কদিন
আগেও ছিলেন বয়সভিত্তিক দলের অধিনায়ক। তার নেতৃত্বে অনুর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের
দুটি আসরে অংশ নিয়েছে বাংলাদেশ। শিরোপা জিততে না পারলেও দুটি আসরেই নিজের
জাত চিনিয়েছেন মেহেদি হাসান মিরাজ।
বয়ষভিত্তিক ক্রিকেট থেকে সেই মিরাজ এখন টেস্ট দলের সদস্য। ৬ উইকেট তুলে নিয়ে মিরাজ আলো ছড়িয়েছিলেন অভিষেক টেস্টেই। অভিষেক টেস্টেই এক ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়েও রেকর্ডটা শুধুই নিজের করে নিতে পারেননি এই অলরাউন্ডার। এই তালিকায় তাঁর সঙ্গে আছেন বাংলাদেশের আরও ৪ বোলার। তবে দ্বিতীয় টেস্টে নিজেকে নতুন উচ্চতায় তুলে নিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে ক্যারিয়ারের প্রথম দুই টেস্টেই নিলেন ৫ উইকেট! মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন বিকেলে ২ উইকেট নিয়েছিলেন মিরাজ। অসাধারণ বোলিংয়ে দ্বিতীয় দিন সকালে নিয়ে নেন আরও ৩ উইকেট। চট্টগ্রাম টেস্টে অভিষেক ইনিংসে ৮০ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন মিরাজ। দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছিলেন ১ উইকেট। মিরাজের আগে অভিষেকে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন বাংলাদেশের ৬ জন বোলার। দ্বিতীয় টেস্টে তাদের কেউ ৫ উইকেট কেন, নিতে পারেননি ৪ উইকেটও। মাহমুদউল্লাহর ৪৪ রানে ৩ উইকেট ছিল আগের সেরা।
২০০০ সালে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টেই ভারতের বিপক্ষে ৬ উইকেট পেয়েছিলেন নাঈমুর রহমান দূর্জয়। বাংলাদেশের সেই সময়ের অধিনায়ক পরের টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বুলাওয়েতে একমাত্র ইনিংসে ১ উইকেট নিয়েছিলেন ৭৪ রানে। বুলাওয়ের সেই টেস্টেই ৬ উইকেট নিয়ে অভিষেক মঞ্জুরুল ইসলামের। বাঁহাতি পেসার পরে টেস্টে হারারেতে ছিলেন উইকেটশূন্য। মাহমুদউল্লাহর অভিষেক ওয়েস্ট ইন্ডিজে। অভিষেকে ৫ উইকেট আর ম্যাচে ৮ উইকেটের পর দারুণ বোলিং করেছিলেন দ্বিতীয় টেস্টেও। প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন ৪৪ রানে, পরে ইনিংসে ৩৭ রানে একটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই চট্টগ্রামে ২০১১ সালে অভিষেকে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন ইলিয়াস সানি। অসুস্থতার কারণে সিরিজের পরের টেস্টটি খেলতে পারেননি বাঁহাতি স্পিনার। পরের টেস্ট খেলেন চট্টগ্রামেই পাকিস্তানের বিপক্ষে, একমাত্র ইনিংসে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন ১২৩ রানে। আবারও ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আবারও বাংলাদেশের একজন অভিষিক্ত বোলারের ৬ উইকেট। ২০১২ সালে মিরপুরে সোহাগ গাজী নেন ৭৪ রানে ৬ উইকেট। অভিষেকে যা এখনও বাংলাদেশের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। পরের টেস্টে খুলনায় প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন ১৬৭ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে এক ওভারে ৮ রান দিয়ে উইকেটশূন্য। মিরাজের আগে অভিষেকে ৫ উইকেট পাওয়া বাংলাদেশের সবশেষ বোলার ছিলেন তাইজুল ইসলাম। যথারীতি প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ! দ্বিতীয় টেস্টে তাইজুলের পারফরম্যান্স ছিল প্রথম ইনিংসে ৮৯ রানে ২ উইকেট, দ্বিতীয় ইনিংসে ৮১ রানে একটি। মিরাজ ছাড়িয়ে গেলেন পূর্বসূরিদের সবাইকে।
