রাজধানীর
হাতিরঝিলের লেক দখল করে অবৈধভাবে গড়ে ওঠা ১৮ তলা বিজিএমইএ ভবন ভাঙতে আর
কোনো বাধা নেই। হাইকোর্টের এ সংক্রান্ত দেয়া রায় বহাল রেখেছে সুপ্রিম
কোর্টের আপিল বিভাগ। আজ প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বধীন
আপিল বিভাগের চার বিচারপতির বেঞ্চ এই আদেশ দেন। ২০১১ সালের ৩ এপ্রিল এক
রায়ে ৯০ দিনের মধ্যে বিজিএমই ভবন ভাঙার জন্য সরকারকে নির্দেশ দেয়।
হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল দায়ের করে বিজিএমইএ কর্তৃপক্ষ।
পরবর্তীতে আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি হা কোর্টের রায় রায় স্থগিত করে
দেয়।
আজ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে লিভ টু আপিলের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে বিজিএমইএর পক্ষে ব্যরিস্টার রফিকুল হক ও অ্যাডভোকেট কামরুল হক সিদ্দিকী শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহুববে আলম। শুনানি শেষে আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল খারিজ করে দেয়।
আদালত বলেছে, হাতিরঝিলের লেককে কেন্দ্র করে সৌন্দর্য বর্ধনের প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এই ভবনের কারণে সেই সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। এটি একটি বিষফোঁড়া। আদালত এও বলেছে, সরকারি একটি সংস্থার জমি আরেকটি সংস্থা কিভাবে বিজিএমইকে বরাদ্দ দেয়? জলাধার আইন অনুযায়ীও লেক দখল করে গড়ে ভবন গড়ে তোলা অবৈধ।
আজ আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে লিভ টু আপিলের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। শুনানিতে বিজিএমইএর পক্ষে ব্যরিস্টার রফিকুল হক ও অ্যাডভোকেট কামরুল হক সিদ্দিকী শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহুববে আলম। শুনানি শেষে আপিল বিভাগ লিভ টু আপিল খারিজ করে দেয়।
আদালত বলেছে, হাতিরঝিলের লেককে কেন্দ্র করে সৌন্দর্য বর্ধনের প্রকল্প নেয়া হয়েছে। এই ভবনের কারণে সেই সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে। এটি একটি বিষফোঁড়া। আদালত এও বলেছে, সরকারি একটি সংস্থার জমি আরেকটি সংস্থা কিভাবে বিজিএমইকে বরাদ্দ দেয়? জলাধার আইন অনুযায়ীও লেক দখল করে গড়ে ভবন গড়ে তোলা অবৈধ।

No comments:
Post a Comment