ত্বকে
ছোট ছোট লালচে বা গোলাপি গোটাকে বিষফোড়া (furuncle) বা ফুসকুড়ি বলা হয়।
এই ফুলে ওঠা লালচে বিষফোড়ার মধ্যে হলদে বা সাদাটে রঙের পুঁজ জমে, তখন একে
অ্যাবসেস বলে। ত্বকের নিচে প্রথমে সংক্রমণ হয়, চারপাশে ব্যথা হয় এবং
স্পর্শেই ব্যথা বাড়ে। বিশেষ করে পা, মুখের ত্বক বা সংবেদনশীল ত্বকে এ
সমস্যা দেখা যায়। এটা খুব দ্রুত দেহের অন্য স্থানেও ছড়িয়ে পড়ার আশংকা থাকে।
বিশেষজ্ঞের মতে, ক্ষতিগ্রস্ত গুটিকা (follicle), দুর্বল রোগ প্রতিরোধ
ক্ষমতা, ঘাম গ্রন্থিতে সংক্রামন, অপরিষ্কার থাকা, দেহে পুষ্টির অভাব,
ক্রনিক রোগের কারণে বিষফোড়া হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন কারণে ডায়াবেটিক রোগীদের
বিষফোড়া হওয়ার আশংকা বেশি থাকে। তাই তাদের শরীরে ফোড়া দেখা দেয়ার শুরু
থেকেই সতর্ক থাকা উচিত। বিষফোড়া লালচে বা গোলাপি বর্ণের থাকা অবস্থায় আপনি
চাইলে ঘরে বসেই এর সমাধান করতে পারেন। নিম পাতার রসে ৩০ মিনিটের চেষ্টায়
বিষফোড়া সারিয়ে তোলা সম্ভব। নিম পাতায় অ্যান্টিসেপটিক ও
অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান রয়েছে। এই পাতা দেহের বিষফোড়া বা ফোসকা সমস্যা
দ্রুত রোধ করতে পারে। নিম্নে বিস্তারিত আলোচনা করা হল:
* ১০-১২টি নিম পাতা ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। তারপর পেস্ট করে তাতে সামান্য পরিমাণ হলুদের গুঁড়া মেশান। এই পেস্টটি বিষফোড়া আক্রান্ত স্থানে লাগান। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ফোসকা দ্রুত সারিয়ে তুলতে দিনে তিনবার এটি ব্যবহার করুন।
* কয়েকটি নিমপাতা ধুয়ে পানিতে ফুটিয়ে নিন। পানি ঠাণ্ডা হলে আক্রান্ত স্থানটি দিনে তিনবার পরিষ্কার করুন। ফোড়া না কমা পর্যন্ত এই পানি ব্যবহার করুন।
সাবধানতা : এই পদ্ধতিগুলো ব্যবহারের ২ সপ্তাহের পর যন্ত্রণাদায়ক বিষফোড়া বা ফোসকা যদি ভালো না হয়, বা জ্বর আসে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।
* ১০-১২টি নিম পাতা ধুয়ে পরিষ্কার করে নিন। তারপর পেস্ট করে তাতে সামান্য পরিমাণ হলুদের গুঁড়া মেশান। এই পেস্টটি বিষফোড়া আক্রান্ত স্থানে লাগান। ৩০ মিনিট পর ধুয়ে ফেলুন। ফোসকা দ্রুত সারিয়ে তুলতে দিনে তিনবার এটি ব্যবহার করুন।
* কয়েকটি নিমপাতা ধুয়ে পানিতে ফুটিয়ে নিন। পানি ঠাণ্ডা হলে আক্রান্ত স্থানটি দিনে তিনবার পরিষ্কার করুন। ফোড়া না কমা পর্যন্ত এই পানি ব্যবহার করুন।
সাবধানতা : এই পদ্ধতিগুলো ব্যবহারের ২ সপ্তাহের পর যন্ত্রণাদায়ক বিষফোড়া বা ফোসকা যদি ভালো না হয়, বা জ্বর আসে তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন।

No comments:
Post a Comment