বিশ্বব্যাংকের
অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন ৭ প্রকল্পের কেনাকাটায় জটিলতা দেখা দিয়েছে। এ
ক্ষেত্রে সরকারের ক্রয় বিধিবিধান এবং বিশ্বব্যাংকের ক্রয় গাইডলাইনের মধ্যে
বেশকিছু বিষয়ে মতপার্থক্য রয়েছে বলে জানা গেছে। ফলে প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়ন
বাধাগ্রস্ত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে সমস্যা সমাধানে বৈঠকে বসছে অর্থনৈতিক
সম্পর্ক বিভাগ (ইআরডি) এবং বিশ্বব্যাংক। আজ মঙ্গলবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে
অবস্থিত বিশ্বব্যাংক কার্যালয়ে দু’দিনের এ বৈঠক শুরু হচ্ছে। এতে নেতৃত্ব
দেবেন ইআরডির অতিরিক্ত সচিব ও বিশ্বব্যাংক উইং প্রধান কাজী শফিকুল আজম ও
বিশ্বব্যাংকের অপারেশন ম্যানেজার রাজশ্রী পারালকার। বৈঠকের মধ্য দিয়ে এসব
প্রকল্পে কেনাকাটায় যে ধরনের জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে সেগুলো পর্যালোচনা করা
হবে।
সেইসঙ্গে আগামীতে নতুন প্রকল্প
হাতে নেয়ার ক্ষেত্রে যাতে একই ধরনের সমস্যার সৃষ্টি না হয় সে জন্য আগে
থেকেই সতর্ক থাকার বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসবে বলে অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগ
সূত্রে জানা গেছে। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে স্পষ্ট করে ইআরডির কোনো
কর্মকর্তাই কথা বলতে চাননি। তবে সংস্থাটির দায়িত্বশীল একটি সূত্র
যুগান্তরকে জানায়, এটি খুবই স্বাভাবিক ব্যাপার। বিশ্বব্যাংকের নতুন ক্রয়
নীতিমালার পুরোপুরি কার্যকর হলে হয়তো সেসব জটিলতা সহজে কেটে যাবে। তিনি
জানান, এখনও নতুন ক্রয় নীতিমালা আনুষ্ঠানিকভাবে ইআরডিকে দেয়নি বিশ্বব্যাংক।
তবে এটি প্রকাশ করা হবে একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে। ওই সূত্রটি জানায়,
ইতিমধ্যে এসব প্রকল্পে জটিলতা নিরসনে কী ধরনের ব্যবস্থার প্রয়োগ করা হয়েছিল
সেসবও পর্যালোচনা করা হবে।
আলোচনার তালিকায় থাকা প্রকল্পগুলো হচ্ছে : রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন-২ প্রজেক্ট, কোস্টাল ইমব্যাঙ্কমেন্ট ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট, সেফটি নেট সিস্টেম ফর দ্য পুওরেস্ট, সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার প্ল্যান্ট, এনএটিপি ফেজ-২ প্রজেক্ট, ইনকাম সাপোর্ট প্রোগ্রাম ফর দ্য পুওরেস্ট এবং মিউনিসিপ্যাল গভর্ন্যান্স অ্যান্ড সার্ভিস প্রজেক্ট। এসব প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হবে আগামীকাল বুধবার। আজ মঙ্গলবার বৈঠকের প্রথম দিন আলোচনা হবে বিভিন্ন প্রকল্পে ভ্যাট ও করসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে। সূত্র জানায়, শুধু বিশ্বব্যাংকের গাইডলাইনের কারণে অনেক ক্ষেত্রে অনিয়ম না হলেও প্রকল্পের কেনাকাটায় মিস প্রকিউরমেন্ট ঘোষণা করা হয়। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সরকারি ক্রয় আইন বা বিধিমালা অনুযায়ী কেনাকাটা ঠিক আছে বলে ব্যাখ্যা দিলেও কাজ হয় না। ইতিমধ্যে বিভিন্ন কারণে মিস প্রকিউরমেন্ট ঘোষিত কয়েকটি প্রকল্প হচ্ছে- ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট ইমপ্র“ভমেন্ট প্রজেক্ট থেকে ফেরত চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ৯৮ হাজার ১৫৭ কোটি টাকা; সোশ্যাল ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম প্রজেক্ট-২ থেকে ২২ লাখ ৫৪ হাজার ২৪৬ টাকা; ক্লিন এয়ার অ্যান্ড সাসটেইনেবল এনভায়রনমেন্ট প্রকল্পের দুটি অংশ থেকে মোট প্রায় ৯ লাখ ২১ হাজার টাকা;
