চিকিৎসা শেষ হওয়ার আগেই ‘এক প্রকার জোর
করে’ নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক
মাহমুদুর রহমান মান্নাকে কারাগারে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে তাঁর দলের
নেতৃবৃন্দ। এতে করে মান্নার শারিরিক অবস্থা ক্রমান্বয়ে জটিল হয়ে উঠেছে বলে
জানান । তারা বলেন, চিকিৎসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত করা যেকোনো নাগরিকের
মানবাধিকার হরণ করার শামিল। এজন্য নেতৃবৃন্দ মানবিক কারণে হলেও মান্নার
সুচিকিৎসা নিশ্চিত ও জামিনে মুক্তির দাবি করেন। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে
রাজধানীর তোপখানা রোডে নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ
সম্মেলনে এসব দাবি জানানো হয়। সংবাদ
সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় সদস্য মাহমুদ
জামাল কাদেরী। তিনি বলেন, ‘উচ্চ আদালতের নির্দেশে মাহমুদুর রহমান মান্নাকে
গত ৮ জুন ইব্রাহিম কার্ডিয়াক হাসপাতালের সিসিইউতে ভর্তি করা হয়। সেখানে
পরীক্ষার পর তিনটি ব্লকসহ তাঁর হার্ট এনলার্জড ধরা পড়ে।
এ ছাড়া কিডনীর
অবস্থাও গুরুতর বলে জানা যায়। পরীক্ষা-নিরীক্ষা চলাকালেই হঠাৎ করে গত ১৪
জুন মান্নাকে কারাগারে ফেরত নেওয়া হয়। কেন, কি কারণে চিকিৎসা শেষ হওয়ার
আগেই এক প্রকার জোর করে মান্নাকে কারাগারে নেওয়া হলো সে প্রশ্নটি এখন সবার
মনে বড় হয়ে উঠেছে।’ লিখিত বক্তব্যে জামাল কাদেরী আরও বলেন, ‘প্রতিবারই
হাসপাতালে আনার পর সুস্থ হওয়ার মতো চিকিৎসা শেষ না করেই মান্নাকে কারাগারে
ফেরত নেওয়া হয়েছে। আমরা একান্ত মানবিক কারণে হলেও মান্নার সুচিকিৎসা
নিশ্চিত করা ও জামিনে মুক্তির জোর দাবি জানাচ্ছি।’ সংবাদ সম্মেলনে
জানানো হয়, গত বছরের ২৩ ফেব্রুয়ারি গভীর রাতে ডিবি পরিচয়ে মান্নাকে আটক করা
হয়। পরদিন ২৪ ফেব্রুয়ারি তাঁর নামে দেশদ্রোহীতার অভিযোগ এনে দুটি মামলা
করা হয়। এরপর থেকেই কারাগারে বন্দী আছেন মান্না। সংবাদ সম্মেলনে নাগরিক
ঐক্যের কেন্দ্রীয় সদস্য আবু বকর সিদ্দিক, প্রকৌশলী ওয়াহিদুজ্জামান খান,
জিন্নুর চৌধুরী, আতিকুর রহমান, খন্দকার সেলিম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

No comments:
Post a Comment