![]() |
| তামিম ইকবাল, সৌম্য সরকারদের হয়তো ফিল্ডিং নিয়ে টিপস দিচ্ছেন বাংলাদেশ দলের প্রধান কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে -যুগান্তর |
মাশরাফি মুর্তজা আসলে একের ভেতর দুই। এক,
তিনি দলের অন্যতম প্রধান বোলার। দুই, দলের কাণ্ডারি, কাপ্তান। তবে এই দুটি
ভূমিকাকে কখনও ‘এক’ করে ফেলেন না মাশরাফি। এই গুণ তিনি আয়ত্ব করেছেন ধাপে
ধাপে। ‘গোটা বিষয়টাকে আমি জটিল করে তুলি না। মাঠে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক
প্রক্রিয়ায় সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকি। এখন এটা অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। গেল
বছরদুয়েক ধরে নেতৃত্বে আছি। এখন আমি অনেকটাই নির্ভার, নিশ্চিত’,
আফগানিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ওয়ানডের আগে তার দৃপ্ত উচ্চারণ। এদিকে প্রথম
ম্যাচের পর দু’দিন সময় পেয়েছেন ক্রিকেটাররা। এই দু’দিনে টিম মিটিংয়ে
আলোচনা হয়েছে শুধু প্রথম ম্যাচের ভুলগুলো নিয়ে। আর সেটা কাটিয়ে উঠে কিভাবে
দ্বিতীয় ম্যাচে পরিপূর্ণভাবে নিজেদের মেলে ধরা যায়, সেটা নিয়েই কথা হয়েছে।
টাইগার অধিনায়ক বলেন, ‘সত্যি বলতে কী, খেলার মধ্যে থাকলেও প্রথম ম্যাচ
গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম ম্যাচে বের হয়ে যেতে পারলে ফ্রি থাকা যায়।
আফগানিস্তানের সঙ্গে প্রথম ম্যাচে বড় কিছু না হলেও একটা কঠিন পার্ট চলে
গেছে। খেলার কথা বলা যায় না। আশা করি, সামনের ম্যাচে মানসিকভাবে ভালো
অবস্থানে থাকব।’
আজ বাংলাদেশ একটি মাইলফলক স্পর্শ করার অপেক্ষায়। নিজেদের ৩১৪তম ওডিআইতে ১০০তম জয়ের মাইলফলক ছোঁয়ার অপেক্ষা। ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশের প্রথম জয় হায়দরাবাদে কেনিয়ার বিপক্ষে। টাইগারদের ৫০তম জয় বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। ১০০তম জয়ের সম্ভাবনা আফগানিস্তানের বিপক্ষে। এর মধ্যে সর্বশেষ ২৪ ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ১৯টিতে। নতুন মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে এটিকে বাংলাদেশের বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন টাইগার অধিনায়ক। মাশরাফি বলেন, ‘আমি না থাকলেও এই মাইলফলকের সময় অন্য কেউ থাকতে পারত। বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন হবে এটি। আমরা চেষ্টা করব দ্বিতীয় ম্যাচেই যেন সেটা হয়। এজন্য আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে।’ সহযোগী দেশগুলোর বিপক্ষে খেলার সময় অবশ্যই জিততে হবে, এমন একটা চাপ থাকে। মাশরাফি বলেন, ‘অবশ্যই অস্ট্রেলিয়া, ভারত, ইংল্যান্ড যখন আমাদের সঙ্গে খেলে, তখন ওদের ওপর চাপ থাকে। খুবই স্বাভাবিক। শেষ ম্যাচে যেটা ভালো লেগেছে, ম্যাচটা প্রায় ৯০ ভাগ ওদের (আফগানিস্তান) অনুকূলে ছিল। ওখান থেকে ফিরে এসে ম্যাচ জেতা একটা ‘চরিত্র’। এই চরিত্রটা শক্ত করতে পারলে বড় ম্যাচেও ভালো করব।’
