ক্রিকেটে
স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাইলেন শহিদ আফ্রিদি।
পাকিস্তান সুপার লীগের (পিএসএল) দ্বিতীয় আসর শুরু হয়ে গেছে। প্রথম ম্যাচের
পর ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের দুই খেলোয়াড় শারিজল খান ও খালিদ লতিফকে সাময়িক
নিষিদ্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। আরব আমিরাত থেকে তাদেরকে পাকিস্তানে পাঠিয়ে দেয়া
হয়েছে। আন্তর্জাতিক একটি জুয়াড়ি চক্রের সাথে তাদের যোগাযোগের বিষয় নিয়ে
সন্দেহ করা হচ্ছে। এই দু’জন ছাড়া আরো কয়েকজন রয়েছেন পিএসএলের আতস কাঁচের
নিচে। ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাইলেন সাবেক অধিনায়ক
শহিদ আফ্রিদি। যদিও ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার ব্যাপারে তাদের বিরুদ্ধে স্পষ্ট
কোনো প্রমাণ নেই। তবে ক্রিকেটে এমন কলুষিত কাজে জড়িত থাকাদের দৃষ্টান্তমূলক
শাস্তি চাইলেন সাবেক অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদি।
তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি আর কী
বলবো। আগেও এ বিষয়ে কথা বলেছি। পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) যতক্ষণ
জড়িত খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা না নিবে ততক্ষণ ফিক্সিং
বন্ধ হবে না।’ এছাড়া, আবারো নিষিদ্ধ খেলোয়াড়দের পুনরায় জাতীয় দলে ফেরার
বিরোধিতা করলেন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের হয়ে আইসিসি টুয়েন্টি-২০ বিশ্বকাপ
জয়ী এই ক্রিকেটার। পিএসএলে পেশোয়ার জালমির এ আইকন খেলোয়াড় বলেন, ‘আমার আসলে
বলার কিছু নেই। পিসিবি-ই নিষিদ্ধ হওয়ার খেলোয়াড়দের পুনরায় দলে নিচ্ছে।
স্পট ফিক্সিংয়ের দায়ে পাঁচ বছর নিষিদ্ধ থাকার পর তাকে যদি আবার জাতীয় দলে
নেয়া হয় তাহলে অবস্থার উন্নতি হবে? আমার মনে হয় না- এমন করলে ফিক্সিং কখনো
বন্ধ হবে। পিসিবির উচিৎ দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া। তাহলে ঠিক হতে পারে।’
উল্লেখ্য, ২০১০ সালে স্পট ফিক্সিংয়ে জড়িয়ে পড়ায় নিষিদ্ধ হন পাকিস্তানের তিন
খেলোয়াড় সালমান বাট, মোহাম্মদ আসিফ ও মোহাম্মদ আমির। তরুণ পেসার আমির পাঁচ
বছরের নিষেধাজ্ঞা কাটিয়ে ইতোমধ্যে পাকিস্তান জাতীয় দলে ফিরেছেন।

No comments:
Post a Comment