ট্রেন্ট ব্রিজে তিনি দিয়েছিলেন ১১০ রান,
উইকেট পাননি একটাও। ওডিআই ইতিহাসে এটা দ্বিতীয় খরুচে বোলিং ফিগার।
ইংল্যান্ড রান করেছিল ৪৪৪। মনে হচ্ছিল ওয়াহাব রিয়াজের ক্যারিয়ার শেষ হয়ে
গেছে। পরের দুই ম্যাচে তাকে সাইডলাইনে রাখা হয়। ইংল্যান্ড সফরে
পাকিস্তানের শেষ ম্যাচ তথা একমাত্র টি২০ ম্যাচে তাকে ডাকা হয়। আর তাতেই
বাজিমাত। তিনি ১৮ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। ৪ ওভার বল করে একটাও বাউন্ডারি
দেননি। তিনি এই সাফল্য সম্পর্কে বলেন, আমার একটা পরিকল্পনা ছিল। এই ম্যাচে
আমার ভেরিয়েশনও ছিল।
উল্লেখ্য ওয়ানডে সিরিজে যাদের খুঁজেই পাত্তয়া যায়নি, সেই পাকিস্তান সিরিজের একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে নিয়েছে ইংল্যান্ডকে পাত্তা না দিয়েই। স্বাগতিকদের ১৩৫ রানে আটকে রেখে ১৫ ওভারের আগেই ম্যাচ জিতেছে ৯ উইকেট হাতে রেখে। যার ফলে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে সরফরাজ আহমেদের অভিষেকটা দারুণই হলো। ওল্ড ট্রাফোর্ডে বুধবার টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামে ইয়ন মরগানের দল। উদ্বোধনী জুটিতে ৫৬ রান তুললেও এরপরই ছন্দ হারায় স্বাগতিক ব্যাটিং লাইন। পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে তাদের ইনিংস শেষ হয় ৭ উইকেটে ১৩৫ রানে। পেসার ওয়াহাব রিয়াজ মাত্র ১৮ রানে ৩ উইকেট নেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি ছোটায় দুই পাকিস্তানি ওপেনার। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৭৩ রান তুলে গড়ে দলীয় নতুন রেকর্ড। ৩৬ বলে ৫৯ রান করে সার্জিল খান যখন আদিল রশিদের শিকারে পরিণত হন, ততক্ষণে ম্যাচের ভাগ্য লেখা হয়ে গেছে। এরপর হাফ সেঞ্চুরি করেন অন্য ওপেনার খালিদ লতিফও। ৪২ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন খালিদ। ওয়ান ডাউনে নামা বাবর আজম করেন ১১ বলে ১৫ রান। ১৫তম ওভারের পঞ্চম বলে প্লাঙ্কেটকে চার মেরে ম্যাচ শেষ করেন তিনি।
উল্লেখ্য ওয়ানডে সিরিজে যাদের খুঁজেই পাত্তয়া যায়নি, সেই পাকিস্তান সিরিজের একমাত্র টি-টোয়েন্টি ম্যাচ জিতে নিয়েছে ইংল্যান্ডকে পাত্তা না দিয়েই। স্বাগতিকদের ১৩৫ রানে আটকে রেখে ১৫ ওভারের আগেই ম্যাচ জিতেছে ৯ উইকেট হাতে রেখে। যার ফলে টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক হিসেবে সরফরাজ আহমেদের অভিষেকটা দারুণই হলো। ওল্ড ট্রাফোর্ডে বুধবার টস জিতে আগে ব্যাট করতে নামে ইয়ন মরগানের দল। উদ্বোধনী জুটিতে ৫৬ রান তুললেও এরপরই ছন্দ হারায় স্বাগতিক ব্যাটিং লাইন। পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে তাদের ইনিংস শেষ হয় ৭ উইকেটে ১৩৫ রানে। পেসার ওয়াহাব রিয়াজ মাত্র ১৮ রানে ৩ উইকেট নেন।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে চার-ছক্কার ফুলঝুড়ি ছোটায় দুই পাকিস্তানি ওপেনার। পাওয়ার প্লের ৬ ওভারে ৭৩ রান তুলে গড়ে দলীয় নতুন রেকর্ড। ৩৬ বলে ৫৯ রান করে সার্জিল খান যখন আদিল রশিদের শিকারে পরিণত হন, ততক্ষণে ম্যাচের ভাগ্য লেখা হয়ে গেছে। এরপর হাফ সেঞ্চুরি করেন অন্য ওপেনার খালিদ লতিফও। ৪২ বলে ৫৯ রান করে অপরাজিত থাকেন খালিদ। ওয়ান ডাউনে নামা বাবর আজম করেন ১১ বলে ১৫ রান। ১৫তম ওভারের পঞ্চম বলে প্লাঙ্কেটকে চার মেরে ম্যাচ শেষ করেন তিনি।
No comments:
Post a Comment