সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া
হত্যা মামলায় সিলেট সিটি করপোরেশনের নির্বাচিত মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর
জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করেছে রাষ্ট্রপক্ষ। আজ বুধবার আবেদনটি চেম্বার
বিচারপতি মির্জা হোসেইন হায়দারের বেঞ্চে উপস্থাপন করা হয়। ডেপুটি অ্যাটর্নি
জেনারেল ড. বশিরউল্লাহ সাংবাদিকদের বলেন, জামিন স্থগিত চেয়ে করা আবেদনটি
শুনানির জন্য আজ বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দিয়েছেন
চেম্বার বিচারপতি। আরিফুল হকের জামিন প্রশ্নে জারিকৃত রুল নিষ্পত্তি করে
বিচারপতি সৈয়দ মোহাম্মদ দস্তগীর হোসেন ও বিচারপতি মো. মজিবুর রহমান মিয়ার
ডিভিশন বেঞ্চ গত মঙ্গলবার তার জামিন মঞ্জুর করেন। জামিন পাওয়ায় আরিফুলের
কারামুক্তি বাধা নেই বলে জানিয়েছিলেন তার আইনজীবীরা। তবে হাইকোর্টের এই
আদেশ স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগে আবেদন করা হবে বলে সেদিনই জানিয়েছিলেন ড.
মোহম্মদ বশিরুল্লাহ।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদরের বৈদ্যেরবাজারে ঈদ পরবর্তী এক জনসভা শেষে বের হওয়ার পথে গ্রেনেড হামলার শিকার হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া। পরে ঢাকা নেয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় আরো চার জন নিহত ও ৪৩ জন আহত হন। ঘটনার পরদিন থানায় মামলা দায়ের করা হয়। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের আমলে মামলাটি অধিকতর তদন্ত করে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। ওই চার্জশিটে আরিফুল হককে আসামি করা হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। আরিফুল হক ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। নিম্ন আদালতে জামিন নামঞ্জুর হলে তিনি উচ্চ আদালতে আসেন। তার আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১৫ সালের শেষ দিকে হাইকোর্ট রুল দেন। রুলের নিষ্পত্তি করে আদালত মঙ্গলবার তাকে জামিন দেন।
মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালের ২৭ জানুয়ারি হবিগঞ্জ সদরের বৈদ্যেরবাজারে ঈদ পরবর্তী এক জনসভা শেষে বের হওয়ার পথে গ্রেনেড হামলার শিকার হন সাবেক অর্থমন্ত্রী শাহ এ এম এস কিবরিয়া। পরে ঢাকা নেয়ার পথে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় আরো চার জন নিহত ও ৪৩ জন আহত হন। ঘটনার পরদিন থানায় মামলা দায়ের করা হয়। আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোট সরকারের আমলে মামলাটি অধিকতর তদন্ত করে আদালতে সম্পূরক চার্জশিট দাখিল করে পুলিশ। ওই চার্জশিটে আরিফুল হককে আসামি করা হয়। বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন। আরিফুল হক ২০১৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর বিচারিক আদালতে আত্মসমর্পণ করলে আদালত তার জামিন না মঞ্জুর করে কারাগারে পাঠান। নিম্ন আদালতে জামিন নামঞ্জুর হলে তিনি উচ্চ আদালতে আসেন। তার আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২০১৫ সালের শেষ দিকে হাইকোর্ট রুল দেন। রুলের নিষ্পত্তি করে আদালত মঙ্গলবার তাকে জামিন দেন।

No comments:
Post a Comment