কখনো
আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা, কখনো করপোরেট গ্রুপের বড় কর্মকর্তা, কখনো বা
লায়ন ক্লাবের মেম্বার- এ ধরনের ভুয়া পরিচয়ে বিভিন্ন স্থানে গিয়ে প্রতারণা
করেন তিনি। তবে শেষ রক্ষা হয়নি তার। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার
স্বাক্ষর জাল করে তিনি আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে
নিজেকে জাহির করে আসতেন। গোপনে এমন সংবাদ পেয়ে চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা
পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে। রোববার দুপুরে আটক করার পর ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদের
এক পর্যায়ে এই প্রতারক স্বীকার করেন তিনি প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষর জাল
করেছেন। সবকিছু নিশ্চিত হয়ে রাতে তার বিরুদ্ধে নগরীর ডবলমুরিং থানায় মামলা
দায়ের করা হয়। ডবলমুরিং থানার ওসি একেএম মহিউদ্দিন সেলিম রোববার দিবাগত রাত
১২টায় যুগান্তরকে বলেন, প্রতারক সাইফুল আলম টিটোর বিরুদ্ধে এই মাত্র মামলা
রেকর্ড করলাম। মামলা নম্বর ২৭। তারিখ ১৮/১২/১৬। আইসিটি অ্যাক্টের ৫৭ ধারায়
ওই প্রতারকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন মাইনুদ্দিন মনি নামে এক
ভুক্তভোগী। চট্টগ্রাম নগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ কমিশনার (বন্দর) মো.মারুফ
হোসেন বলেন, সাইফুল আলমের কাছ থেকে তিনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও
আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক আব্দুস সোবহান গোলাপের সই করা একটি পরিচয়পত্র
উদ্ধার করেন। পরে কেন্দ্রে যোগাযোগ করে তারা নিশ্চিত হয়েছেন এ ধরনের কোন
পরিচয়পত্র কাউকে ইস্যু করা হয়নি। ওই পরিচয়পত্রের দু’টি স্বাক্ষরই জাল।
পরিচপত্র অনুযায়ী সাইফুল আলম টিটোর বাবার নাম নুরুল আলম চৌধুরী, মা
নুরজাহান বেগম। ঠিকানা ১৬৯৪, আগ্রাবাদ , শেখ মুজিব রোড, চট্টগ্রাম।
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment