![]() |
| প্রাণহানির আশঙ্কায় ঘরবাড়ি ছেড়ে যাচ্ছেন কারও জেলার সুকানদেবি গ্রামের বাসিন্দারা। ছবি: রয়টার্স |
ইন্দোনেশিয়ার
সুমাত্রা দ্বীপের মাউন্ট সিনেবাং আগ্নেয়গিরিতে গত শনিবার থেকে অগ্ন্যুৎপাত
শুরু হয়েছে। অগ্ন্যুৎপাতের সঙ্গে বেরিয়ে আসা ছাইয়ের মেঘে ঢেকে গেছে
আশপাশের এলাকা।
![]() |
| অগ্ন্যুৎপাতের সঙ্গে বেরিয়ে আসা ছাইয়ে ঢেকে গেছে গ্রাম। বাড়িঘরে কেউ থেকে থাকলে তাদের সরিয়ে নিচ্ছে সেনাসদস্যরা। ছবি: রয়টার্স |
একই
সঙ্গে বেরিয়ে আসছে গ্যাস ও নুড়িপাথর। অগ্ন্যুৎপাতের কারণে এখন পর্যন্ত
সাতজন নিহত হয়েছে। আর দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ইন্দোনেশিয়ার দুর্যোগ
সংস্থার কর্মকর্তা জানান,
![]() |
| কারও জেলায় ছাইয়ে ঢেকে যাওয়া রাস্তা পরিষ্কার করছেন স্থানীয় লোকজন। ছবি: এএফপি |
এসব
এলাকায় থাকা জীবিত ব্যক্তিদের উদ্ধারে সেনাবাহিনী ও পুলিশ চেষ্টা চালিয়ে
যাচ্ছে। ২ হাজার ৪৬০ মিটার উঁচু এই আগ্নেয়গিরি দেশটির সবচেয়ে সক্রিয়। ৪০০
বছর পর ২০১৪ সালে আবার এটি জেগে ওঠে।
![]() |
| কারও জেলায় ছাইয়ের হাত নিজের বাগান রক্ষার চেষ্টা করছেন একজন। ছবি: এএফপি |
ওই
সময় ১৬ জন মারা গিয়েছিল। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, আগ্নেয়গিরি থেকে বেরিয়ে
আসা গ্যাস ও নুড়িপাথরের ঢেউয়ের তাপমাত্রা ৭০০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত
পৌঁছেছে। আশপাশের এলাকার লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
![]() |
| শ্রেণিকক্ষের ভেতরে শিক্ষার্থীদের মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হচ্ছে। ছবি: এএফপি |
জাতীয় দুর্যোগ প্রশমন সংস্থার (বিএনপিবি) মুখপাত্র সুতোপো পুরও
নুগরোহো এক বিবৃতিতে বলেন, কয়েক বছর আগে সরকার সিনেবাংয়ের জ্বালামুখসহ
আশপাশের এলাকা ও গ্রামগুলোকে ‘রেড জোন’ হিসেবে ঘোষণা করেছে।
![]() |
| আগ্নেয়গিরি থেকে বেরিয়ে আসা লাভার স্রোত। ছবিটি গ্রামবার গ্রাম থেকে তোলা: রয়টার্স |
এর মধ্যে গ্যামবার গ্রামটিও রয়েছে। তবে অনেকেই এ নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে
সেখানে গিয়ে আবারও অস্থায়ী বসতি গড়ে তোলেন। আগ্নেয়গিরির উদ্গিরণ এতটাই
তীব্র যে ১২ কিলোমিটার দূরের শহরতলিও ছাইয়ে ঢেকে গেছে।
![]() |
| অগ্ন্যুৎপাতে বিপর্যস্ত গ্যামবার গ্রাম। ছবি: এএফপি |
সরকার এ এলাকাকে বিপজ্জনক ঘোষণা করার পরও এক কমলা ব্যবসায়ী তাঁর বাগানে
থাকা কমলার ওপর থেকে ছাই পরিষ্কার করছেন। তিনি বলেন, ‘যদি ছাই না পরিষ্কার
করি, তাহলে কমলাগুলো নষ্ট হয়ে যাবে।
![]() |
| গ্যামবার গ্রামে মানুষের মতো অসহায় হয়ে পড়েছে অন্য প্রাণীরাও। ছবি: রয়টার্স |
আর এগুলো নষ্ট হয়ে গেলে আমার সংসার চলবে না।’








No comments:
Post a Comment