যুক্তরাজ্যের বিরোধী দল লেবার পার্টির
নেতা জেরেমি করবিনকে নেতৃত্ব থেকে সরিয়ে দিতে যে নির্বাচনের আয়োজন, সেই
নির্বাচনে শক্তিশালী সমর্থন নিয়ে নেতৃত্বে তিনি ফিরছেন—সর্বশেষ জরিপেও এমন
আভাস স্পষ্ট। চূড়ান্ত ফলাফল হাতে পাওয়ার আগেই যে আলোচনা মুখ্য হয়ে উঠেছে,
তা হলো যেসব এমপি করবিনের বিরুদ্ধে ‘ক্যু’ করেছিলেন, তাঁরা কী তাঁর নেতৃত্ব
মেনে নিয়ে করবিনের সঙ্গে কাজ করবেন, না নতুন কোনো দল গঠন করে লেবার
পার্টিকে দ্বিখণ্ডিত করবেন?
আজ বুধবার দুপুর ১২টায় লেবার পার্টির নেতা নির্বাচনের প্রায় তিন সপ্তাহব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। লেবার পার্টির সদস্য, শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য এবং নিবন্ধিত সমর্থক মিলে প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার ভোটার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন। আগামী শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) লিভারপুলে দলীয় সম্মেলনে এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। গত রোববার ইউগভ পরিচালিত সর্বশেষ জরিপে বলা হয়েছে, করবিন অনন্ত ৬২ শতাংশ ভোট পেয়ে আবারও নেতা নির্বাচিত হবেন। একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়েন স্মিথের সমর্থন ৩২ শতাংশ। খাঁটি বামপন্থী এবং যুদ্ধবিরোধী ও নীতিমান রাজনীতিক বলে পরিচিত করবিন গত বছর ৫৮ শতাংশ ভোট পেয়ে দলের হাল ধরেছিলেন। পুঁজিবাদের সমালোচক ও রাজতন্ত্রের প্রতি অনাগ্রহী করবিনের টানে লেবার পার্টির সদস্যসংখ্যা এক বছরে দুই লাখ থেকে প্রায় সাত লাখে উন্নীত হয়। কিন্তু নেতা হওয়ার পর থেকেই তাঁর নিজ দলের এমপিদের অব্যাহত বিরোধিতার সম্মুখীন হন করবিন। দেশটির রাজনীতিক ও ব্যবসায়িক অভিজাত শ্রেণিও করবিনের বিরোধিতায় মুখর হয়ে ওঠে।
গত ২৩ জুন ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) প্রশ্নে অনুষ্ঠিত গণভোটে যুক্তরাজ্যের বিচ্ছেদের পক্ষে রায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে লেবার পার্টির গৃহবিবাদ। দলের এমপিদের মধ্যে ১৭২ জন করবিনের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করেন। তাঁর শ্যাডো কেবিনেট থেকে একযোগে পদত্যাগ করেন ২০ পার্লামেন্ট সদস্য। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে করবিনের নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা হলে এক বছরের মাথায় পুনরায় নির্বাচনের মুখোমুখি হন করবিন। এ নির্বাচনে এমপিদের অঘোষিত ঐক্যের প্রার্থী ওয়েন স্মিথ। এমপিদের যুক্তি, করবিন যুক্তরাজ্যকে ইইউতে রাখতে দলীয় সমর্থকদের ভোট আদায়ে ব্যর্থ হয়েছেন। তাঁরা করবিনকে নেতৃত্ব দেওয়া এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অযোগ্য বলেও ভর্ৎসনা করেন। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নেতার প্রতি এমপিদের এমন বিরুদ্ধাচরণ দলের তৃণমূল সমর্থকেরা ভালোভাবে নেননি। ফলে করবিনের পুনরায় বিজয় নিশ্চিত করতে লেবার পার্টির সদস্যপদ গ্রহণের হিড়িক পড়ে। অবশ্য দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির এক আদেশের কারণে দলের প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার সদস্য এবার ভোটদানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