মিরাজের সামনে আরও একটি রেকর্ডের হাতছানি। ক্যারিয়ারের প্রথম দুই টেস্টে ১২ উইকেট নিয়ে এখন তিনি সোহাগ গাজী ও মাহমুদউল্লার পাশে। আর একটি উইকেট নিলেই ক্যারিয়ারের প্রথম দুই টেস্টে সবচেয়ে বেশি উইকেট পাওয়া বাংলাদেশি বোলার হবেন মিরাজ। সেটা হয়ে যেতে পারে আজই।
বয়ষভিত্তিক ক্রিকেট থেকে সেই মিরাজ এখন টেস্ট দলের সদস্য। ৬ উইকেট তুলে নিয়ে মিরাজ আলো ছড়িয়েছিলেন অভিষেক টেস্টেই। অভিষেক টেস্টেই এক ইনিংসে ৬ উইকেট নিয়েও রেকর্ডটা শুধুই নিজের করে নিতে পারেননি এই অলরাউন্ডার। এই তালিকায় তাঁর সঙ্গে আছেন বাংলাদেশের আরও ৪ বোলার। তবে দ্বিতীয় টেস্টে নিজেকে নতুন উচ্চতায় তুলে নিলেন মেহেদী হাসান মিরাজ। বাংলাদেশের প্রথম বোলার হিসেবে ক্যারিয়ারের প্রথম দুই টেস্টেই নিলেন ৫ উইকেট! মিরপুর টেস্টের প্রথম দিন বিকেলে ২ উইকেট নিয়েছিলেন মিরাজ। অসাধারণ বোলিংয়ে দ্বিতীয় দিন সকালে নিয়ে নেন আরও ৩ উইকেট। চট্টগ্রাম টেস্টে অভিষেক ইনিংসে ৮০ রানে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন মিরাজ। দ্বিতীয় ইনিংসে নিয়েছিলেন ১ উইকেট। মিরাজের আগে অভিষেকে ৫ উইকেট নিয়েছিলেন বাংলাদেশের ৬ জন বোলার। দ্বিতীয় টেস্টে তাদের কেউ ৫ উইকেট কেন, নিতে পারেননি ৪ উইকেটও। মাহমুদউল্লাহর ৪৪ রানে ৩ উইকেট ছিল আগের সেরা।
২০০০ সালে বাংলাদেশের অভিষেক টেস্টেই ভারতের বিপক্ষে ৬ উইকেট পেয়েছিলেন নাঈমুর রহমান দূর্জয়। বাংলাদেশের সেই সময়ের অধিনায়ক পরের টেস্টে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে বুলাওয়েতে একমাত্র ইনিংসে ১ উইকেট নিয়েছিলেন ৭৪ রানে। বুলাওয়ের সেই টেস্টেই ৬ উইকেট নিয়ে অভিষেক মঞ্জুরুল ইসলামের। বাঁহাতি পেসার পরে টেস্টে হারারেতে ছিলেন উইকেটশূন্য। মাহমুদউল্লাহর অভিষেক ওয়েস্ট ইন্ডিজে। অভিষেকে ৫ উইকেট আর ম্যাচে ৮ উইকেটের পর দারুণ বোলিং করেছিলেন দ্বিতীয় টেস্টেও। প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন ৪৪ রানে, পরে ইনিংসে ৩৭ রানে একটি। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষেই চট্টগ্রামে ২০১১ সালে অভিষেকে ৬ উইকেট নিয়েছিলেন ইলিয়াস সানি। অসুস্থতার কারণে সিরিজের পরের টেস্টটি খেলতে পারেননি বাঁহাতি স্পিনার। পরের টেস্ট খেলেন চট্টগ্রামেই পাকিস্তানের বিপক্ষে, একমাত্র ইনিংসে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন ১২৩ রানে। আবারও ওয়েস্ট ইন্ডিজ, আবারও বাংলাদেশের একজন অভিষিক্ত বোলারের ৬ উইকেট। ২০১২ সালে মিরপুরে সোহাগ গাজী নেন ৭৪ রানে ৬ উইকেট। অভিষেকে যা এখনও বাংলাদেশের সেরা বোলিংয়ের রেকর্ড। পরের টেস্টে খুলনায় প্রথম ইনিংসে ৩ উইকেট নিয়েছিলেন ১৬৭ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে এক ওভারে ৮ রান দিয়ে উইকেটশূন্য। মিরাজের আগে অভিষেকে ৫ উইকেট পাওয়া বাংলাদেশের সবশেষ বোলার ছিলেন তাইজুল ইসলাম। যথারীতি প্রতিপক্ষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ! দ্বিতীয় টেস্টে তাইজুলের পারফরম্যান্স ছিল প্রথম ইনিংসে ৮৯ রানে ২ উইকেট, দ্বিতীয় ইনিংসে ৮১ রানে একটি। মিরাজ ছাড়িয়ে গেলেন পূর্বসূরিদের সবাইকে।
মিরাজের সামনে আরও একটি রেকর্ডের হাতছানি। ক্যারিয়ারের প্রথম দুই টেস্টে ১২ উইকেট নিয়ে এখন তিনি সোহাগ গাজী ও মাহমুদউল্লার পাশে। আর একটি উইকেট নিলেই ক্যারিয়ারের প্রথম দুই টেস্টে সবচেয়ে বেশি উইকেট পাওয়া বাংলাদেশি বোলার হবেন মিরাজ। সেটা হয়ে যেতে পারে আজই।
>>>মানবজমিন
No comments:
Post a Comment