জামায়াত
নেতা মীর কাসেম আলীর ফাঁসি কার্যকর করা হয়েছে। কাশিমপুর কারাগারে রাত ১০
টার পর তার ফাঁসি কার্যকর হয়। ফাঁসি কার্যকরের প্রক্রিয়ায় জল্লাদ দ্বীন
ইসলাম, শাহজাহান, রিপন ও শাহীন অংশ নেন। মীর কাসেম আলী ষষ্ঠ ব্যক্তি
মানবতাবিরোধী অপরাধে যার মৃত্যুদ- কার্যকর হলো। এর আগে পাঁচ জনের মৃত্যুদ-
কার্যকর হয়। তাদের মধ্যে চার জনই জামায়াতের শীর্ষ নেতা। এর আগে যে ৫ জনের
দন্ড কার্যকর করা হয়েছে, তাদের সবাইকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয় ঢাকা কেন্দ্রীয়
কারাগারে। তবে ওই কারাগার খালি করে ইতোমধ্যে বন্দিদের সরিয়ে নেয়া হয়েছে
কেরানীগঞ্জের নতুন কারাগারে। শনিবার বিকালে কাশিমপুর কারাগারের ভেতরে ও
বাইরে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়। ঢাকা এবং গাজীপুরে মোতায়েন করা হয় বিজিবি।
এর আগে কারাগারে এসে পৌঁছায় মীর কাসেমের ফাঁসি কার্যকরের নির্বাহি আদেশ।
এদিকে মানিকগঞ্জে মীর কাসেমের লাশ দাফনের প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে পরিবার।
মীর কাসেম আলীর সঙ্গে শেষ সাক্ষাতের জন্য পরিবারে ৪২ সদস্য বিকালে কাশিমপুর
কারাগারে যান। বেলা তিনটা ৩৮ মিনিটে ছয়টি মাইক্রোবাসে করে কাসেম আলীর
স্ত্রী, ছেলে, ছেলের স্ত্রী, তাদের শিশু সন্তান ও স্বজনসহ ৪২ জন কাশিমপুর
কারাগারে উপস্থিত হন। তাদের মধ্যে ৩৭ জনকে সাক্ষাতের জন্য অনুমতি দেয়া হয়।
পরিবারের সদস্যরা সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কারাগার থেকে বের হয়ে আসেন।
Sunday, September 4, 2016
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment