আপনাদের
দুঃখ-কষ্ট সব সময় আমাকে তাড়া করে ফেরে। আমি নির্বাচনে প্রতিশ্রুতি
দিয়েছিলাম পদ্মা রক্ষাবাঁধ করে দেব। আমি আমার কথা রেখেছি। নয়াবাড়ীতে কাজ
শুরু হয়েছে। এরপর নারিশা পর্যন্ত পদ্মা রক্ষাবাঁধ নির্মাণ শুরু হবে। শনিবার
বিকালে দোহারের নয়াবাড়ী নদীভাঙন এলাকায় গরিব, অসহায় ও শীতার্তদের মাঝে
শীতবস্ত্র বিতরণকালে এ কথা বলেন সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী,
জাতীয় মহিলা পার্টির সভানেত্রী অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম এমপি। সালমা ইসলাম
বলেন, নদীভাঙনের শিকার মানুষগুলো ঘরবাড়ি হারিয়ে আজ নিঃস্ব। তারা অনেকেই
খোলা আকাশের নিচে বাস করছেন। আপনাদের অমানবিক জীবনযাপন দেখে আমার কষ্ট
হচ্ছে।
আপনাদের পরিবার-পরিজনও শীতে কষ্ট করছে। তাই আপনাদের কাছে আমার ছুটে
আসা। আগামী দিনেও আমি সব আপদে-বিপদে আপনাদের সঙ্গে থাকতে চাই। সাবেক এ
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, আপনারা লক্ষ্য রাখবেন, একটি চক্র রাজনৈতিক ফায়দা
হাসিলের জন্য পদ্মা রক্ষাবাঁধের কাজের সুনাম নিতে চাইবে। ওইসব বসন্তের
কোকিল থেকে সাবধান থাকবেন। অ্যাডভোকেট সালমা ইসলাম দোহার উপজেলার
মুকসেদপুর, নারিশা, সুতারপাড়া, পৌরসভা, বিলাশপুর, মাহমুদপুর, কুসুমহাটি,
নয়াবাড়ী ও রাইপাড়া ইউনিয়নে ৬ সহস্রাধিক শীতার্ত মানুষের মাঝে ব্যক্তিগত
অর্থে কম্বল বিতরণ করেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দোহার উপজেলা নির্বাহী
কর্মকর্তা কেএম আল আমিন, বিলাশপুর ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন মোল্লা,
মাহমুদপুর ইউপি চেয়ারম্যান তোফাজ্জেল হোসেন, কুসুমহাটি ইউপি চেয়ারম্যান
আমজাদ হোসেন আজাদ, আওয়ামী লীগ নেতা সুরুজ আলম, আবদুর রহিম, জাতীয় পার্টির
নেতা হুমায়ন কবির, জুয়েল আহমেদ, ডা. আলাউদ্দিন আল আজাদ, আবদুল আলীম, হায়দার
বেপারি, লোকমান হোসেন, বশির আহমেদ, ওয়াহাব তালুকদার, ডা. আবদুল হাকিম,
শহীদুল ইসলাম, আফজাল শিকদার, ইয়াকুব মাতবর, হান্নান মুন্সি, মাসুম খান,
হাজী মনির হোসেন, রেশমী হোসেন আজাদ, জাহিদ ভূঁইয়া, গিয়াস উদ্দিন, বাবুল
হোসেন, জসীম উদ্দিন পান্নু, রাজিব খান, জুবায়ের হোসেন, নজরুল ইসলাম, মনির
হোসেন প্রমুখ।

No comments:
Post a Comment