেলতে গিয়েই বাজিমাত করলেন বাংলাদেশী
পেস সেনসেশন মুস্তাফিজুর রহমান। দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর তিনি জিতেছেন সেরা
উদীয়মান ক্রিকেটারের পুরস্কার।
গতকাল আইপিএলের পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন কর্মকর্তারা। পুরস্কারের অর্থমূল্য ১০ কোটি ভারতীয় রুপি।
পুরো আসর জুড়েই ক্রিকেট দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিলেন তরুণ এই বাংলাদেশী পেসার। আর প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের কাছে তো ছিলেন রহস্যময় এক ধাঁধার নাম। কাটার, স্লোয়ার আর ইয়র্কারে প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত করেছেন বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানদের।
টুর্নামেন্টের ১৬ ম্যাচে মোস্তাফিজের উইকেট সংখ্যা ১৭টি, সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলারের তালিকায় যা পাঁচ নম্বরে; কিন্তু পরিসংখ্যানের সাধ্য কী তার বোলিংয়ের মহাত্ম বোঝানোর। যারা তার বোলিং দেখেছেন তারাই শুধুমাত্র বুঝতে পারবেন দলের জন্য কতখানি গুরুত্বপূর্ণ ছিল মুস্তাফিজের প্রতিটি ডেলিভারী।
প্রায় প্রতি ম্যাচেই মোস্তাফিজের বোলিং ছিল একটি নির্দিষ্ট রুটিনের। পাওয়ার প্লের শেষ ওভার আর ইনিংসের শেষ দিকে তিন ওভার। মাঝে মধ্যে অবশ্য দলের চাহিদার কারণে এর ব্যতিক্রম হয়েছে।
টি-টোয়েন্টির ডেথ ওভারে(১৫ওভারের পরে) বোলিং করা বিশ্বের যে কোন বোলারের কাছেই দুরূহ ব্যাপার। সে সময় ব্যাটসম্যানরা উইকেটের কথা চিন্তা না করে ব্যাট চালাতে থাকেন দলের রান বাড়াতে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে এই কঠিন কাজটি এক প্রান্ত দিয়ে করতে হয়েছে মোস্তাফিজকে। তাতে তিনি সফলও ছিলেন পুরোপুরি। যথাযথভাবেই দিয়েছেন দলের আস্থার প্রতিদান।
দলের খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, কোচিং স্টাফ, ভাষ্যকার এবং সমর্থক-সবাইকে মুগ্ধ করে রেখেছেন এই বাম হাতি পেসার।
- See more at: http://m.dailynayadiganta.com/detail/news/123039#sthash.VhkmH5b5.dpuf
গতকাল আইপিএলের পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন কর্মকর্তারা। পুরস্কারের অর্থমূল্য ১০ কোটি ভারতীয় রুপি।
পুরো আসর জুড়েই ক্রিকেট দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিলেন তরুণ এই বাংলাদেশী পেসার। আর প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের কাছে তো ছিলেন রহস্যময় এক ধাঁধার নাম। কাটার, স্লোয়ার আর ইয়র্কারে প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত করেছেন বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানদের।
টুর্নামেন্টের ১৬ ম্যাচে মোস্তাফিজের উইকেট সংখ্যা ১৭টি, সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলারের তালিকায় যা পাঁচ নম্বরে; কিন্তু পরিসংখ্যানের সাধ্য কী তার বোলিংয়ের মহাত্ম বোঝানোর। যারা তার বোলিং দেখেছেন তারাই শুধুমাত্র বুঝতে পারবেন দলের জন্য কতখানি গুরুত্বপূর্ণ ছিল মুস্তাফিজের প্রতিটি ডেলিভারী।
প্রায় প্রতি ম্যাচেই মোস্তাফিজের বোলিং ছিল একটি নির্দিষ্ট রুটিনের। পাওয়ার প্লের শেষ ওভার আর ইনিংসের শেষ দিকে তিন ওভার। মাঝে মধ্যে অবশ্য দলের চাহিদার কারণে এর ব্যতিক্রম হয়েছে।
টি-টোয়েন্টির ডেথ ওভারে(১৫ওভারের পরে) বোলিং করা বিশ্বের যে কোন বোলারের কাছেই দুরূহ ব্যাপার। সে সময় ব্যাটসম্যানরা উইকেটের কথা চিন্তা না করে ব্যাট চালাতে থাকেন দলের রান বাড়াতে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে এই কঠিন কাজটি এক প্রান্ত দিয়ে করতে হয়েছে মোস্তাফিজকে। তাতে তিনি সফলও ছিলেন পুরোপুরি। যথাযথভাবেই দিয়েছেন দলের আস্থার প্রতিদান।
দলের খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, কোচিং স্টাফ, ভাষ্যকার এবং সমর্থক-সবাইকে মুগ্ধ করে রেখেছেন এই বাম হাতি পেসার।
- See more at: http://m.dailynayadiganta.com/detail/news/123039#sthash.VhkmH5b5.dpuf
