সমুদ্র সম্পদ রক্ষা এবং সম্ভাবনাকে কাজে
লাগাতে প্রয়োজনে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ নিয়ে আসার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।
এছাড়া ব্যাপক গবেষণার প্রয়োজন রয়েছে। সেই সঙ্গে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি
বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করার তাগিদ দেয়া হয়েছে। বুধবার ব্লু-ইকোনমি বিষয়ক
আন্তঃমন্ত্রণালয় কর্মশালায় বক্তারা এ তাগিদ দেন। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের
এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন পরিকল্পনামন্ত্রী
আহম মুস্তফা কামাল। কর্মশালায় বাংলাদেশ সমুদ্র সম্পদ আহরণ ও সুষ্ঠু
ব্যবস্থাপনা বিষয়ক কর্মপরিকল্পনা সমন্বিত প্রতিবেদনে বলা হয়, সমুদ্র
দূষণরোধ, সমুদ্র সম্পদ আহরণ ও সমুদ্র সম্পদের পরিবেশগত ব্যবস্থাপনার
লক্ষ্যে উপকূলীয় অঞ্চলে সৃজিত আন্ডারপ্লান্টিং বাগানে স্থায়ী নমুনা প্লট
স্থাপনের মাধ্যমে ম্যানগ্রোভ প্রজাতির যেমন সুন্দরী, পশুর, গেওয়া, গরান,
হেতাল, কাঁকড়া, খলসী ইত্যাদির গ্রোথ এন্ড ইল্ড নির্ণয় করা প্রয়োজন। বলা
হয়েছে, ব্লু-ইকোনমির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে ব্যাপক গবেষণার প্রয়োজন।
বঙ্গোপসাগরের উপর যে কোনো গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার আগে সি বেড
ট্রপোগ্রাফি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাছাড়া সমুদ্র বায়ুপ্রবাহ ও বিদ্যুৎ
শক্তিও টাইডাল শক্তি উৎপাদনের নতুন উৎস। আবার সমুদ্র বায়ুপ্রবাহ ও বিদ্যুৎ
শক্তিতে রূপান্তর করা গেলে উপকূলীয় অঞ্চলের বিদ্যুৎ ঘাটতি পূরণ করা যেতে
পারে। বলা হয়েছে, দ্বীপগুলোর মানোন্নয়ন এবং অ্যাকোটুরিজম পার্ক নির্মাণের
মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন করে জাতীয় উন্নয়নে অবদান রাখতে পারে। সমুদ্রের
নানা প্রজাতির মাছ, শৈবাল, গ্যাস সম্পদসহ বিভিন্ন সম্ভাবনা কাজে লাগাতে এখন
থেকেই দ্রুত উদ্যোগ নেয়ার কথা বলা হয়েছে। পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন,
গবেষণা-জাহাজ তৈরিসহ বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়নে আমাদের ৫ বছর নয়, ৫ দিনও
অপেক্ষা করার সময় নেই। সুতরাং দ্রুত কীভাবে সমুদ্র সম্পদ রক্ষা ও এসব সম্পদ
কাজে লাগানো যায় সেজন্য প্রয়োজনে বিদেশ থেকে বিশেষজ্ঞ আনতে হবে। কেননা
বিশ্বে যারা এসব নিয়ে কাজ করছে সেসব দেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে।
No comments:
Post a Comment