আজ বুধবার দুপুর ১২টায় লেবার পার্টির নেতা নির্বাচনের প্রায় তিন সপ্তাহব্যাপী ভোট গ্রহণ শেষ হয়েছে। লেবার পার্টির সদস্য, শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্য এবং নিবন্ধিত সমর্থক মিলে প্রায় ৬ লাখ ৪০ হাজার ভোটার পোস্টাল ব্যালটের মাধ্যমে ভোট দিয়েছেন। আগামী শনিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) লিভারপুলে দলীয় সম্মেলনে এই নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে। গত রোববার ইউগভ পরিচালিত সর্বশেষ জরিপে বলা হয়েছে, করবিন অনন্ত ৬২ শতাংশ ভোট পেয়ে আবারও নেতা নির্বাচিত হবেন। একমাত্র প্রতিদ্বন্দ্বী ওয়েন স্মিথের সমর্থন ৩২ শতাংশ। খাঁটি বামপন্থী এবং যুদ্ধবিরোধী ও নীতিমান রাজনীতিক বলে পরিচিত করবিন গত বছর ৫৮ শতাংশ ভোট পেয়ে দলের হাল ধরেছিলেন। পুঁজিবাদের সমালোচক ও রাজতন্ত্রের প্রতি অনাগ্রহী করবিনের টানে লেবার পার্টির সদস্যসংখ্যা এক বছরে দুই লাখ থেকে প্রায় সাত লাখে উন্নীত হয়। কিন্তু নেতা হওয়ার পর থেকেই তাঁর নিজ দলের এমপিদের অব্যাহত বিরোধিতার সম্মুখীন হন করবিন। দেশটির রাজনীতিক ও ব্যবসায়িক অভিজাত শ্রেণিও করবিনের বিরোধিতায় মুখর হয়ে ওঠে।
গত ২৩ জুন ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) প্রশ্নে অনুষ্ঠিত গণভোটে যুক্তরাজ্যের বিচ্ছেদের পক্ষে রায় যাওয়াকে কেন্দ্র করে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে লেবার পার্টির গৃহবিবাদ। দলের এমপিদের মধ্যে ১৭২ জন করবিনের প্রতি অনাস্থা জ্ঞাপন করেন। তাঁর শ্যাডো কেবিনেট থেকে একযোগে পদত্যাগ করেন ২০ পার্লামেন্ট সদস্য। এরপর আনুষ্ঠানিকভাবে করবিনের নেতৃত্বকে চ্যালেঞ্জ করা হলে এক বছরের মাথায় পুনরায় নির্বাচনের মুখোমুখি হন করবিন। এ নির্বাচনে এমপিদের অঘোষিত ঐক্যের প্রার্থী ওয়েন স্মিথ। এমপিদের যুক্তি, করবিন যুক্তরাজ্যকে ইইউতে রাখতে দলীয় সমর্থকদের ভোট আদায়ে ব্যর্থ হয়েছেন। তাঁরা করবিনকে নেতৃত্ব দেওয়া এবং প্রধানমন্ত্রী হওয়ার অযোগ্য বলেও ভর্ৎসনা করেন। গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত নেতার প্রতি এমপিদের এমন বিরুদ্ধাচরণ দলের তৃণমূল সমর্থকেরা ভালোভাবে নেননি। ফলে করবিনের পুনরায় বিজয় নিশ্চিত করতে লেবার পার্টির সদস্যপদ গ্রহণের হিড়িক পড়ে। অবশ্য দলের জাতীয় নির্বাহী কমিটির এক আদেশের কারণে দলের প্রায় ১ লাখ ৩০ হাজার সদস্য এবার ভোটদানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।
অদ্ভুত ওই আদেশে বলা হয়, ভোট
দিতে হলে দলের সদস্যপদের মেয়াদ অনন্ত ছয় মাস হতে হবে। করবিনের বিজয় ঠেকাতে
এমনটি করা হয়েছে বলে মনে করেন অনেকে। জেরেমি করবিন বলেন, তিনি
প্রতিশোধপরায়ণ হয়ে কিছু করতে রাজি নন। নির্বাচনের ফলাফল যা-ই হোক, তা মেনে
নিয়ে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। অপর প্রার্থী ওয়েন
স্মিথ বলেন, ভাঙনের মুখে পড়া লেবার পার্টিকে ঐক্যবদ্ধ করতে তিনিই
একমাত্রযোগ্য প্রার্থী। কিন্তু করবিন আবার বিজয়ী হলে তাঁর কেবিনেটে কাজ
করবেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন তিনি। ওয়েন স্মিথের এই মনোভাব দলীয় ঐক্যের
বার্তার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে সমালোচনা উঠেছে। অবশ্য ফলাফল আন্দাজ করতে পেরে
ওয়েন স্মিথ ইতিমধ্যে স্বীকার করে নিয়েছেন যে করবিনকে এভাবে চ্যালেঞ্জ করা
ঠিক হয়নি। দল চালাতে তাঁকে আরও সময় দেওয়া উচিত ছিল। শ্যাডো কেবিনেট থেকে
পদত্যাগ করা এমপিদের মধ্যে ১৪ জন বলেছেন, করবিন নির্বাচিত হলে তাঁরা
কেবিনেটে ফিরতে রাজি আছেন।
No comments:
Post a Comment