উত্তর
কোরিয়ার শাসক কিম জং উনের সৎভাইকে খুন হয়েছেন মালেশিয়ায়। মালেশিয়া পুলিশ
সূত্রে জানা গেছে, ৪৫ বছরের কিম জং নামকে সোমবার কুয়ালালামপুর বিমানবন্দরে
দুই মহিলা বিষাক্ত বিষ মেশানো সুচ বিঁধিয়ে নিরাপত্তারক্ষীদের চোখকে ফাঁকি
দিয়ে ট্যাক্সিতে উঠে পালিয়ে যায়। বিমানবন্দর থেকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার
পথেই মৃত্যু হয় তার। কিম জং নামের দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
কিম
জং নাম উত্তর কোরিয়ার পরলোকগত শাসক কিম জং ইলের বড় ছেলে। সূত্রের খবর, ওই
দুই মহিলা এজেন্টকে কিম জং উনই নিয়োগ করে থাকতে পারেন সৎভাইকে খুন করানোর
জন্য। ২০০১ সালে অবৈধ পাসপোর্ট নিয়ে জাপানে ঢুকতে গিয়ে কিম জং নাম ধরা
পড়েন। পরে তিনি পুলিশকে জানান, টোকিও ডিজনিল্যান্ড দেখার জন্যই তিনি জাপানে
ঢোকার চেষ্টা করেছিলেন। ২০১১ সালে বাবার মৃত্যুর পরে তাঁ ছোট ভাই কিম জং
উন উত্তর কোরিয়ার শাসক হন। কিম জং নাম সে সময় ম্যাকাও, সিঙ্গাপুর ও চীনেই
বেশি সময় কাটাতেন। ২০১১ সালে উত্তর কোরিয়ার শাসক হয়ে কিম জং উন জাপানের
সংবাদমাধ্যমকে নিজের ব্যাপারে জানান, তিনি ‘রাজবংশীয় উত্তরসূরি।’ ২০১২
সালের একটি বই থেকে জানা যায়, কিম জং উন নিজের সৎভাইকে উত্তর কোরিয়ার জন্য
যোগ্য শাসক মনে করতেন না। ২০১৩ সালে কিম জং উনের নির্দেশে তার কাকাকে একই
পদ্ধতিতে খুন করা হয় বলে অনেকের ধারণা। তারপর থেকেই তার সৎভাই নিজের প্রাণ
বাঁচাতে গা ঢাকা দিতে মালেশিয়া চলে আসেন। কিন্তু এখানেও শেষ রক্ষা হলো না।

No comments:
Post a Comment