অবরুদ্ধ
মসুল এখন বিষাক্ত নগরী। সালফারের মারণ ধোঁয়া ছড়িয়ে পড়েছে শহরের বাতাসে।
বিষক্রিয়ায় অসুস্থ হয়ে পড়ছে হাজার হাজার মানুষ। এরই মধ্যে দুই ইরাকির
মৃত্যু হয়েছে। হাসপাতালগুলোতে শত শত মানুষের ভিড়। মসুলকে নিজেদের কব্জায়
রাখতে বৃহস্পতিবার শহরের আল-মিশরাক সালফার কারখানায় আগুন ধরিয়ে দেয় আইএস।
সালফার ধোঁয়ায় মিশে থাকা বিষ ছড়িয়ে পড়ে শহরের বাতাসে। পরদিন থেকেই তার
প্রতিক্রিয়া শুরু হয়। শনিবার থেকে সালফার বিষক্রিয়া প্রকট আকার ধারণ করে।
বাতাসে দূষণের তীব্রতা এতটাই বেড়েছে যে, মসুল পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে নামা ইরাকি ও মার্কিন সেনারা প্রতিরোধক মাস্ক ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। ইরাকের সেনাবাহিনী ও স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মকর্তাদের বক্তব্যকে উদৃব্দত করে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো খবরটি নিশ্চিত করেছে। শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর ইরাকের কেন্দ্রীয় পুলিশের মুখপাত্র জানান, ওই দিনও দমকল বাহিনী সালফার কারখানার আগুন নেভানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। জ্বলন্ত ওই খনি থেকে বিষাক্ত ধোঁয়া চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে শ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতা দেখা দিচ্ছে। বিবিসি বলছে, ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন অভিযান চলার সময়ও আল-মিশরাক খনির বেশিরভাগ অংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। খনির আর ১০ শতাংশ সালফার অবশিষ্ট রয়েছে। বিষাক্ত গ্যাসের কারণে স্থানীয়দের কাশিতে ভুগতে হচ্ছে এবং তাদের চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। অসুস্থদের হাসপাতালে অক্সিজেন দেওয়ার মাধ্যমে সেবা দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, মসুল নগরীর কাছে বাশিকা শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের পেশমারগা সেনারা অভিযান শুরু করেছে। পেশমারগা কমান্ড থেকে পোস্ট করা টুইট থেকে খবরটি নিশ্চিত করেছে আলজাজিরা। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাশিকার কাছের একটি ক্যাম্পে তুরস্কের ৫০০ সেনা অবস্থান নিয়েছে। শনিবার বাগদাদে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাশটন কার্টারের সঙ্গে এক বৈঠকের পর ইরাকি প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি জানি তুরস্ক অভিযানে অংশ নিতে চায়। আমি তাদের এর জন্য ধন্যবাদ জানাব।
বাতাসে দূষণের তীব্রতা এতটাই বেড়েছে যে, মসুল পুনরুদ্ধারের লড়াইয়ে নামা ইরাকি ও মার্কিন সেনারা প্রতিরোধক মাস্ক ব্যবহার করতে বাধ্য হচ্ছেন। ইরাকের সেনাবাহিনী ও স্বাস্থ্যবিষয়ক কর্মকর্তাদের বক্তব্যকে উদৃব্দত করে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো খবরটি নিশ্চিত করেছে। শনিবার ঘটনাস্থল পরিদর্শনের পর ইরাকের কেন্দ্রীয় পুলিশের মুখপাত্র জানান, ওই দিনও দমকল বাহিনী সালফার কারখানার আগুন নেভানোর কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল। জ্বলন্ত ওই খনি থেকে বিষাক্ত ধোঁয়া চারপাশে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে শ্বাস-প্রশ্বাসে জটিলতা দেখা দিচ্ছে। বিবিসি বলছে, ২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন নেতৃত্বাধীন অভিযান চলার সময়ও আল-মিশরাক খনির বেশিরভাগ অংশ আগুনে পুড়ে গিয়েছিল। খনির আর ১০ শতাংশ সালফার অবশিষ্ট রয়েছে। বিষাক্ত গ্যাসের কারণে স্থানীয়দের কাশিতে ভুগতে হচ্ছে এবং তাদের চোখ দিয়ে পানি পড়ছে। অসুস্থদের হাসপাতালে অক্সিজেন দেওয়ার মাধ্যমে সেবা দেওয়া হচ্ছে। এদিকে, মসুল নগরীর কাছে বাশিকা শহরের নিয়ন্ত্রণ নিতে কুর্দিস্তান আঞ্চলিক সরকারের পেশমারগা সেনারা অভিযান শুরু করেছে। পেশমারগা কমান্ড থেকে পোস্ট করা টুইট থেকে খবরটি নিশ্চিত করেছে আলজাজিরা। প্রতিবেদনে বলা হয়, বাশিকার কাছের একটি ক্যাম্পে তুরস্কের ৫০০ সেনা অবস্থান নিয়েছে। শনিবার বাগদাদে মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যাশটন কার্টারের সঙ্গে এক বৈঠকের পর ইরাকি প্রধানমন্ত্রী বলেন, 'আমি জানি তুরস্ক অভিযানে অংশ নিতে চায়। আমি তাদের এর জন্য ধন্যবাদ জানাব।
>>>সমকাল
No comments:
Post a Comment