আলোচনার তালিকায় থাকা প্রকল্পগুলো হচ্ছে : রিচিং আউট অব স্কুল চিলড্রেন-২ প্রজেক্ট, কোস্টাল ইমব্যাঙ্কমেন্ট ইমপ্রুভমেন্ট প্রজেক্ট, সেফটি নেট সিস্টেম ফর দ্য পুওরেস্ট, সিদ্ধিরগঞ্জ পাওয়ার প্ল্যান্ট, এনএটিপি ফেজ-২ প্রজেক্ট, ইনকাম সাপোর্ট প্রোগ্রাম ফর দ্য পুওরেস্ট এবং মিউনিসিপ্যাল গভর্ন্যান্স অ্যান্ড সার্ভিস প্রজেক্ট। এসব প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হবে আগামীকাল বুধবার। আজ মঙ্গলবার বৈঠকের প্রথম দিন আলোচনা হবে বিভিন্ন প্রকল্পে ভ্যাট ও করসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে। সূত্র জানায়, শুধু বিশ্বব্যাংকের গাইডলাইনের কারণে অনেক ক্ষেত্রে অনিয়ম না হলেও প্রকল্পের কেনাকাটায় মিস প্রকিউরমেন্ট ঘোষণা করা হয়। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে সরকারি ক্রয় আইন বা বিধিমালা অনুযায়ী কেনাকাটা ঠিক আছে বলে ব্যাখ্যা দিলেও কাজ হয় না। ইতিমধ্যে বিভিন্ন কারণে মিস প্রকিউরমেন্ট ঘোষিত কয়েকটি প্রকল্প হচ্ছে- ওয়াটার ম্যানেজমেন্ট ইমপ্র“ভমেন্ট প্রজেক্ট থেকে ফেরত চাওয়া হয়েছে ৪ লাখ ৯৮ হাজার ১৫৭ কোটি টাকা; সোশ্যাল ইনভেস্টমেন্ট প্রোগ্রাম প্রজেক্ট-২ থেকে ২২ লাখ ৫৪ হাজার ২৪৬ টাকা; ক্লিন এয়ার অ্যান্ড সাসটেইনেবল এনভায়রনমেন্ট প্রকল্পের দুটি অংশ থেকে মোট প্রায় ৯ লাখ ২১ হাজার টাকা;
এভিয়ান
ইনফ্লুয়েঞ্জা প্রিপার্ডনেস অ্যান্ড রেসপন্স প্রকল্প থেকে ৩ লাখ ৫৫ হাজার
৯১৯ টাকা; হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি ইমপ্র“ভমেন্ট প্রজেক্টের তিন অংশের
কেনাকাটা থেকে মোট ১ কোটি ৪৩ লাখ টাকা; ডিজঅ্যাবিলিটি অ্যান্ড চিলড্রেন
অ্যাট রিস্ক প্রজেক্ট থেকে প্রায় ৪৪ লাখ টাকা; উইল্ড লাইফ প্রটেকশন
প্রজেক্ট থেকে ১৫ লাখ ২৯ হাজার টাকা; সেকেন্ড রুরাল ট্রান্সপোর্ট
প্রজেক্টের দুই অংশের কেনাকাটা থেকে মোট প্রায় ২ কোটি টাকা; রিচিং আউট অব
স্কুল চিলড্রেনের দুই প্রকল্প থেকে ৯ লাখ ৯২ হাজার টাকা এবং ন্যাশনাল
এগ্রিকালচার টেকনোলজি প্রজেক্ট থেকে প্রায় দেড় লাখ টাকা ফেরত চাওয়া হয়েছে।
সূত্র জানায়, গত জুলাই মাসে বহুজাতিক উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা বিশ্বব্যাংকের
নতুন ক্রয় নীতিমালা কার্যকর হয়েছে। এর ফলে নিজেদের অর্থায়নে নেয়া প্রকল্পের
ক্রয় কার্যক্রমে আরও গতিশীলতা আসবে বলে মনে করছে সংস্থাটি। বিশ্বব্যাংকের
পরিচালন নীতিমালা ও দেশ সেবা বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট হার্ট স্কেফার ওই
সময় বলেছিলেন, নতুন এ নীতিমালায় বিশ্বব্যাপী অংশীজনের জ্ঞান, দক্ষতা ও
মতামতের প্রতিফলন রয়েছে। এর ফলে বিশ্বব্যাংক এখন অত্যাধুনিক ক্রয় প্রক্রিয়া
নিশ্চিত করতে পারবে। ফলে টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।

No comments:
Post a Comment