হোয়াইট
হাউসের দখল ডেমোক্রেটদের দখলে নিতে দলের অনুমিত প্রার্থী হিলারি ক্লিনটনের
সঙ্গে একজোট হয়ে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন বার্নি স্যান্ডার্স। এর আগে
দলের কনভেনশন পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার কথা বললেও শেষ পর্যন্ত নমনীয়
হয়েছেন তিনি। রিপাবলিকান দলের আপাত মনোনীত প্রার্থী ডোনাল্ড ট্রাম্পকে
ঠেকাতেই এমন অবস্থান তার। তবে এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকবেন না তিনি। দলের
‘রূপান্তরের’ জন্যও কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন তিনি। এ খবর দিয়েছে
বিবিসি। খবরে বলা হয়, নিজেদের সমর্থকদের উদ্দেশ্যে দেয়া এক বক্তব্যে এসব
কথা বলেন ভারমন্টের এই সিনেটর। বৃহস্পতিবার নিজ শহর বার্লিংটন থেকে তার
দেয়া এই বক্তব্য প্রচার করা হয় অনলাইনে। এতে শেষ পর্যন্ত নিজের নির্বাচনী
প্রচারণা থামিয়ে দেয়ার ইঙ্গিতও দেন তিনি সমর্থকদের উদ্দেশ্যে। বক্তব্যে
প্রেসিডেন্সিয়াল নির্বাচনের চূড়ান্ত ধাপে হিলারির সঙ্গে কাজ করার প্রত্যয়ের
কথা জানালেও শেষ পর্যন্ত হিলারিকে সমর্থন (এনডোর্সমেন্ট) জানাননি তিনি। আর
তার মূল কারণ হিসেবে তিনি টেনে এনেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। তিনি বলেন,
‘আগামী পাঁচ মাসে আমাদের ওপর যে রাজনৈতিক দায়িত্ব রয়েছে তা হলো ডোনাল্ড
ট্রাম্পের পরাজয় নিশ্চিত করা এবং তাকে বাজেভাবে পরাজিত করা। আমি
ব্যক্তিগতভাবে খুব অল্পকিছুদের মধ্যেই সেই প্রক্রিয়ায় নিজের ভূমিকা নিয়ে
কাজ করা শুরু করব।’ হিলারির সঙ্গে এজন্য কাজ করার কথা বললেও এর মধ্যেই
সীমাবদ্ধ থাকতে চান না তিনি। তিনি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই তৃণমূল পর্যায়ে
প্রয়াস অব্যাহত রাখতে হবে সেই আমেরিকা গড়ার জন্য যে আমেরিকা গড়া সম্ভব বলে
আমরা জানি। এবং অবশ্যই আমাদের সর্বশক্তি দিয়ে অংশ নিতে হবে ২৫শে জুলাই
ডেমোক্রেটিক দলের কনভেনশনে যেখানে ১৯শ’রও বেশি ডেলিগেট উপস্থিত থাকবেন।’ এর
আগে মঙ্গলবার হিলারির সঙ্গে স্যান্ডার্স সাক্ষাৎ করলেও তাদের মধ্যে ‘কিছু
কিছু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তীব্র মতানৈক্য রয়েছে’ বলেও জানান তিনি।
স্যান্ডার্স বলেন, ‘ আমি আগামী দিনগুলোতে আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পক্ষে এটা
নিশ্চিত করার জন্য যে ডেমোক্রেটিক পার্টি যেন ইতিহাসের সবচেয়ে প্রগতিশীল
সময়ে পৌঁছাতে পারে এবং ডেমোক্রেটরা যেন ওইসব এজেন্ডা নিয়ে কাজ করে। আমি
হিলারির সঙ্গেও কাজ করতে চাই যাতে ডেমোক্রেটিক পার্টি কর্মক্ষম ও তরুণদের
একটি দলে রূপান্তরিত হয়।’ স্যান্ডার্স জোর দিয়ে বলেন, তিনি যে ভবিষ্যৎ
আমেরিকার স্বপ্ন দেখেন তা এখনকার তুলনায় সম্পূর্ণ ভিন্নরকম কোনো আমেরিকা
নয়। বরং লাখ লাখ আমেরিকান যা বিশ্বাস করেন এবং লাখ লাখ আমেরিকান যা দেখতে
চান সেই আমেরিকাই দেখতে চান তিনি ভবিষ্যতে।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment