যান্ত্রিক
ত্রুটিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনাকে বহনকারী বিমান তুর্কেমেনিস্তানের আশখাবাদে জরুরি অবতরণের ঘটনা
তদন্তে দুটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী
রাশেদ খান মেনন সোমবার সচিবালয়ে নিজ দফতরে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।
জ্বালানির চাপ কমে যাওয়ায় বিমান জরুরিভাবে অবতরণ করতে হয়েছিল বলেও
জানিয়েছেন তিনি।
মন্ত্রী জানান, বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রধান
কারিগরি কর্মকর্তা ক্যাপ্টেন ফজল মাহমুদ চৌধুরীর নেতৃত্বে চার সদস্য
বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। অপর কমিটি করা হয়েছে বেসামরিক বিমান
পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব স্বপন কুমার সরকারের নেতৃত্বে।
তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী দায়িদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান
বিমানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের কমিটিকে ১
ডিসেম্বরের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দিতে বলা হয়েছে।’
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের তদন্ত কমিটিতে সদস্য হিসেবে আছেন- ক্যাপ্টেন
শোয়েব চৌধুরী, ইঞ্জিনিয়ার মো. হানিফ ও ইঞ্জিনিয়ার নিরঞ্জন রায়। তবে বিমান ও
পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তদন্ত কমিটির সদস্যদের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানাতে
পারেননি বিমানমন্ত্রী। রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘যেটা হয়েছিল,
ইঞ্জিনের ফুয়েল
প্রেসার (জ্বালানির চাপ) কমে যাচ্ছিল। এক্ষেত্রে নিয়ম হচ্ছে যে, নিয়ারেস্ট
(সবচেয়ে কাছের) এয়ারপোর্টে ল্যান্ড (অবতরণ) করতে হয়। সেই হিসেবে
তুর্কেমেনিস্তানের আশখাবাদ ল্যান্ড করেছিল প্লেন। সেখানেই আমাদের
ইঞ্জিনিয়াররা প্লেনটি সারিয়ে চার ঘণ্টা পর আবার ফ্লাই করেছে। প্রধানমন্ত্রী
সেই ফ্লাইটেই রাত ১১টা ৫ মিনিটে বুদাপেস্টে পৌঁছান।’ ‘গতকাল পর্যন্ত
আমাদের কনসার্ন ছিল মূলত প্রধানমন্ত্রী সেফলি (নিরাপদে) পৌঁছেছেন কিনা।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাঙ্গেরির প্রেসিডেন্ট ড. জানোস এডারের
আমন্ত্রণে বুদাপেস্ট পানি শীর্ষ সম্মেলন-২০১৬-তে অংশ নিতে চারদিনের সফরে
রবিবার ঢাকা ত্যাগ করেন। সকাল ৯টায় বাংলাদেশ বিমানের একটি বিশেষ ফ্লাইটে
করে প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীরা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে
যান।

No comments:
Post a Comment