ভারতের গোয়াতে ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে
সন্ত্রাসবাদ ইস্যুতে পাকিস্তানকে তীব্র আক্রমণ করেছে ভারত। দিনভর আলোচনায়
পাকিস্তান নিয়ে সুর চড়িয়ে সীমান্তপার সন্ত্রাসকেই ব্রিকসের মূল আলোচ্য করে
তুলতে সক্রিয় ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কিন্তু বেলাশেষে
ব্রিকসের ঘোষণাপত্রে অনুপস্থিত রয়ে গেল ‘সীমান্তপারের সন্ত্রাস’। পাঁচ
সদস্য রাষ্ট্র একমত হয়ে যে গোয়া ঘোষণা জারি করেছে, তাতে সার্বিকভাবে
সন্ত্রাসবাদের নিন্দা থাকলেও পাকিস্তানকে সরাসরি বিব্রত করতে পারে, এমন
কোনো মন্তব্য ঠাঁই পায়নি। খবর দ্য টাইমস অব ইন্ডিয়া ও ইন্ডিয়ান
এক্সপ্রেসের।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড়সড় পরিকল্পনার করেছিলেন মোদি। তবে এতে বাধ সাধল চীন ও রাশিয়া। এ কারণেই সন্ত্রাস প্রসঙ্গে আইএস বা সিরিয়ার জঙ্গি সংগঠন আল-নুসরার নাম ব্রিকস ঘোষণাপত্রে ঠাঁই পেলেও পাক জঙ্গিগোষ্ঠী জাইশ ও লস্করের নাম স্থান পেল না। বিশ্লেষকরা বলছেন, চীনের উপস্থিতিতে সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করা ভারতের জন্য একটা অসম্ভব ব্যাপার। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব অমর সিনহা বলেন, ব্রিকসভুক্ত দেশগুলো এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। তিনি বলেন, পাকিস্তানভিত্তিক সংগঠনগুলোর নজর হচ্ছে ভারতের দিকে। এটা তাদের উদ্বেগের কারণ নয়। প্রকৃতপক্ষে এটা আমাদের প্রভাবিত করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি পাকিস্তানের নাম উল্লেখ না করেই দেশটিকে সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বড়সড় পরিকল্পনার করেছিলেন মোদি। তবে এতে বাধ সাধল চীন ও রাশিয়া। এ কারণেই সন্ত্রাস প্রসঙ্গে আইএস বা সিরিয়ার জঙ্গি সংগঠন আল-নুসরার নাম ব্রিকস ঘোষণাপত্রে ঠাঁই পেলেও পাক জঙ্গিগোষ্ঠী জাইশ ও লস্করের নাম স্থান পেল না। বিশ্লেষকরা বলছেন, চীনের উপস্থিতিতে সম্মেলনের ঘোষণাপত্রে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদের জন্য পাকিস্তানকে দায়ী করা ভারতের জন্য একটা অসম্ভব ব্যাপার। ভারতের পররাষ্ট্র সচিব অমর সিনহা বলেন, ব্রিকসভুক্ত দেশগুলো এ বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারেনি। তিনি বলেন, পাকিস্তানভিত্তিক সংগঠনগুলোর নজর হচ্ছে ভারতের দিকে। এটা তাদের উদ্বেগের কারণ নয়। প্রকৃতপক্ষে এটা আমাদের প্রভাবিত করেছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি পাকিস্তানের নাম উল্লেখ না করেই দেশটিকে সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘর হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
সন্ত্রাসবাদের মদদদাতা
হিসেবে পাকিস্তানকে কূটনৈতিকভাবে কোণঠাসা করাটা কতখানি প্রয়োজন, চীন ও
রাশিয়াসহ ব্রিকসের অন্য সদস্যদের তা বোঝানোর জন্যও ভারত সাধ্যমতো চেষ্টা
চালিয়েছে। ভারতশাসিত কাশ্মীরের উরিতে জঙ্গি হামলার পর থেকেই সন্ত্রাসবাদ
মোকাবেলার প্রশ্নে ভারতের সঙ্গে চীন ও রাশিয়ার মতবিরোধের বিষয়টি সামনে চলে
এসেছিল। উরির হামলার জন্য ভারত সরাসরি পাকিস্তানকে দায়ী করলেও বেইজিং তাদের
পুরনো মিত্র ইসলামাবাদের পাশেই দাঁড়িয়েছে। এমনকি জয়েশ-ই-মোহাম্মদের নেতা
মাসুদ আজহারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার ক্ষেত্রেও জাতিসংঘে বাদ সেধেছে চীন।
