থার্টিফার্স্ট
নাইটে তুরস্কের বৃহত্তম শহর ইস্তাম্বুলের একটি জনপ্রিয় নাইট ক্লাবে হামলা
চালিয়ে বিদেশীসহ ৩৯ জনকে হত্যার ঘটনায় প্রধান সন্দেহভাজন হিসেবে একজনকে আটক
করেছে দেশটির পুলিশ। আটককৃতের নাম আবদুল কাদির মাশারিপভ। সে মধ্য এশিয়ার
দেশ উজবেকিস্তানের নাগরিক। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজেকে ওই হামলায় জড়িত
থাকার কথা স্বীকার করেছেন। খবর এএফপির। স্থানীয় সময় সোমবার এক বিবৃতিতে
পুলিশ জানায়, সন্দেহভাজন উজবেক নাগরিক আবদুল কাদিরকে ধরতে অভিযান চালানো
হয়। ইস্তাম্বুলের পার্শ্ববর্তী ইসেনিউর্ট জেলায় একজন কিরগিজ বন্ধুর বাড়ি
থেকে তাকে আটক করা হয়। এ সময় তার ৪ বছর বয়সী ছেলেও সঙ্গে ছিল। তাকে আটকের
পর জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছিল। ইস্তাম্বুলের গভর্নর ভাসিপ শাহীন সাংবাদিকদের
জানিয়েছেন, ‘সন্ত্রাসী তার নিজের অপরাধ স্বীকার করেছে।’ হামলাকারী হামলার
আগে আফগানিস্তানে প্রশিক্ষণ নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন গভর্নর। ওই হামলার দায়
স্বীকার করেছে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট (আইএস)। কাদির আইএসের সদস্য
কিনা,
তা যাচাই করা হচ্ছে। কাদির ২০১৬ সালের শুরুতে পরিবার নিয়ে তুরস্কে
বসবাস শুরু করেন। সে মধ্য তুরস্কের কোনিয়া শহরে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে
একটি ভাড়া বাসায় থাকত। ১ জানুয়ারি রাত সোয়া ১টার দিকে ইস্তাম্বুলের
বেসিকতাস এলাকার জনপ্রিয় রেইনা নাইট ক্লাবে এ হামলা চালানো হয়। এ সময়
সেখানে প্রায় ৭০০ লোক উপস্থিত ছিলেন। হামলাকারী সান্তা ক্লজের বেশে নাইট
ক্লাবে ঢুকে গুলিবর্ষণ শুরু করেন। এতে ১৬ বিদেশী নাগরিকসহ নিহত হন ৩৯ জন।
আহত হন আরও অন্তত ৬৯ জন। নিহত বিদেশীদের মধ্যে কানাডা, ইসরাইল, ফ্রান্স,
তিউনিশিয়া, বেলজিয়াম, ভারত, লেবানন ও সৌদি আরবের নাগরিক রয়েছেন।

No comments:
Post a Comment