প্রথমবারের
মত ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ(আইপিএল) খেলতে গিয়েই বাজিমাত করলেন বাংলাদেশী
পেস সেনসেশন মুস্তাফিজুর রহমান। দল চ্যাম্পিয়ন হয়েছে আর তিনি জিতেছেন সেরা
উদীয়মান ক্রিকেটারের পুরস্কার।
গতকাল আইপিএলের পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন কর্মকর্তারা। পুরস্কারের অর্থমূল্য ১০ কোটি ভারতীয় রুপি।
পুরো আসর জুড়েই ক্রিকেট দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিলেন তরুণ এই বাংলাদেশী পেসার। আর প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের কাছে তো ছিলেন রহস্যময় এক ধাঁধার নাম। কাটার, স্লোয়ার আর ইয়র্কারে প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত করেছেন বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানদের।
টুর্নামেন্টের ১৬ ম্যাচে মোস্তাফিজের উইকেট সংখ্যা ১৭টি, সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলারের তালিকায় যা পাঁচ নম্বরে; কিন্তু পরিসংখ্যানের সাধ্য কী তার বোলিংয়ের মহাত্ম বোঝানোর। যারা তার বোলিং দেখেছেন তারাই শুধুমাত্র বুঝতে পারবেন দলের জন্য কতখানি গুরুত্বপূর্ণ ছিল মুস্তাফিজের প্রতিটি ডেলিভারী।
প্রায় প্রতি ম্যাচেই মোস্তাফিজের বোলিং ছিল একটি নির্দিষ্ট রুটিনের। পাওয়ার প্লের শেষ ওভার আর ইনিংসের শেষ দিকে তিন ওভার। মাঝে মধ্যে অবশ্য দলের চাহিদার কারণে এর ব্যতিক্রম হয়েছে।
টি-টোয়েন্টির ডেথ ওভারে(১৫ওভারের পরে) বোলিং করা বিশ্বের যে কোন বোলারের কাছেই দুরূহ ব্যাপার। সে সময় ব্যাটসম্যানরা উইকেটের কথা চিন্তা না করে ব্যাট চালাতে থাকেন দলের রান বাড়াতে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে এই কঠিন কাজটি এক প্রান্ত দিয়ে করতে হয়েছে মোস্তাফিজকে। তাতে তিনি সফলও ছিলেন পুরোপুরি। যথাযথভাবেই দিয়েছেন দলের আস্থার প্রতিদান।
দলের খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, কোচিং স্টাফ, ভাষ্যকার এবং সমর্থক-সবাইকে মুগ্ধ করে রেখেছেন এই বাম হাতি পেসার।
- See more at: http://m.dailynayadiganta.com/detail/news/123039#sthash.VhkmH5b5.dpuf
গতকাল আইপিএলের পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে তার হাতে এই পুরস্কার তুলে দেন কর্মকর্তারা। পুরস্কারের অর্থমূল্য ১০ কোটি ভারতীয় রুপি।
পুরো আসর জুড়েই ক্রিকেট দর্শকদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছিলেন তরুণ এই বাংলাদেশী পেসার। আর প্রতিপক্ষের ব্যাটসম্যানদের কাছে তো ছিলেন রহস্যময় এক ধাঁধার নাম। কাটার, স্লোয়ার আর ইয়র্কারে প্রতিনিয়ত বিভ্রান্ত করেছেন বিশ্বের বাঘা বাঘা ব্যাটসম্যানদের।
টুর্নামেন্টের ১৬ ম্যাচে মোস্তাফিজের উইকেট সংখ্যা ১৭টি, সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলারের তালিকায় যা পাঁচ নম্বরে; কিন্তু পরিসংখ্যানের সাধ্য কী তার বোলিংয়ের মহাত্ম বোঝানোর। যারা তার বোলিং দেখেছেন তারাই শুধুমাত্র বুঝতে পারবেন দলের জন্য কতখানি গুরুত্বপূর্ণ ছিল মুস্তাফিজের প্রতিটি ডেলিভারী।
প্রায় প্রতি ম্যাচেই মোস্তাফিজের বোলিং ছিল একটি নির্দিষ্ট রুটিনের। পাওয়ার প্লের শেষ ওভার আর ইনিংসের শেষ দিকে তিন ওভার। মাঝে মধ্যে অবশ্য দলের চাহিদার কারণে এর ব্যতিক্রম হয়েছে।
টি-টোয়েন্টির ডেথ ওভারে(১৫ওভারের পরে) বোলিং করা বিশ্বের যে কোন বোলারের কাছেই দুরূহ ব্যাপার। সে সময় ব্যাটসম্যানরা উইকেটের কথা চিন্তা না করে ব্যাট চালাতে থাকেন দলের রান বাড়াতে। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের হয়ে এই কঠিন কাজটি এক প্রান্ত দিয়ে করতে হয়েছে মোস্তাফিজকে। তাতে তিনি সফলও ছিলেন পুরোপুরি। যথাযথভাবেই দিয়েছেন দলের আস্থার প্রতিদান।
দলের খেলোয়াড়, কর্মকর্তা, কোচিং স্টাফ, ভাষ্যকার এবং সমর্থক-সবাইকে মুগ্ধ করে রেখেছেন এই বাম হাতি পেসার।
- See more at: http://m.dailynayadiganta.com/detail/news/123039#sthash.VhkmH5b5.dpuf

No comments:
Post a Comment