শুধু ব্রিকস বা বিমসটেকের মঞ্চে নয়, দ্বিপাক্ষিক আলোচনাতেও পাক মদদপুষ্ট
সন্ত্রাস নিয়ে আলোচনা চালিয়ে গিয়েছেন মোদি। চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের
সঙ্গে মোদির বৈঠকেও পাকিস্তানকে কোণঠাসা করার প্রবল প্রয়াসের পূর্বাভাস
পাওয়ায় তাতে জল ঢেলে দেয় বেইজিং। অন্যদিকে, ভারতের সঙ্গে ১৬টি চুক্তি করলেও
পাকিস্তানের সঙ্গে সদ্য যৌথ সামরিক মহড়া চালিয়ে আসা মস্কো দেশটির বিরুদ্ধে
কোনো পদক্ষেপ নেবে না এটা স্পষ্ট। বৈঠকেই পুতিন জানিয়ে দেন, পাকিস্তানের
নাম করে কড়া শব্দ ঘোষণাপত্রে ব্যবহার করায় তাদের সম্মতি নেই।
এর পরেও অবশ্য পাকিস্তানকে ছেড়ে কথা বলছেন না মোদি। চীন এবং রাশিয়ার মনোভাব বুঝেও সন্ত্রাস প্রশ্নে পাকিস্তানকে একঘরে করে ফেলতে দিনভর ঝাঁজালো ভাষায় তাদের নিশানা করেছেন তিনি। ব্রিকসের সভায় মোদি তার প্রারম্ভিক এবং সমাপ্তি বক্তৃতায় আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস প্রশ্নে ইসলামাবাদকে ঘায়েল করেছেন। আবার রাতে বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকেও ইসলামাবাদকে নিশানা করেছেন তিনি। ব্রিকস এবং বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে সরাসরি পাকিস্তানের নাম না করে মোদির বার্তা, ‘এখন আর কথা নয়। এখন সময় কাজ করে দেখানোর।’ মোদি বলেন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় বেছে বেছে এগোনোর কোনো সুযোগ নেই। এদিকে, উরিতে হামলার পর ভারতের দাবি অনুযায়ী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত যৌথ সামরিক মহড়া বাতিল করেনি রাশিয়া। ফলে ওই হামলার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে যখন গোয়াতে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষ নেতারা মিলিত হন, তখনই ধারণা করা হয়েছিল নিজেদের মতো করে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার প্রশ্নে বিশেষত চীন ও রাশিয়াকে পাশে পেতে ভারত সর্বাত্মক চেষ্টা চালাবে।
এর পরেও অবশ্য পাকিস্তানকে ছেড়ে কথা বলছেন না মোদি। চীন এবং রাশিয়ার মনোভাব বুঝেও সন্ত্রাস প্রশ্নে পাকিস্তানকে একঘরে করে ফেলতে দিনভর ঝাঁজালো ভাষায় তাদের নিশানা করেছেন তিনি। ব্রিকসের সভায় মোদি তার প্রারম্ভিক এবং সমাপ্তি বক্তৃতায় আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাস প্রশ্নে ইসলামাবাদকে ঘায়েল করেছেন। আবার রাতে বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর নেতাদের সঙ্গে বৈঠকেও ইসলামাবাদকে নিশানা করেছেন তিনি। ব্রিকস এবং বিমসটেকভুক্ত দেশগুলোর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠকে সরাসরি পাকিস্তানের নাম না করে মোদির বার্তা, ‘এখন আর কথা নয়। এখন সময় কাজ করে দেখানোর।’ মোদি বলেন, সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলায় বেছে বেছে এগোনোর কোনো সুযোগ নেই। এদিকে, উরিতে হামলার পর ভারতের দাবি অনুযায়ী পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে পূর্বনির্ধারিত যৌথ সামরিক মহড়া বাতিল করেনি রাশিয়া। ফলে ওই হামলার এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে যখন গোয়াতে ব্রিকসভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষ নেতারা মিলিত হন, তখনই ধারণা করা হয়েছিল নিজেদের মতো করে সন্ত্রাসবাদ মোকাবেলার প্রশ্নে বিশেষত চীন ও রাশিয়াকে পাশে পেতে ভারত সর্বাত্মক চেষ্টা চালাবে।

No comments:
Post a Comment