দুদক
আতংকে সিলেটের বিআরটিএ অফিস। অবৈধ পথে আনা বিলাসবহুল একটি লেক্সাস গাড়ি
কেলেংকারির ঘটনায় গত দুই সপ্তাহ ধরে ফেরার জীবন কাটাচ্ছেন বিআরটিএ সিলেট
অফিসের সহকারী পরিচালক (এডি) এনায়েত হোসেন মন্টু, মোটরযান ইন্সপেক্টর কেশব
কুমার দাশ ও উচ্চমান সহকারী আবদুর রব।
বিপুল পরিমাণ শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা
গাড়িটি সিলেট শহর থেকে জব্দ করার পর দুদক টিম গত ৬ ফেব্রুয়ারি হানা দেয়
বিআরটিএ অফিসে। টের পেয়ে আগেই পালিয়ে যায় এনায়েতসহ বিআরটিএ’র এই তিন
কর্মকর্তা-কর্মচারী। সেই থেকে তারা ফেরার জীবন-যাপন করছেন। অননুমোদিতভাবে
তারা অফিসে অনুপস্থিত। গাড়িটিতে এক কোটি ৭৪ লাখ ৯৯ হাজার ১৬৭ টাকা রাজস্ব
ফাঁকি দেয়ার অভিযোগে বিআরটিএ’র এই তিন জনসহ ৬ জনকে আসামি করে মামলা করেছে
দুদক। এডি এনায়েতসহ তিনজনের অফিসে উপস্থিত না হওয়া এবং দুর্নীতির অভিযোগে
দায়েরকৃত মামলার পর তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে কি-না জানতে
চাইলে বিআরটিএর সিলেট বিভাগের উপ-পরিচালক উচ্চমান সহকারী আবদুর রব। জানা
যায়, লন্ডন প্রবাসী রূপা মিয়া ২০১০ সালে কারনেট সুবিধায় লন্ডন হতে
চট্টগ্রাম পোর্ট দিয়ে লেক্সাস ব্র্যান্ডের গাড়িটি বাংলাদেশে আনেন। এরপর
তিনি সিলেটের বিশ্বনাথ উপজেলা শাসক দলের সভাপতি পংকি খানের মাধ্যমে
সুনামগঞ্জের মো. মোরশেদ আলম বেলালের কাছে ২৯ লাখ টাকায় গাড়িটি বিক্রি করেন।
অভিযোগ রয়েছে গাড়িটি ১৭ লাখ টাকার বিনিময়ে অবৈধভাবে রেজিস্ট্রেশন দেয়া হয়।
সোমবার অফিসে গিয়ে দেখা যায় বিআরটিএ’র এডিসহ তিনজনই অফিসে অনুপস্থিত। নাম
প্রকাশে অনিচ্ছুক অফিসের একজন ইন্সপেক্টর যুগান্তরকে জানান, তারা দুই
সপ্তাহ ধরে অফিসে আসছেন না। শুনেছি তাদের নামে মামলা হয়েছে। এডি এনায়েতের
মোবাইল ফোন নম্বরটিও বন্ধ রয়েছে।

No comments:
Post a Comment