মোস্তাফিজের
বলে স্লিপে ক্যাচ মিস করে সমালোচিত হচ্ছেন ইমরুল কায়েস। নেইল ব্রুমের সেই
ক্যাচ না ফেললে হয়তো আরেকটু প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ হতো তৃতীয় ওয়ানডে। তবে
খলনায়কে পরিণত হওয়ার আগে ব্যাট হাতে দারুণ এক কীর্তি গড়েছেন ইমরুল, যে
কীর্তিতে তার সঙ্গী বাংলাদেশের আরেক বাঁ-হাতি ওপেনার তামিম ইকবাল। সব ধরনের
ফরম্যাট মিলিয়ে ইমরুল-তামিম জুটি ছুঁয়েছে চার হাজার রানের মাইলফলক। একসময়
নিয়মিত দেখা যেত তামিম-ইমরুল জুটি। দুই বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান সূচনা করতেন
বাংলাদেশের ইনিংসের। তামিম নিজের অবস্থান ধরে রাখতে পারলেও মাঝে অনিয়মিতই
হয়ে পড়েছিলেন ইমরুল। ২০১২ ও ২০১৩ টানা দু’বছর খেলতে পারেননি একটিও
আন্তর্জাতিক ম্যাচ। সাম্প্রতিক সময়ে আবার তামিমের উদ্বোধনী জুটি হয়েছেন
ইমরুল। শনিবার নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় ওয়ানডেতে তারা ১০২ রানের জুটি
গড়েন। এই জুটি গড়ার পথে দারুণ এক মাইলফলক স্পর্শ করেন তামিম ও ইমরুল।
সব
ধরনের ফরম্যাট মিলিয়ে এই জুটির রান ৪,০৯৭। এর মধ্যে অর্ধেকের বেশি রান
এসেছে টেস্ট থেকে। ২০০৮ থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত ৪৭টি ইনিংসে ইমরুল-তামিম
জুটি থেকে এসেছে ২,২১৩ রান। টেস্টে বাংলাদেশের আর কোনো জুটি করতে পারেনি
দুই হাজারের বেশি রান। ৫৮টি ওয়ানডে খেলে তামিম-ইমরুল জুটির সংগ্রহ ১,৮২৬
রান। আর তিনটি টি ২০ খেলে তারা যোগ করেছেন ৫৮ রান। ওয়ানডেতে তামিম-ইমরুল
জুটি আছেন দ্বিতীয় স্থানে। ৫০ ওভারের ক্রিকেটে এখন পর্যন্ত বাংলাদেশের
সবচেয়ে সফল জুটি সাকিব আল হাসান ও মুশফিকুর রহিমের। ৬১টি ওয়ানডে খেলে তাদের
জুটির সংগ্রহ ২,১৫৪ রান। সব ধরনের ক্রিকেট মিলিয়ে তারাই সবার আগে
ছুঁয়েছিলেন চার হাজার রানের মাইলফলক। ১২৪ ইনিংসে জুটি বেঁধে সাকিব-মুশফিকের
সংগ্রহ ৪,২৪১ রান। তাদের পরেই আছে তামিম-ইমরুল জুটি।

No comments:
Post a Comment