Sunday, January 22, 2017

দুই সঙ্গীতশিল্পী পেলেন রবীন্দ্র গুণী সম্মাননা

শিল্প-সাহিত্যভিত্তিক সংগঠন ‘খামখেয়ালি সভা’ ইতিমধ্যে পদার্পণ করেছে প্রতিষ্ঠার চতুর্থ বর্ষে । আর এ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে দু’দিনের অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করা হয়। শনিবার ছিল এ আয়োজনের শেষ দিন। সমাপনী দিনের সন্ধ্যায় খ্যাতিমান দুই রবীন্দ্র সঙ্গীত শিল্পীকে প্রদান করা হলো সম্মাননা। রবীন্দ্র সঙ্গীতের সুরে শ্রোতাকে আলোড়িত করা দুই শিল্পী রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ও সাদি মহম্মদকে প্রদান করা হয় রবীন্দ্র গুণী সম্মাননা।
শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় চিত্রশালা মিলনায়তনে এ সম্মাননা প্রদান অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সম্মাননা প্রদানের আগে ছিল নাচ-গান ও কবিতায় সাজানো সাংস্কৃতিক পরিবেশনা। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। বিশেষ অতিথি ছিলেন ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনের ইন্দিরা গান্ধী সাংস্কৃতিক কেন্দ্রের (আইজিসিসি) পরিচালক জয়শ্রী কুণ্ডু, বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক ড. অভ্র বসু ও খামখেয়ালি সভার উপদেষ্টা পরিষদের সম্পাদক আলদিত্তা মোহাম্মদ আলাউদ্দিন। আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মাহমুদ হাশিমের সভাপতিত্বে স্বাগত বক্তব্য রাখেন খামখেয়ালি সভার সাধারণ সম্পাদক ফয়সাল ইবনে জামান। সাংস্কৃতিক পর্বের শুরুতে শর্মিলা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচালনায় বৃন্দ নৃত্য পরিবেশন করে নৃত্যনন্দনের শিল্পীরা। নাচ শেষে শুরু হয় সঙ্গীত পরিবেশনা। একক কণ্ঠে গান শোনান জাকির হোসেন তপন ও অনিরুদ্ধ সেনগুপ্ত। তারা গেয়ে শোনান ‘বিপুল তরঙ্গরে’, 
আমায় থাকতে দে আপন মনে’ ও ‘চরণধূলিতে দিও গো আমারে নিও না সরিয়ে’। আবৃত্তিশিল্পী শিমুল মুস্তাফা উপস্থাপন করে রবিঠাকুরের ‘বাঁশি’ কবিতা। মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপন : আনন্দ আয়োজনে উদ্্যাপিত হল মুক্তধারা আবৃত্তি চর্চা কেন্দ্রের ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী। শনিবার বিকেলে সুফিয়া কামাল জাতীয় গণগ্রন্থাগারের শওকত ওসমান মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সংগঠনের বিষয়ে বিশিষ্টজনদের শুভেচ্ছা বক্তব্য এবং একক ও দলীয় আবৃত্তি পরিবেশনায় সাজানো হয় আয়োজন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন জাতীয় কবিতা পরিষদের সভাপতি কবি অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ আবৃত্তি সমন্বয় পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মো. আহ্কাম উল্লাহ্।

No comments:

Post a Comment