সুনামগঞ্জের
তাহিরপুর থানার পুলিশ ফাঁড়ি থেকে হ্যান্ডকাপ নিয়ে পালিয়ে যাওয়া হত্যা
মামলার প্রধান আসামি শফিকুল ইসলামকে (৩২) ফের গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
বুধবার রাত সোয়া ১১টার দিকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। শফিকুল উপজেলার বাদাঘাট
উওর ইউনিয়নের দিঘীরপাড় গ্রামের মহি-উদ্দিনের ছেলে। জেলা পুলিশ সুপার মো.
হারুন অর রশীদ যুগান্তরকে জানান, তাহিরপুর থানার বাদাঘাট পুলিশ ফাঁড়ির
ইনচার্জ এসআই চম্পক দাম সন্ধ্যায় বাদাঘাট থেকে হত্যা মামলার পলাতক আসামি
শফিকুল ইসলামকে গ্রেফতার করে পুলিশ ফাঁড়িতে নিয়ে যান। ফাঁড়িতে বসিয়ে রাখার
পর ডিউটিরত কনস্টেবল শাহরিয়ারকে তার আরেক সহকর্মী পানি আনতে বললে শফিকুল
হ্যান্ডকাপ নিয়ে ফাঁড়ি থেকেই পালিয়ে যায়। পরে সন্ধ্যায় পুলিশ শফিকুলের
বাবা মহিউদ্দিন (৫৫) ও তার ছেলে রফিকুল ইসলাম (৩৫) , ইমানুল ইসলামকে (২৯
গ্রেফতার করে। পুলিশ সুপার জানান,
শফিকুল তথ্য প্রযুক্তিকে ফাঁকি দিয়ে
নিরাপদে ভৈরব চলে যেতে তার মুঠোফোন স্ত্রীর কাছে রেখে যায়। পরে পরিবারকে
চাপ প্রয়োগ করে তথ্য জানা হয়। সেই তথ্যে বিত্তিতে বুধবার রাত সোয়া ১১টার
দিকে মোল্লাপাড়া গ্রামে নির্মাণাধীন একটি বাড়ির বারান্দা থেকে তাকে
গ্রেফতার করে থানায় নিয়ে যায় পুলিশ। উল্ল্যেখ, বিগত ২০১৬ সালে ২ নভেম্বর
উপজেলার বাদাঘাটের পান দোকানী মানিক মিয়াকে চাল পড়া দিয়ে চোর শনাক্তকরণের
পর আত্মহত্যার প্ররোচনায় বাধ্য করা হয়। মানিকের পরিবার নির্যাতন করে মুখে
বিষ তুলে দিয়ে হত্যার অভিযোগে ১১ জনের বিরুদ্ধে থানায় মামলা দায়ের করেন। ওই
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসাবে এসআই চম্পক দাম আটজনকে অব্যাহতির আবেদন
জানিয়ে প্রধান আসামি শফিকুলসহ তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগ পত্র
জমা দেয়। শফিকুল ওই মামলার প্রধান আসামি।

No comments:
Post a Comment