দেশের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সাড়ে তিনশ’ রান তাড়া করে জয় পেয়েছে ইংলিশরা। এছাড়া ৪৪৪ রানের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটাও করেছে তারা। আর বাংলাদেশ আফগানিস্তানের বিপক্ষেই ২৬৫ রানে অলআউট হয়েছে। রান বাড়ানোর পরিকল্পনা সম্পর্কে মাশরাফি বলেন, ‘আফগানিস্তানের বোলাররা ভালো বোলিং করেছে। তবে আমাদের ব্যাটসম্যানরা যে খেলতে পারছিল না তা নয়। সেট হয়ে তামিম, ইমরুল, রিয়াদ ও সাকিব আউট হয়েছে। বড় স্কোর হতে হলে দু’জনকে বড় ইনিংস খেলতে হয়। সেখানে আমাদের চারজন ভালো শুরু করেও বড় স্কোর করতে পারেনি। ২৮০, ২৯০ থেকে ৩০০ করারও সুযোগ ছিল। সেট হয়ে আউট হয়ে যাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।’ মাশরাফি বলেন, ‘আমাদের জন্য প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় ম্যাচ জিতলে সিরিজ নিশ্চিত হয়ে যাবে। এজন্য দ্বিতীয় ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ।’ মাশরাফি জানালেন, ‘এ’ দল বা ক্লাবের খেলা যাই হোক না কেন, আন্তর্জাতিক ম্যাচের আবহ অন্যকিছুতে পাওয়া যাবে না। দল চাপে থাকলেও তার কাজটা সহজ। কোনো কিছু জটিল করার চেষ্টা করেন না। তিনি বলেন, ‘আসলে কিছু জটিল করে তুলতে চাই না। বোলিং ও সিদ্ধান্তগুলো স্বাভাবিকভাবে নেয়ার চেষ্টা করি। এ দুটোতেই আমার ফোকাস থাকে। আলাদা আলাদা করে প্রতিটি কাজ করার চেষ্টা করি।’
আজ বাংলাদেশ একটি মাইলফলক স্পর্শ করার অপেক্ষায়। নিজেদের ৩১৪তম ওডিআইতে ১০০তম জয়ের মাইলফলক ছোঁয়ার অপেক্ষা। ১৯৯৮ সালে বাংলাদেশের প্রথম জয় হায়দরাবাদে কেনিয়ার বিপক্ষে। টাইগারদের ৫০তম জয় বুলাওয়েতে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। ১০০তম জয়ের সম্ভাবনা আফগানিস্তানের বিপক্ষে। এর মধ্যে সর্বশেষ ২৪ ম্যাচে বাংলাদেশ জয় পেয়েছে ১৯টিতে। নতুন মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে এটিকে বাংলাদেশের বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন টাইগার অধিনায়ক। মাশরাফি বলেন, ‘আমি না থাকলেও এই মাইলফলকের সময় অন্য কেউ থাকতে পারত। বাংলাদেশের জন্য বড় অর্জন হবে এটি। আমরা চেষ্টা করব দ্বিতীয় ম্যাচেই যেন সেটা হয়। এজন্য আমাদের ভালো ক্রিকেট খেলতে হবে।’ সহযোগী দেশগুলোর বিপক্ষে খেলার সময় অবশ্যই জিততে হবে, এমন একটা চাপ থাকে। মাশরাফি বলেন, ‘অবশ্যই অস্ট্রেলিয়া, ভারত, ইংল্যান্ড যখন আমাদের সঙ্গে খেলে, তখন ওদের ওপর চাপ থাকে। খুবই স্বাভাবিক। শেষ ম্যাচে যেটা ভালো লেগেছে, ম্যাচটা প্রায় ৯০ ভাগ ওদের (আফগানিস্তান) অনুকূলে ছিল। ওখান থেকে ফিরে এসে ম্যাচ জেতা একটা ‘চরিত্র’। এই চরিত্রটা শক্ত করতে পারলে বড় ম্যাচেও ভালো করব।’
দেশের মাটিতে পাকিস্তানের বিপক্ষে সাড়ে তিনশ’ রান তাড়া করে জয় পেয়েছে ইংলিশরা। এছাড়া ৪৪৪ রানের সর্বোচ্চ রানের ইনিংসটাও করেছে তারা। আর বাংলাদেশ আফগানিস্তানের বিপক্ষেই ২৬৫ রানে অলআউট হয়েছে। রান বাড়ানোর পরিকল্পনা সম্পর্কে মাশরাফি বলেন, ‘আফগানিস্তানের বোলাররা ভালো বোলিং করেছে। তবে আমাদের ব্যাটসম্যানরা যে খেলতে পারছিল না তা নয়। সেট হয়ে তামিম, ইমরুল, রিয়াদ ও সাকিব আউট হয়েছে। বড় স্কোর হতে হলে দু’জনকে বড় ইনিংস খেলতে হয়। সেখানে আমাদের চারজন ভালো শুরু করেও বড় স্কোর করতে পারেনি। ২৮০, ২৯০ থেকে ৩০০ করারও সুযোগ ছিল। সেট হয়ে আউট হয়ে যাওয়ায় তা সম্ভব হয়নি।’ মাশরাফি বলেন, ‘আমাদের জন্য প্রতিটি ম্যাচই গুরুত্বপূর্ণ। দ্বিতীয় ম্যাচ জিতলে সিরিজ নিশ্চিত হয়ে যাবে। এজন্য দ্বিতীয় ম্যাচ গুরুত্বপূর্ণ।’ মাশরাফি জানালেন, ‘এ’ দল বা ক্লাবের খেলা যাই হোক না কেন, আন্তর্জাতিক ম্যাচের আবহ অন্যকিছুতে পাওয়া যাবে না। দল চাপে থাকলেও তার কাজটা সহজ। কোনো কিছু জটিল করার চেষ্টা করেন না। তিনি বলেন, ‘আসলে কিছু জটিল করে তুলতে চাই না। বোলিং ও সিদ্ধান্তগুলো স্বাভাবিকভাবে নেয়ার চেষ্টা করি। এ দুটোতেই আমার ফোকাস থাকে। আলাদা আলাদা করে প্রতিটি কাজ করার চেষ্টা করি।’

No comments:
Post a Comment