দেশের সর্ববৃহৎ স্থলবন্দর বেনাপোলের ২৩
নম্বর শেডে আগুন লেগেছে। এই শেডে রাসায়নিক ও মেশিনারি পার্টস, মোটর পার্টস,
গামেন্টসের কাঁচামাল মজুদ ছিল। বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের
সূত্রপাত হয় বলে বন্দরের পরিচালক নিতাই চন্দ্র সেন জানিয়েছেন। তিনি জানান,
রোববার ভোর ৫টায় আগুনের সূত্রপাত হয়। খবর পেয়ে ফায়ার ব্রিগেড বেনাপোল
স্টেশনের একটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে। পরে ঝিকরগাছা, যশোর ও
মণিরামপুরের আরও কয়েকটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। এ
রিপোর্ট লেখার সময় আগুন অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা
বলছেন। তবে এখনও পুরোপুরি নেভেনি। বন্দরের ২৩ নম্বর শেডে মূলত রাসায়নিক
দ্রব্যাদি রাখা হয়।
আগুনে সেগুলো তো
পুড়েছেই, উপরন্তু পাশে খোলা আকাশের নিচে রাখা অন্যান্য কিছু মালামালও আগুনে
পুড়ে গেছে। এতে কোটি কোটি টাকা ক্ষতির আশংকা করা হচ্ছে। বন্দরের অভ্যন্তরে
থাকা পণ্যবাহী কয়েকটি ভারতীয় ট্রাক আগুনে পুড়ে গেছে। বন্দরের পাশে বেনাপোল
পোর্ট থানার একাংশ পুড়ে গেছে। বন্দর কর্তৃপক্ষ বলছে, আগুন নিয়ন্ত্রণে
আনাই এখন তাদের প্রধান কাজ। ক্ষয়ক্ষতি নিরুপণ করা হবে পরে। বেনাপোল
সিঅ্যান্ডএফ এজেন্টস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সুজন বলেছেন,
পরিকল্পিতভাবে আগুন লাগানোর সন্দেহ উড়িয়ে দেয়া যায় না। ইতিপূর্বেও বেনাপোল
বন্দরে এভাবে সন্দেহজনক আগুন লেগেছে। প্রতিবারই বন্দর কর্তৃপক্ষ
শর্টসার্কিটের মাধ্যমে আগুনের সূত্রপাত বলে জানান। বন্দরে আগুনের খবর পেয়ে
যশোর জেলা প্রশাসক, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, শার্শা উপজেলা ইউএন ঘটনাস্থল
পরিদর্শন করেছেন।

No comments:
Post a Comment